আওয়ামী লীগের তুলনা আওয়ামী লীগই

আপডেট: অক্টোবর ২১, ২০১৬, ১২:০৭ পূর্বাহ্ণ

প্রফেসর ড. আবদুল খালেক
বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে তুলনামূলক একটি আলোচনার কথা অনেক দিন থেকেই ভাবছিলাম। বাংলাদেশের ভৌগোলিক আকৃতি ক্ষুদ্র হলেও বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলের তালিকা বেশ দীর্ঘ। রাজনৈতিক দল গঠনের জন্য বাংলাদেশের মত উর্বর স্থান বোধ করি বিশ্বে খুব কমই আছে। এ মুহূর্তে বাংলাদেশে রাজনৈতিক দলের সংখ্যার কথা যদি জানতে চাওয়া হয়, আমি একটু বিব্রতই বোধ করবো, কারণ রাজনৈতিক দলের সঠিক পরিসংখ্যান আমার জানা নেই। তবে আনুমানিক একটি সংখ্যা হয়তো বলা যাবে। নানা রকম রাজনৈতিক জোটের নাম পত্র-পত্রিকায় দেখা যায়, যেমন ১৪ দলীয় জোট, ১৫ দলীয় জোট, ২০ দলীয় জোট ইত্যাদি। জোটের বাইরেও কিছু রাজনৈতিক দলের অস্তিত্ব আছে। সব মিলিয়ে দেশে ৫০টির অধিক রাজনৈতিক দল রয়েছে, এমন অনুমান হয়তো সত্যের কাছাকাছি যাবে।


পাকিস্তান আমলে দেশে এতগুলো রাজনৈতিক দল ছিল না। বাংলাদেশ স্বাধীন হবার পর পাকিস্তান আমলের রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে যেমন বিভাজন ঘটেছে, আবার বেশ কিছু নতুন দলও গঠিত হয়েছে। দেশে এমন কিছু রাজনৈতিক দল রয়েছে, যাদের নেতা-কর্মীদেরকে দেখতে হলে অণুবীক্ষণযন্ত্রের ব্যবহার করা ছাড়া উপায় নেই।
১৯৪৭ সালে দ্বিজাতি তত্ত্বের ভিত্তিতে পাকিস্তান নামের একটি রাষ্ট্রের জন্ম হয়। পাকিস্তান রাষ্ট্র গঠনের নেতৃত্ব দিয়েছিল মুসলিম লীগ। পাকিস্তান জন্মের পরপরই দেশের রাষ্ট্রভাষা নিয়ে ভয়ানক বিতর্কের সৃষ্টি হয়। ১৯৪৮ সালে মুসলিম লীগ নেতা পাকিস্তান রাষ্ট্রের জনক মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ ঢাকায় এসে যখন ঘোষণা করেন উর্দুই হবে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা, তখন সচেতন ছাত্রদের পক্ষ থেকে প্রচ- প্রতিবাদ জানানো হয়। সে প্রতিবাদ ছড়িয়ে পড়ে দেশের সর্বস্তরে। শুরু হয় ভাষা আন্দোলন। এই পরিপ্রেক্ষিতে তৎকালীন পূর্ব বাংলার রাজনৈতিক নেতাদের মধ্যে উপলব্ধি জাগে মুসলিম লীগের মাধ্যমে পূর্ব বাংলার মানুষের কোন স্বার্থ সংরক্ষিত হবে না। পূর্ব বাংলার স্বার্থ সংরক্ষণের জন্য পৃথক একটি রাজনৈতিক দল গঠন অপরিহার্য। এই উপলব্ধি থেকেই ১৯৪৯ সালের জুন মাসে গঠিত হয় ‘আওয়ামী মুসলিম লীগ’ নামের একটি রাজনৈতিক দল। দলীয় প্রতীক হয় নদীমাতৃক বাংলাদেশের জীবন-সারথী ‘নৌকা’।
১৯৫৪ সালে তৎকালীন পাকিস্তানে একটি সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। মুসলিম লীগকে মোকাবিলার লক্ষ্যে প্রবীন নেতা জনাব এ কে ফজজুল হক, মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী এবং নবীন নেতা শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে গঠিত হয় যুক্তফ্রন্ট। যুক্তফ্রন্ট নির্বাচনী প্রতীক হিসেবে গ্রহণ করে আওয়ামী লীগের ‘নৌকা’কে। ১৯৫৪ সালের সাধারণ নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের কাছে মুসলিম লীগ শোচনীয়ভাবে হেরে যায়। যুক্তফ্রন্ট যাতে রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসতে না পারে সে জন্য শুরু হয় নানা রকম ষড়যন্ত্র। সেই ষড়যন্ত্রেরই ফসল, ১৯৫৮ সালে জেনারেল আইউব খানের সামরিক আইনের মাধ্যমে রাষ্ট্র ক্ষমতা দখল। আইউব খান রাষ্ট্র ক্ষমতা হাতে নেয়ার পর বুঝতে পারেন পূর্ব পাকিস্তানের সবচেয়ে শক্তিশালী রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ এবং সবচেয়ে জনপ্রিয় নেতা শেখ মুজিব। অত্যাচারের স্ট্রিমরোলার চালানো হয় শেখ মুজিবের ওপর। নানা অভিযোগ এনে শেখ মুজিবকে মাসের পর মাস জেলখানায় বন্দী করে রাখা হয়। এত নির্যাতনের মধ্যে থেকেও ১৯৬৬ সালে শেখ মুজিব ঘোষণা করেন পূর্ব বাংলার মুক্তির সনদ ৬ দফা। শেখ মুজিবের ৬ দফাকে আইউব খান পূর্ব পাকিস্তানের স্বাধীনতা ঘোষণারই নামান্তর হিসেবে গণ্য করেন। এক পর্যায়ে শেখ মুজিবের বিরুদ্ধে দায়ের করা হয় আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা। এ মামলাটি প্রকৃতপক্ষে শেখ মুজিবকে হত্যার ষড়যন্ত্র ছাড়া আর কিছু নয়। কিন্তু পূর্ব বাংলার সচেতন মানুষ প্রচ- আন্দোলনের মাধ্যমে জেনারেল আইউবের ষড়যন্ত্রকে নস্যাৎ করে দেয়, শেষ পর্যন্ত ১৯৬৯ সালে দেশে ঘটে যায় এক গণঅভ্যুত্থান। পতন ঘটে আইয়ুবী শাসনের। শেখ মুজিব বাঙালির কাছে হয়ে ওঠেন ‘বঙ্গবন্ধু’।
১৯৭০ সালে দেশে এক সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এবার কোন যুক্তফ্রন্ট হিসেবে নয়, শেখ মুজিবের আওয়ামী লীগ নির্বাচনে এককভাবে জয়লাভ করে। নির্বাচনের পর পাকিস্তানের তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জেনারেল ইয়াহিয়া খান নতুন এক ষড়যন্ত্রের জাল বিস্তার করে। এই প্রেক্ষাপটে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ পূর্ব বাংলার স্বাধীনতা ঘোষণা করেন।
বঙ্গবন্ধু তথা আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে দেশ স্বাধীন হয়। কিন্তু ষড়যন্ত্র থেমে থাকে নি। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু দেশীয় ও আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের শিকার হন। বঙ্গবন্ধু এবং জাতীয় চার নেতাকে হত্যার মাধ্যমে ষড়যন্ত্রকারীরা রাষ্ট্র ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়। দেশে শুরু হয় সামরিক শাসন। জাতির কাছে ধীরে ধীরে স্পষ্ট হয়ে ওঠে যে, ষড়যন্ত্রের মূল নায়ক জেনারেল জিয়া।
বঙ্গবন্ধু এবং জাতীয় চার নেতাকে হত্যার পর পাকিস্তানী সামরিক শাসনের অনুকরণে পুনরায় আওয়ামী লীগকে নিশ্চিহ্ন করবার প্রক্রিয়া শুরু হয়। জিয়াউর রহমানের সামরিক শাসনের ছত্রছায়ায় একটি রাজনৈতিক দল গঠিত হয় যার বর্তমান নাম বিএনপি। ১৯৭৫ পরবর্তী সময়ে জিয়াউর রহমান তথা সামরিক শাসনের পৃষ্ঠপোষকতায় বিএনপি বেশ মোটা-তাজা হয়ে ওঠে। আওয়ামী লীগকে নির্মূল করবার লক্ষ্যেই মূলত দলটি গঠিত হয়। কিন্তু বাংলাদেশের রাজনীতিতে আওয়ামী লীগের শেকড় এত গভীরে প্রোথিত যে, একে উপড়ে ফেলার কাজটি খুব সহজ ছিল না। তবে চেষ্টা কম হয় নি। জিয়ার পরে তার পদাঙ্ক অনুসরণ করে জেনারেল এরশাদও ‘জাতীয় পার্টি’ নামে একটি রাজনৈতিক দল গঠন করেন। কাছাকাছি সময়ে বঙ্গবন্ধু হত্যাকারী ডালিম-ফারুকদের পৃষ্ঠপোষকতায় গড়ে ওঠে ‘ফ্রিডম পার্টি’। সামরিক ব্যক্তিদের হাতে গঠিত রাজনৈতিক দলগুলোর মূল লক্ষ্য ছিল আওয়ামী লীগকে  বাংলাদেশের রাজনীতি থেকে মুছে ফেলা। বঙ্গবন্ধু এবং জাতীয় চার নেতাকে হত্যার পর আওয়ামী লীগের ওপর দিয়ে প্রচ- ঝড় বয়ে যেতে থাকে। লক্ষ্য করবার বিষয় আওয়ামী লীগে যখনই কোন সঙ্কট দেখা দিয়েছে, গ্রাম বাংলার তৃণমূল পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা নিজেদের জীবন দিয়ে আওয়ামী লীগকে বিপদ থেকে রক্ষা করেছে। পঁচাত্তর পরবর্তী সময়ে আওয়ামী লীগে যখন নেতৃত্বের সঙ্কট দেখা দেয়, তৃণমূল পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের পক্ষ থেকে জোর দাবি ওঠে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনাকে আওয়ামী লীগের সভাপতি পদে অধিষ্ঠিত করা হোক। তৃণমূল নেতা-কর্মীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে দেশে প্রত্যাবর্তন করেন বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা। ১৯৮১ সালে দেশে ফিরে এসে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। তৃণমূল পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের সিদ্ধান্ত যে কতটা সঠিক ছিল, জাতির কাছে আজ তা স্পষ্ট হয়ে গেছে। শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বের ফলেই আওয়ামী লীগ আজ সাফল্যের উচ্চশিখরে আরোহন করেছে। সমগ্র বিশ্ব অবাক বিস্ময়ে তাকিয়ে দেখছে বাংলাদেশের অগ্রগতি। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব বাংলাদেশকে পরাধীনতার গ্লানি থেকে মুক্ত করেছিলেন, আর বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা তাঁর প্রজ্ঞা এবং দূরদর্শিতার দ্বারা দেশকে আজ অর্থনৈতিক সঙ্কট থেকে মুক্তি দিতে চলেছেন। বাংলাদেশ যে অতি শীঘ্র একটি মধ্য আয়ের দেশে রূপান্তরিত হবে, তার সব রকম ক্ষেত্র এখন প্রস্তুত। যুদ্ধাপরাধী এবং জঙ্গী-সন্ত্রাসীদের চক্রান্তকে তিনি কঠোর হাতে দমন করতে সমর্থ হয়েছেন। চীন, জাপান, ভারত, আমেরিকাকে নিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যেভাবে পররাষ্ট্র নীতি সাজিয়েছেন, বিশ্বে এমন দৃষ্টান্ত বিরল।
দেশের মানুষের মধ্যে শেখ হাসিনার জনপ্রিয়তা যে বেড়েছে, মানুষের সাথে কথা বলতে গেলেই তা উপলব্ধি করা যায়। শিক্ষাবিদ হিসেবে আমি বিশ্ববিদ্যালয় পরিম-লের কথা বলতে পারি। এক সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের যে সমস্ত শিক্ষক শেখ হাসিনার তীব্র সমালোচনা করতেন, এখন তাঁরা শেখ হাসিনার বন্দনায় পঞ্চমুখ। শেখ হাসিনার জনপ্রিয়তা বেড়ে যাওয়ার পাশাপাশি আওয়ামী লীগেরও জনপ্রিয়তা বেড়েছে। এটাই স্বাভাবিক, কারণ শেখ হাসিনা এবং আওয়ামী লীগ একে অপরের পরিপূরক। শেখ হাসিনা এবং আওয়ামী লীগের জনপ্রিয়তা বা গ্রহণযোগ্যতা অতিমাত্রায় বেড়ে যাওয়ায় বাংলাদেশের অন্যান্য রাজনৈতিক দল বেশ খানিকটা অস্তিত্বের সঙ্কটে পড়েছে। এ মুহূর্তে দেশে বিরোধী দল নেই বললেই চলে। আওয়ামী লীগ বর্তমানে বাংলাদেশে একটি অতুলনীয় দল হিসেবে সুপ্রতিষ্ঠিত। সামগ্রিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা শেষে বলা যেতেই পারে এ মুহূর্তে আওয়ামী লীগের তুলনা একমাত্র আওয়ামী লীগই।
এই পরিবেশ পরিস্থিতিতে আগামী ২২-২৩ অক্টোবর তারিখে আওয়ামী লীগের ২০তম ত্রিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। বিভিন্ন দল থেকে নেতা-কর্মীদের আওয়ামী লীগে যোগদানের উৎসাহ বেড়ে গেছে। আওয়ামী লীগকে একটি বহমান বিশাল নদীর সাথে তুলনা করা যায়। বিশাল খর¯্রােতা নদীতে কিছু আবর্জনা ঢুকতেই পারে, তবে সেই আবর্জনা যেন নদীর বহমানতাকে নষ্ট করে দিতে না পারে, সেদিকে অবশ্যই সতর্ক দৃষ্টি রাখতে হবে। আওয়ামী লীগের আদর্শকে বরণ করা এবং আওয়ামী লীগের আদর্শকে ধারণ ও  লালন করা কিন্তু এক কথা নয়। আওয়ামী আদর্শকে বরণ করা হয়তো সহজ, কিন্তু আওয়ামী আদর্শকে বুকে ধারণ ও লালন করা বেশ কঠিন কাজ, এর জন্য পর্যাপ্ত সময় ও সাধনার প্রয়োজন। এ মুহূর্তে সুযোগ সন্ধানী নবাগতদেরকে নয়, আওয়ামী লীগের দুঃসময়ের ত্যাগী নিবেদিতপ্রাণ নেতা-কর্মীদেরকেই সর্বাগ্রে মূল্যায়ন করা প্রয়োজন।
জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর পরিবার, জাতীয় চার নেতা জনাব সৈয়দ নজরুল ইসলাম, জনাব তাজউদ্দীন আহমদ, জনাব এ এইচ এম কামারুজ্জামান, জনাব ক্যাপ্টেন মনসুর আলীর উত্তরসূরীদের সঠিক মূল্যায়ন আওয়ামী লীগের খানিকটা নৈতিক দায়িত্ব। বিভিন্ন অঞ্চল নিয়েই গড়ে উঠেছে আমাদের এই প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশ। আশা করা যায় আওয়ামী লীগের নতুন কমিটি গঠনের সময় বাংলাদেশের প্রতিটি অঞ্চল সমান গুরুত্ব পাবে। আওয়ামী লীগের এক সময়ের সাধারণ সম্পাদক জনাব আবদুল জলিলের  মৃত্যুর ফলে উত্তরাঞ্চলে যে রাজনৈতিক শূন্যতা দেখা দিয়েছিল, সে শূন্যতা অনেকাংশে পূরণ করেছেন জাতীয় চার নেতার অন্যতম নেতা শহীদ ক্যাপ্টেন মনসুর আলীর সুযোগ্য পুত্র জনাব মোহাম্মদ নাসিম এম.পি। পাশাপাশি উত্তরাঞ্চলের আর একজন জাতীয় নেতা শহীদ এ এইচ এম কামারুজ্জামানের সুযোগ্য পুত্র রাজশাহী মহানগরের সাবেক সফল মেয়র জনাব এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটনেরও সঠিক মূল্যায়ন হওয়া প্রয়োজন। পিতার নেতৃত্বের মহৎ গুণাবলি যে জনাব খায়রুজ্জামান লিটনের মধ্যে রয়েছে, ২০০৮ সালে রাজশাহীর মেয়র পদে নির্বাচিত হয়ে তার উজ্জ্বল স্বাক্ষর তিনি রেখেছেন। রাজশাহীর মত একটি নি¤œমানের শহরকে তিনি মহা উচ্চতায় পৌঁছে দিতে সমর্থ হয়েছেন। কাজেই সুযোগ পেলে তিনি যে তাঁর পিতার মত বড় মাপের নেতা হতে পারবেন, তাতে কোন সন্দেহ নেই। সবকিছু বিবেচনা করে যদি আওয়ামী লীগের নতুন কমিটিতে জনাব এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটনকে একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান দেয়া হয়, তাতে উত্তরাঞ্চলের আপামর জনসাধারণ যেমন আনন্দ অনুভব করবে, একই সাথে জনাব এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটনের প্রয়াত পিতা জাতীয় চার নেতার অন্যতম নেতা শহীদ এ এইচ এম কামারুজ্জামানের বিদেহী আত্মাও পরম শান্তি  লাভ করবে।
আগামী ২২-২৩ অক্টোবর তারিখে অনুষ্ঠিতব্য আওয়ামী লীগের ২০তম ত্রিবার্ষিক সম্মেলনের সর্বাত্মক সাফল্য কামনা করছি।
লেখক: *উপাচার্য, নর্থ বেঙ্গল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, রাজশাহী; সাবেক উপাচার্য, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
হনরঁ.বফঁ@মসধরষ.পড়স।