আমেরিকার ইতিহাসে প্রথম, বায়ুসেনার প্রধান হলেন এক কৃষ্ণাঙ্গ

আপডেট: June 10, 2020, 9:55 pm

সোনার দেশ ডেস্ক:


ফ্লয়েডের মৃত্যুতে উত্তপ্ত আমেরিকা। শ্বেতাঙ্গের হাতে কৃষ্ণাঙ্গের মৃত্যু বর্ণবৈষম্য বিরোধী আন্দোলনকে দাবানলের রূপ দিয়েছে দেশে। প্রতিদিন শয়ে শয়ে মানুষ এই ঘটনার প্রতিবাদে পথে নেমেছেন। এই উত্তপ্ত আবহেই মার্কিন সেনেট মঙ্গলবার বায়ুসেনার প্রধান হিসেবে বেছে নিলেন এক কৃষ্ণাঙ্গকে। সেনেটে উপস্থিত ৯৬ সাংসদই জেনারেল চার্লস ব্রাউন জুনিয়রের সপক্ষে ভোট দিয়েছেন।
একটি বা দুটি নয়, ফ্লয়েডের মৃত্যুতে অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি হয় আমেরিকায়। শক্ত হাতে হাল ধরতে গেলেই তা ফস্কা গেরোয় পরিণত হয়। ফলে জনমানুষে ক্রমেই ক্ষোভ বাড়তে থাকে। এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের উপায় অজানা হয়ে ওঠে আমেরিকার বহু রাজনীতিবিদের কাছে। ফলে চাপের মুখে পড়ে মিনিয়াপোলিস (গরহহবধঢ়ড়ষরং) পুলিশ বিভাগ বন্ধ করে দেওয়া হয়। কিন্ত তা সত্ত্বেও প্রতিবাদীদের বিক্ষোভের আঁচ প্রশমন করা সম্ভব হয়নি। তবে এই উত্তেজনার আবহে আমেরিকায় প্রথমবার বায়ুসেনার পদে নিযুক্ত হলেন এক কৃষ্ণাঙ্গ। ৯৬ সাংসদের ভোটে জেনারেল চার্লস ব্রাউন জুনিয়র (এবহবৎধষ ঈযধৎষবং ইৎড়হি) এই পদে নিযুক্ত হন। পরে নিজেই টুইটারে এই ঘটনাটি শেয়ার করেন জেনারেল ব্রাউন। পুরো বিষয়টি বিবৃতি দিয়ে প্রকাশের সময় আবেগঘণ হয়ে পড়েন তিনি। তাঁর কথায়, “আমি ভেবেছিলাম আমার ভাগ্যও জর্জ ফ্লয়েডের মতোই। তবে আমার অনুমোদন আমাকে আশার আলো দেখিয়েছে। এটা একটা গুরুদ্বায়িত্বও বটে। আমি আমার দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে এই বর্ণবৈষম্যের বিরুদ্ধে লড়ে যাব।”
দিন কয়েক আগে এক মার্কিন নাগরিক জর্জ ফ্লয়েডের উপর নৃশংস অত্যাচার চালায় পুলিশ। ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। গোটা ঘটনায় উত্তাল হয়ে ওঠে আমেরিকা। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হাজারও হুমকি ও হুঁশিয়ারিকে অগ্রাহ্য করে রাস্তায় নামেন বিক্ষোভকারীরা। কীভাবে এই বিক্ষোভকে থামানো যায় তাই নিয়ে চিন্তায় ছিলেন রাজনীতিবিদরাও। তবে জেনারেল ব্রাউনের বায়ুসেনা প্রধান হওয়ার খবর সেই বিক্ষোভকে কিছুটা হলেও শান্ত করবে বলে আশাবাদী অনেকেই।
তথ্যসূত্র: সংবাদ প্রতিদিন

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ