‘আমার বাবার ক্লাব মোহামেডান, চাচার ক্লাব আবাহনী’

আপডেট: এপ্রিল ১১, ২০১৭, ১২:২২ পূর্বাহ্ণ

সোনার দেশ ডেস্ক



ঘরোয়া ক্রীড়াঙ্গনে আবাহনী ও মোহামেডান চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী। তবে তামিম ইকবালের কাছে দুই ক্লাবই আপন। নিজে খেলেছেন দুই ক্লাবেই। পারিবারিক ঐতিহ্যের কারণেও খুব একটা আলাদা চোখে দেখতে পারেন না কোনো ক্লাবকেই।
ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগে আবাহনী লিমিটেড ছেড়ে এবার মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব লিমিটেডে নাম লিখিয়েছেন তামিম। সোমবার দুপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে সেরেছেন দল বদলের আনুষ্ঠানিকতা।
গত মৌসুমে শিরোপা জয়ে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন আবাহনীকে। এবারও আবাহনীতে খেলবেন বলেই শোনা গিয়েছিল। শেষ পর্যন্ত ছেড়েছেন ক্লাব। তামিমের কথা শুনে অবশ্য মনে হলো, ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন। তবে সে নিয়ে ক্ষোভও নেই এই ওপেনারের।
“এবারও থাকার কথা ছিল। কেন রাখেনি, সেটা উনারা বলতে পারবেন। তবে আমি সবসময়ই বলি দুই ক্লাবই আমার কাছের। আমার বাবার ক্লাব মোহামেডান, চাচার ক্লাব আবাহনী। এবার আবাহনীতে নেই মানে যে ভবিষ্যতে খেলব না, তা নয়। মোহামেডানেও তেমনি আগেও খেলেছি। পরে ছেড়েছি, আবার এলাম।”
তামিমের বাবা প্রয়াত ইকবাল খান ক্রিকেট ও ফুটবল দুটিই খেলেছেন ঢাকা ও চট্টগ্রামের শীর্ষ ক্লাব পর্যায়ে। ফুটবলে দীর্ঘদিন খেলেছেন চট্টগাম মোহামেডানে। ছিলেন সংগঠকও।
তামিমের চাচা আকরাম খান ঘরোয়া ক্রিকেট ক্যারিয়ারের বেশিরভাগ জুড়ে খেলেছেন আবাহনীতে। জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক একসময় হয়ে উঠেছিলেন প্রায় আবাহনীর ক্লাবের প্রতীক।
মোহামেডান ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে সবশেষ শিরোপা জিতেছিল ২০০৯ সালে। সেবার মোহামেডানেই খেলেছিলেন তামিম। আশা করছেন, ঐতিহ্যবাহী ক্লাবটির শিরোপা খরা কাটবে এবার।
“বেশ ভালো দল হয়েছে। ভালো পারফর্ম করতে পারলে ভালো কিছু হবে। চ্যাম্পিয়ন হওয়াটা অনেক সময় ভাগ্যের ওপর নির্ভর করে। আশা করি, ছেলেরা এবার পারবে।”
সোমবার তামিমের সঙ্গেই মোহামেডানে নাম লিখিয়েছেন মেহেদী হাসান মিরাজ ও তাইজুল ইসলাম। আগামী মাসের আয়ারল্যান্ড সফরের দলে থাকা ক্রিকেটাররা অবশ্য চারটির বেশি ম্যাচ খেলতে পারবেন না।
তামিম খেলতে পারবেন আরও একটি ম্যাচ কম। গত লিগে আম্পায়ারের সঙ্গে অসদাচরণের দায়ে নিষিদ্ধ হয়েছিলেন এক ম্যাচ। যেটি কার্যকর হবে এবার প্রথম ম্যাচে।-বিডিনিউজ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ