আদমদীঘিতে গাছে গাছে শোভা পাচ্ছে কুল

আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৭, ২০২১, ৯:০৬ অপরাহ্ণ

রাকিবুল হাসান আদমদীঘি(বগুড়া) প্রতিনিধি:


আদমদীঘি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় গাছে গাছে শোভা পাচ্ছে বড়ই। স্থনীয় বাজারেগুলোতে বাণিজ্যিক ভাবে বিক্রয় করা হচ্ছে নানা জাতের বরই।
আদমদীঘিতে বরই মিষ্টি রসালো ও স্বাদে অতুলনীয় হওয়ায় এর কদরও রয়েছে বেশ ভাল। উপজেলার বিভিন্ন অঞ্চলে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, গ্রামগুলোর মধ্যে খালি জায়গা, পুকুর পাড়, রাস্তার ধারে ও বাড়ির আঙ্গিনায় রয়েছে অসংখ্য বরই গাছ। প্রতিটি গাছে শোভা পাচ্ছে পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ নানা জাতের নানা স্বাদের বরই। আদমদীঘি উপজেলাকে যেন এক প্রকার প্রকৃতি দিয়ে যেন সাজানো হয়েছে। বরই কিংবা কুল-দুই নামেই সমান পরিচিত ফলটি। বাংলাদেশের প্রায় সব অঞ্চলে সব মাটিতেই জন্মে গাছটি। যতœআত্তির বালাই ছাড়াই দিব্যি বেঁচে থাকে বছরের পর বছর। একসময় এই গাছটি অবহেলাতেই বেড়ে উঠত। এখন কিন্তু বরইয়ের সেই দিন নেই। বড় যতœ করে চাষ করা হয়। ফলটি যেমন অর্থকরি, তেমনি পুষ্টিগুণসমৃদ্ধ।
বরইয়ে ভিটামিন-এ, ভিটামিন-সি, ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়ামসহ আছে নানা কিছু। রোগ প্রতিরোধে যেমন ভূমিকা রাখে। অন্যদিকে শরীরের রোগ প্রতিরোধক্ষমতাও বাড়িয়ে দেয়। বরই সবার জন্য ভালো হলেও ডায়াবেটিসের রোগীদের জন্য কিন্তু না। পাকা বরইয়ে চিনি থাকে, তাই ডায়াবেটিসের রোগীদের পাকা বরই না খাওয়াই ভালো। আর যাঁদের শ্বাসকষ্ট আছে, কাঁচা বরই বেশি খেয়ে ফেললে তাঁদের শ্বাসকষ্ট কিন্তু বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা আছে।
আদমদীঘি কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মিঠু চন্দ্র অধিকারী জানান, আদমদীঘি উপজেলাতে বাণিজ্যিক ভাবে বরই চাষ শুরু হয় নাই, সাধারণ খালি জায়গা, পুকুর পাড়, রাস্তার ধারে ও বাড়ির আঙ্গিনায় রয়েছে অসংখ্য বড়ই গাছ এছাড়া দুই একজন কৃষক বড়ই চাষ করেন। তিনি আরোও বলেন বড়ই চাষ নিয়ে আপাতত কোনো পরিকল্পনা নেই আদমদীঘি উপজেলাতে।