অস্ট্রেলিয়ায় সীমান্ত নিয়ন্ত্রণে বায়োমেট্রিক সিস্টেম

আপডেট: জানুয়ারি ২৬, ২০১৭, ১২:০৪ পূর্বাহ্ণ

সোনার দেশ ডেস্ক



ভ্রমণকারীর পাসপোর্ট যাচাই করে তাদেরকে দেশের ভেতরে ঢোকার অনুমতি দেওয়ার প্রক্রিয়ায় ঝামেলা কমাতে নতুন বায়োমেট্রিক সিস্টেম চালু করতে কাজ করছে অস্ট্রেলিয়ান সরকার।
অন্তত ৯০ শতাংশ ভ্রমণকারীকে মানুষ কর্মীর দ্বারা যাচাই করার পরিবর্তে বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে যাচাইয়ের পরিকল্পনা করছে দেশটি, জানিয়েছে বিবিসি। ২০২০ সালের মধ্যেই এই বায়োমেট্রিক সিস্টেম চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে বলেও জানানো হয়।
বায়োমেট্রিক সিস্টেম তৈরি করতে এমন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের খোঁজ করা হচ্ছে যারা ফেসিয়াল, আইরিশ এবং ফিঙ্গারপ্রিন্ট শনাক্তকরণের মতো বায়োমেট্রিক সিস্টেম দিতে পারেবে। আর এই সিস্টেমের জন্য বাজেট নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ কোটি মার্কিন ডলার। এই সিস্টেম চালু করা হলে এটিই হতে পারে “বিশ্বের প্রথম”, বলেন দেশটির সীমান্ত নিরাপত্তা প্রধান জন কোয়েন। কিন্তু এই সিস্টেমের গোপনীয়তার প্রভাব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সমালোচকরা।
কোয়েন বলেন, “বায়োমেট্রিক এখন জনপ্রিয়তার দিকে এগোচ্ছে এবং এই বড় ডেটা ব্যবহারে আমাদের ক্ষমতা দিন দিন বেড়ে চলেছে।”
এ বছরের গ্রীষ্মেই ক্যানবেরা-তে ‘সিমলেস ট্রাভেলারাস’ নামের এই পাইলট প্রকল্প শুরু করার ব্যাপারে আশাবাদী দেশটির সীমান্ত নিরাপত্তা বিভাগ। আর ২০১৯ সালের বসন্তের মধ্যে বড় এয়ারপোর্টগুলোতে এই সিস্টেম চালু করা হবে বলেও জানানো হয়।
এ দিকে ইউনিভার্সিটি অফ ওলংয়ং-এর প্রযুক্তি এবং বায়োমেট্রিক বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ক্যাটিনা মাইকেল ব্রিটিশ দৈনিক গার্ডিয়ান-কে বলেছেন এ ধরনের প্রযুক্তি গোপনীয়তার জন্য ঝুঁকি হতে পারে।
“যদি সিস্টেমটি কাজ করেও, জাতিকে না জানিয়েই তাদের ওপর এই সিস্টেম চাপিয়ে দেওয়া কি নৈতিক হবে?,” বলেন মাইকেল।-বিডিনিউজ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ