আজ আন্তর্জাতিক মহাসাগর দিবস

আপডেট: জুন ৮, ২০২২, ১২:১৬ পূর্বাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক:


ভূ-মণ্ডলে রয়েছে মহাসাগরের বিপুল প্রভাব। সাগর-মহাসাগরকে বলা হয় পৃথিবীর ফুসফুস। আমাদের অক্সিজেনের সবচেয়ে বড় জোগানদাতা হলো এসব সাগর আর মহাসাগর। আজ আন্তর্জাতিক মহাসাগর দিবস।

২০০৯ সাল থেকে প্রতিবছর ৮ জুন দিবসটি পালিত হয়ে আসছে। দিবসটি পালনে প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিলো ১৯৯২ সালে। ওই বছর মহাসাগরীয় জীববৈচিত্র, পরিবেশ ও প্রতিবেশ রক্ষার লক্ষ্যে ব্রাজিলের রিও ডি জেনেরোতে ধরিত্রী সম্মেলনে দিবসটি পালনের প্রস্তাব উত্থাপন করেন কানাডার একটি প্রতিনিধি দল।

পরবর্তীতে ২০০৪ থেকে ২০০৮ পর্যন্ত দ্য ওশান প্রজেক্ট নামের একটি প্রতিষ্ঠান মহাসাগরীয় জীববৈচিত্র সংরক্ষণ এবং আন্তর্জাতিক মহাসাগর দিবস উদযাপনের বিষয়ে প্রচারণা চালিয়ে যায়। এই প্রচারণা আর ধরিত্রী সম্মেলনের প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে ২০০৮ সালে জাতিসংঘ দিবসটি আন্তর্জাতিকভাবে পালনের ঘোষণা দেয়। এবং প্রতিবছরের ৮ জুন বিশ্বব্যাপি দিবসটি পালন শুরু হয়।

পৃথিবীর ৩ ভাগ জল আর ১ ভাগ স্থল। গোটা বিশ্বে সমুদ্র ও উপকূলবর্তী এলাকার উদ্ভিদ ও প্রাণিজগত আজ বিপন্ন প্রায়। পৃথিবীতে মানব জাতির টিকে থাকার অন্যতম চাবিকাঠি হল সাগর। খাদ্য, ওষুধসহ বিভিন্ন উপাদানের সঙ্গে আমাদের বেঁচে থাকার প্রয়োজনীয় অক্সিজেনের একটি বড় অংশ আসে মহাসাগর থেকে। তাছাড়া মহাসাগরগুলো বায়ুমণ্ডলের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ দখল করে আছে। কিন্তু মানুষের নানাবিধ কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি জলবায়ুর বৈরী থাবায় মহাসাগরগুলোর প্রতিবেশ ব্যবস্থা প্রতিনিয়ত বদলে যাচ্ছে। ধ্বংস হচ্ছে এর জীববৈচিত্র্য।

দিবসটি পালনের মূল উদ্দেশ্য হলো, সাগর-মহাসাগর সম্পর্কে মানুষের সচেতনতা বাড়িয়ে তোলা। সমুদ্রের অবদান, আবেদন, প্রয়োজনীয়তা আর উপকারিতাকে স্বতন্ত্রভাবে বিশ্বের সবার সামনে তুলে ধরতেই প্রতিবছর দিবসটি পালন করা হচ্ছে।