আওয়ামী লীগের ইশতেহার

আপডেট: ডিসেম্বর ২৭, ২০২৩, ১২:০৫ পূর্বাহ্ণ

তরুণদের ভাবনায় উজ্জীবিত হোক

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দলগুলো ইশতেহার ঘোষণা করবে এটাই স্বাভাবিক। ইশতেহার রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি-অঙ্গীকার। এ অঙ্গীকার দেশের মানুষের সাথে। সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দল নির্বাচিত হয়ে সরকার গঠন করলে দেশের ইতিবাচক পরিবর্তনে, মানুষের কল্যাণে কী উদ্যোগ নিতে চায় তারই অগ্রিম ঘোষণা। বাংলাদেশে ইশতেহারের গুরুত্ব অপরিসীম। ইশতেহারের অঙ্গীকার রাজনৈতিক দলের রাজনৈতিক সদিচ্ছারই বহিঃপ্রকাশ। ভোটাররা তাদের কল্যাণের অঙ্গীকারের ফলশ্রুতিতে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবে। কোনো রাজনৈতিক দল সরকারে থেকেও তাদের অঙ্গীকার বাস্তবায়নে ব্যর্থ হলে জনগণের সামনে তার ব্যাখ্যার প্রয়োজন হয়। ভোটাররা তার গুরুত্ব বিচার করে থাকেন।

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইশতেহার ঘোষণা করবে ২৭ ডিসেম্বর। কিন্তু ইশতেহার ঘোষণার পূর্বে দেশের তরুণদের ভাবনাটাও জেনে নিল। এটা সময়ের দাবি যে, দেশের তরুণরা আওয়ামী লীগের ইশতেহার কীভাবে দেখতে চায়, তাদের স্বার্থ, দেশের স্বার্থকে কীভাবে বুঝতে চায়- এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তরুণদের এই আকাক্সক্ষার বহিঃপ্রকাশ উন্নয়নের চাহিদা তৈরি করে তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

২৫ ডিসেম্বর আওয়ামী লীগের গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশন (সিআরআই) তরুণওেদর ভাবনা জানওেত চেয়েছে।এই ইশতেহার ঘোষণার আগে ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ নিয়ে তরুণদের ভাবনা, চাওয়া জানতে সরাসরি তাদের সঙ্গে কথা বলেন আ’লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এর আগেও তরুণদের সঙ্গে আলোচনায় বসেছেন। সরাসরি তাদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তরও দিয়েছেন। এবারও তরুণদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেয়ার পাশাপাশি তিনি জেনেছেন, বর্তমান প্রজন্মের এই প্রতিনিধিরা প্রধানমন্ত্রী হলে দেশ গঠনে কী ধরনের উদ্যোগ নেবেন। বর্তমান প্রজন্মের তরুণদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে স্মার্ট বাংলাদেশ নির্মাণের বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা হয়।

রাষ্ট্র ব্যবস্থার সাথে তরুণদের ভাবনার সম্পৃক্ততার উদ্যোগটি নিঃসন্দেহে রাষ্ট্রের সাথে অংশিদারিত্ব বৃদ্ধি করবে। এর মধ্য দিয়ে তরুণ নিশ্চিত হতে চায় এ দেশ আমার, এ দেশের উন্নয়ন-অগ্রগতিতে স্বয়ং দায়িত্ববান। কাজটি তার হয়ে যায়। দেশ নিয়ে স্বপ্নটা ক্রমশ বড় হতে থাকে। নিশ্চয় তরুণরা যে ভাবনা ব্যক্ত করেছেন তার প্রভাব আওয়ামী লীগের ইশতেহারে পাওয়া যাবে। তরুণরা সুস্থ থাকলে বাংলাদেশও সুস্থ থাকবে। তরুণ কী চায় তা প্রতিটি রাজনৈতিক দলের রাজনৈতিক সদিচ্ছার পরিপূরক হোক এটাই প্রত্যাশা।