আইনি সহায়তা দিবসের আলোচনায় বক্তারা || আইনি সহায়তা অসহায়-দরিদ্র্যদের দৌড়গোড়ায় নিতে হবে

আপডেট: এপ্রিল ২৯, ২০১৭, ১২:৪০ পূর্বাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক



জাতীয় আইনি সহায়তা দিবসের আলোচনা সভায় বক্তারা বলেছেন, সরকারি আইনি সহায়তা অসহায়-দরিদ্র মানুষের দৌড়গোড়ায় পৌঁছে দিতে হবে।  এটি আমাদের সকলের দায়িত্ব, যা নিষ্ঠার সাথে পালন করতে হবে।
বক্তারা বলেন, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে প্রতিটি মানুষই আইনি অধিকার লাভের অধিকারী। কিন্তু সমাজের বাস্তব পরিস্থিতি তেমন নয়। অসহায় দরিদ্র মানুষ আইনি অধিকার তথা বিচার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এই পরিস্থিতি উত্তরণের উপায় হিসেবে সরকার অসহায়-দরিদ্র মানুষের আইনি সহায়তায় এগিয়ে এসেছে। সরকারি উদ্যোগে পরিচালিত আইন সহায়তা কমিটির মাধ্যমে বিনামূল্যে আইনি সহায়তা দেয়া হচ্ছে।
গতকাল শুক্রবার সকালে জাতীয় আইনি সহায়তা দিবসের সূচনায় বর্ণাঢ্য র‌্যালি শেষে জেলা জজ কোর্ট চত্বরে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন, রাজশাহীর সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মুহম্মদ মাহবুব-উল হক।  আলোচনায় অংশ নেন,মহানগর দায়রা জজ আখতার-উল আলম, নারী শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ১ এর বিচারক ( জেলা জজ) মো. মনসুর আলম, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সুব্রত পাল, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সমীর চৌধুরী, রাজশাহী আইনজীবী সমিতির সভাপতি মো. লোকমান আলী, পাবলিক প্রসিকিউটর  অ্যাডভোকেট ইব্রাহিম হোসেন এবং স্বাগত বক্তব্য দেন, জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার ও সিনিয়র সহকারী জজ মো. সেলিম রেজা। সূচনায় কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন, যুগ্ম জেলা জজ মো. মোস্তফা কামাল।  এছাড়াও মধ্যে বক্তব্য রাখেন, অ্যাডভোকেট সারোয়ার জাহান তুহিন, সাজেদা বেগম ও নিলুফা আক্তার।
এর আগে অনুষ্ঠিত র‌্যালিতে অংশ নেন, সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মাহবুব-উল হক, জেলা প্রশাসক কাজী আশরাফ উাদ্দন।
জেলা লিগ্যাল অফিসার তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন, আইনি সহায়তার পরিধি ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাঁর উপস্থাপিত গত ছয় বছরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী ২০১১ সালে ৩১০ জন, ২০১২ সালে ৫৭৩ জন, ২০১৩ সালে ৫৬২ জন, ২০১৪ সালে ১১৭৪ জন, ২০১৫ সালে ২০০০ জন এবং ২০১৬ সালে ১২০৬ জন আইনি সহায়তা নিয়ে উপকৃত হয়েছেন। এ ছাড়াও আইনি পরামর্শ নেয়ার ক্ষেত্রে মানুষের আগ্রহ ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে।
র‌্যালি ও আলোচনা সভায় জেলা জজশিপের বিচারকগণ, প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারী, আইনজীবী, সাংবাদিক এবং ব্লাস্ট, মহিলা আইনজীবী সমিতি, সচেতন, ব্র্যাক, এসিডি, এফডাবলুসিএ, গালর্স গাইডের সদস্য এবং বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।