আজ বিশ্ব সহিষ্ণুতা দিবস

আপডেট: নভেম্বর ১৬, ২০১৯, ১২:২৯ পূর্বাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক


আজ বিশ্ব সহিষ্ণুতা দিবস। এ দিবসটির মূল উদ্যোক্তা ইউনেস্কো। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ ১৯৯৬ সালের ১২ ডিসেম্বর তারিখে গৃহীত এক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১৬ নভেম্বরকে আন্তর্জাতিক সহিষ্ণুতা দিবস ঘোষণা করে। এই ঘোষণার ভিত্তিতে ১৯৯৫ সালকে জাতিসংঘ ‘সহিষ্ণুতা বর্ষ’ হিসেবে পালন করে। ১৯৯৫ সালের ১৬ নভেম্বর ইউনেস্কোর সদস্য রাষ্ট্রগুলোর এক বৈঠকে সহিষ্ণুতা সংক্রান্ত নীতি এবং সহিষ্ণুতা বর্ষের অনুবর্তী কর্ম পরিকল্পনাও গ্রহণ করে। ব্যক্তি, দল, প্রতিষ্ঠান, সমাজ, রাষ্ট্রকে পারস্পরিক সম্পর্ক সংরক্ষণ ও শান্তি বজায় রাখার জন্য যে বৈশিষ্ট্যকে সবচেয়ে কার্যকরভাবে কাজে লাগাতে পারে তা হলো সহিষ্ণুতা। ক্ষমতা, শক্তি, প্রভাব, নিয়ন্ত্রণ ও অস্ত্র দিয়ে যা সম্ভব নয়- সহিষ্ণুতা দিয়ে তা সম্ভব। আর তাই জাতিসংঘ সহিষ্ণুতার নীতিকে লালন করে তার কর্মপদ্ধতিতে ও লক্ষ্য অর্জনে। ইউনেস্কোও মনে করে সহিষ্ণুতা দিতে পারে আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে শান্তি সহাবস্থান ও নিরাপত্তা। জাতিসংঘ সনদের মুখবন্ধে পরস্পর সুপ্রতিবেশী হিসেবে শান্তিতে বসবাস এবং সহিষ্ণুতার অনুশীলনের কথা বলা হয়েছে। ভবিষ্যৎ বংশধরদের যুদ্ধের অভিশাপ থেকে বাঁচাতে, মৌল মানবাধিকার, ন্যায় বিচার মানুষের মর্যাদা ও সমান অধিকার, বিভিন্ন চুক্তি ও আইনের বাধ্যবাধকতার প্রতি সম্মান, ব্যাপকতর স্বাধিকারের মাধ্যমে সামাজিক অগ্রগতি সাধন ও জীবনমান উন্নয়নের জন্য সহিষ্ণুতার অনুশীলন অপরিহার্য। যুদ্ধে প্রতিরোধ ও শান্তি সংরক্ষণে কাজ করার ক্ষেত্রে সহিষ্ণুতা প্রয়োগ জাতিসংঘের অন্যতম নীতি । জাতিসংঘ তার উদ্দেশ্য সাধনে অর্থাৎ অর্থনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক অথবা মানবিক সমস্যা সমাধানে এবং ধর্ম, বর্ণ, লিঙ্গ ভাষা নির্বিশেষে মানবাধিকার, ব্যাপকতর স্বাধিকার এর মাধ্যমে অধিকার উন্নয়নে আন্তর্জাতিক সহযোগিতাকে উৎসাহ প্রদান ও অর্জনে প্রয়োগ করছে এই সহিষ্ণুতা।