আদমদীঘিতে মাদ্রাসার ছাত্রকে যৌন হেনস্তার দায়ে শিক্ষক গ্রেফতার

আপডেট: জুন ১৪, ২০২২, ২:১৩ পূর্বাহ্ণ

আদমদীঘি প্রতিনিধি:


বগুড়ার আদমদীঘির আড়াইল ফয়জুল উলুম কওমী মাদরাসার মক্তব শ্রেণির ছাত্র (১২) কে যৌন হেনস্তার ( বলাৎকার) করার অভিযোগে মাদরাসার শিক্ষক মাহফুজ (৩৫) কে গ্রেফতার করে র‌্যাব ১২ ও আদমদীঘি থানা পুলিশের যৌথ বাহিনী।শিক্ষক মাহফুজ আদমদীঘির চাঁপাপুর বাজারের মোহাম্মদ আলী কাজীর ছেলে।

পুলিশ জানায়, বগুড়ার উত্তর চেলোপাড়ার রফিকুল ইসলামের ছেলে আদমদীঘির সিদ্দিক হোসেন এতিমখানায় আবাসিক বোডিংএ থেকে আড়াইল ফয়জুল উলুম কওমী মাদরাসায় মক্তব শ্রেণিতে লেখাপড়া করছিলেন।

গত ১ জুন রাত সাড়ে ১০ টায় খাওয়া দাওয়া শেষে মক্তব্য খানায় মাদরাসা ছাত্র ঘুমানোর জন্য শুয়ে পড়ে। ঐ সময় মাদ্ররাসার শিক্ষক মাহফুজ ঐ ছাত্রকে পাশের্^ হফজখানা রুমে ডেকে নিয়ে যায় এবং সেখানে বিছানা বিছিয়ে ঘুমাতে বলে। শিক্ষক মাহফুজের কথামতে হেফজখানা রুমে শুয়ে ঘুমিয়ে পড়ে ছাত্র।

ঐ রাত ১১টার সময় ঘুমন্ত মাদ্ররাসা ছাত্রকে শিক্ষক মাহফুজ তার রুমের চৌকির উপর নিয়ে জোড়পূর্বক যৌন হেনস্তা করে। গত ৪ জুন যৌন হেনস্তার শিকার হওয়া ছাত্রকে দেখার জন্য তার মা মাদ্ররাসায় আসলে ঐ ছাত্র বিষয়টি তার মাকে খুলে বলে। এ ঘটনাটি ছাত্রের মা মাদ্ররাসার সভাপতিকে জানালে কোন ব্যবস্থা না করে শিক্ষককে মাদ্ররাসা থেকে তাড়িয়ে দিয়ে ঘটনাটি ধামাচাঁপা দেয়ার চেষ্ঠা করে সভাপতি মকলেছার রহমান।

এ ঘটনায় মাদ্রসার ছাত্রের বাবা বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়ের এরপর র‌্যাব-১২ সহযোগীতায় আদমদীঘি থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে রোববার (১২ জুন) রাতে চাঁপাপুর এলাকা থেকে শিক্ষক মাহফুজকে গ্রেফতার করে।
আদমদীঘি থানার ওসি জালাল উদ্দীন বলেন, ছাত্রকে যৌন হেনস্তার ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের হয়েছে। এবং আসামি মাদ্রাসার শিক্ষক মাহফুজকে গ্রেফতার করে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।