আবারও বাড়লো ডিমের দাম

আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২২, ১১:৩০ অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক :


রাজশাহী নগরীর খুচরা বাজারে আবারও ডিমের দাম বাড়লো। সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতিহালিতে ডিমের দাম বেড়েছে ৬-৮ টাকা।
শুক্রবার (১৬ সেপ্টেম্বর) নগরীর সাহেব বাজার, মাস্টারপাড়া, কোর্ট বাজার, শালবাগান, তেরখাদিয়া ও উপশহর বাজার ঘুরে দেখা যায়, বাজারে সাদা ডিম প্রতিহালি ৩৬ টাকা থেকে বেড়ে ৪২ টাকা ও লাল ডিম ৩৮ টাকা থেকে বেড়ে ৪৪ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
দোকানিরা বলছেন, হঠাৎ করে ডিমের সরবরাহ কমে গেছে। যার কারণে দাম বেশি। সরবরাহ বৃদ্ধি পেলে দাম কমে যাবে।

সবজি বাজারেও বেশকিছু সবজির দাম বেড়েছে। প্রতিকেজি বেগুন বিক্রি হয়েছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা, আলু ২৫ টাকা থেকে ৩০ টাকা, করলা প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকা, কাঁচামরিচ কেজিতে ২০ থেকে ৩০ টাকা বেড়ে প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৭০ টাকায়, পেঁপে ২০ থেকে ২৫ টাকা, কচুরলতি প্রতিকেজি ৬০ টাকা, বরবটি ৪০ টাকা, পটল প্রতিকেজি ২৫ থেকে ৩০ টাকা, কচু প্রতিকেজি ৪০ টাকা, বাঁধাকপি প্রতিকেজি ৬০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে, ফুলকপি ৬০ থেকে ৮০ টাকা, সিম কেজিপ্রতি বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকা দরে, মিষ্টি কুমড়া ৩০ টাকা, লাউ আকার ভেদে প্রতি পিস বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৪৫ টাকা দরে, চালকুমড়া প্রতিপিস ৩৫ থেকে ৪০ টাকা।

কাঁচাকলা প্রতিহালি ২০ টাকা, এছাড়া ঝিঙ্গা প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা দরে, পুঁইশাক শাক প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ২৫ টাকা, লালশাক ও সবুজ শাক প্রতিআঁটি ২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে, কলমি শাক প্রতিআঁটি ১৫ টাকা, ধনিয়া পাতা প্রতি আঁটি ১০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। লেবু প্রতিহালি ৬ থেকে ৮ টাকা, দেশি শসা প্রতিকেজি ৮০ টাকা ও হাইব্রিড শসা ৫০ থেকে ৬০ টাকা, গাজর প্রতিকেজি ১৪০ থেকে ১৬০ টাকা, টমেটো প্রতিকেজি ১০০ থেকে ১২০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে।

এছাড়া পেঁয়াজ প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ৪৫ টাকা, দেশি রসুন প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা ও ইন্ডিয়ান রসুন ১০০ টাকা কেজি দরে। আদা প্রতিকেজি বিক্রি হয়েছে ৮০ থেকে ১২০ টাকা দরে।

বাজারে মাছের মধ্যে জাটকা ইলিশ ৮০০ টাকা ও বড় ইলিশ বিক্রি হয়েছে ১ হাজার ৪০০ টাকা থেকে ২ হাজার টাকা পর্যন্ত। এছাড়া কাতল মাছ বিক্রি হচ্ছে ২৮০ থেকে ৩০০ টাকা, বড় রুই মাছ প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ৩৬০ থেকে ৪০০ টাকা দরে। এছাড়া কার্প জাতীয় মাছ ১৮০ থেকে ২০০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। পাঙ্গাস মাছ ১৬০ থেকে ১৮০ টাকা , নদীর পাবদা মাছ বিক্রি হয়েছে ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা দরে। ট্যাংরা মাছ প্রতিকেজি বিক্রি হয়েছে ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা দরে।

মাছ ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন বলেন, এখন মাছের ভরা মৌসুম। পুকুরের পাশাপাশি বিল ও নদীর মাছ সহজে পাওয়া যাচ্ছে। নদীর মাছের দাম বেশি হলেও বেচাকেনা ভালো। এছাড়া তিনি আরো বলেন, দেশী মাছের পাশাপাশি এখন ইলিশের মৌসুম হলেও। আমাদের এখানে ইলিশ আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে।

মাংসের মধ্যে গরুর মাংস প্রতিকেজি বিক্রি হয়েছে ৬৫০ টাকা দরে, খাসির মাংস ৮৫০ থেকে ৯০০ টাকা, ব্রয়লার প্রতিকেজি বিক্রি হয়েছে ১৭০ টাকা, সোনালি ২৭০ টাকা, লেয়ার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ২৫০ টাকা, দেশি মুরগি ৪০০, হাঁস প্রতিকেজি ৩১০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। চাল-ডাল-তেল-আটাও গত সপ্তাহের দামেই বিক্রি হয়েছে।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ