আজ বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস

আপডেট: এপ্রিল ৭, ২০১৭, ১২:৪৭ পূর্বাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক


স্বাস্থ্য মানুষের মৌলিক অধিকার। এটি সার্বজনিন মানবাধিকারেরও অংশ। তার স্বীকৃতি দিতেই ১৯৪৮ সালে প্রথম বিশ্ব স্বাস্থ্য সম্মেলনে ৭ এপ্রিল স্বাস্থ্য দিবস উদযাপনের প্রস্তাব গৃহীত হয়। আর স্বাস্থ্য বিষয়ে জনসচেতনতা তৈরি ও নীতি-নির্ধারকদের প্রভাবিত করার লক্ষে ১৯৫০ সাল থেকে এ দিবসটি পালন করা হচ্ছে। সারা পৃথিবীতে গড় আয়ু বৃদ্ধির সাথে সাথে বাড়ছে বৃদ্ধ মানুষের সংখ্যা, তার সাথে যোগ হচ্ছে তাদের স্বাস্থ্য বিষয়ে দুঃশ্চিন্তা।
স্বাস্থ্য শুধু মানুষের অন্যতম মৌলিক মানবাধিকারই নয় বরং তা এখন মানব উন্নয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচকও। যার স্বীকৃতি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার ঘোষণায় দেয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যকে উন্নয়নের কেন্দ্রে স্থান দেয়া হয়েছে। ১৯৬৬ সালে গৃহীত অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অধিকার বিষয়ক চুক্তিসহ আরো বিভিন্ন আন্তর্জাতিক চুক্তি ও ঘোষণায় একে প্রাধান্য দেয়া হয়েছে। যেমন-১৯৭৮ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ঘোষিত আলমাআতা ঘোষণা।
মানব উন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ সূচক হিসেবে স্বাস্থ্যকে গুরুত্ব দিতে বাংলাদেশ সরকারও আন্তর্জাতিকভাবে অঙ্গীকারাবদ্ধ। সব জনগণের স্বাস্থ্য অধিকার নিশ্চিত করতে ও স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রে বৈষম্য দূর করতে সরকার সাংবিধানিবভাবেও দায়বদ্ধ। বাংলাদেশ সংবিধানের ১৫ এবং ১৮(১) নং অনুচ্ছেদে স্বাস্থ্য অধিকার বিষয়ে রাষ্ট্রের দায়বদ্ধতার কথা বলা হয়েছে। এ প্রেক্ষিতে সকলের জন্য স্বাস্থ্য অধিকার নিশ্চিতকরণে ১৯৮৫ সালে বাংলাদেশ সরকার ২০০০ সালের মধ্যে সকলের জন্য স্বাস্থ্য নিশ্চিত করার অঙ্গীকার করে। কিন্তু সেই অঙ্গীকার পূরণের লড়াই আজো চলছে।