আরএমপির সাইবার ইউনিটের সফলতার গৌরব যুগপযোপযোগী সেবায় জনআস্থা পূরণে তৎপর থাকতে হবে

আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২২, ১২:২৮ পূর্বাহ্ণ

ক্রমশই পরিবর্তনের বিশ্বায়নের যুগে তালমিলিয়ে এগিয়ে চলেছে বাংলাদেশ। সহজলভ্য হয়েছে বিশ্ব যোগাযোগ ব্যবস্থা। হাতে হাতে ডিজিটাল ডিভাইস। প্রযুক্তির এই উৎকর্ষতা সাধানের সঙ্গে সঙ্গে মাধ্যমটি ব্যবহার করে অপরাধ প্রবণতাও উর্ধ্বমূখী। যুগের চাহিদা বিবেচনায় অপরাধ দমনে তাই রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ (আরএমপি)তে যুক্ত হয়েছে ‘সাইবার ক্রাইম ইউনিট’। অপরাধ দমনে যে ইউনিটটি এরইমধ্যে সফলতা দেখিয়েছে। তবে ২০৪১ সালের এসডিজি লক্ষ্যমাত্রা ও টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে নিজেদের আরও সমৃদ্ধ করে অপরাধ দমনে শতভাগ জনআস্থা পূরণের প্রত্যয়ে কাজ করে যেতে হবে।
রোববার (১৮ সেপ্টেম্বর) সোনার দেশ পত্রিকায় ‘৯৪ শতাংশ সফলতায় আরও নিরাপদ নগরী’-শিরোনামের প্রধান প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ (আরএমপি) তে সংযুক্ত হয়েছে ‘সাইবার ক্রাইম ইউনিট’ এর দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উদযাপন করে জানানো হয়েছে তারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুক ব্যবহার করে ঘটে যাওয়া ৮৬১ টি অপরাধের মধ্যে ৮৪০ টিই নিষ্পত্তি করেছে। ইমো/হোয়াটসঅ্যাপ/ই-মেইল সংক্রান্ত প্রায় ৫৮ টির অধিক অভিযোগ নিষ্পত্তি করেছে। টিকটক/লাইকি সংক্রান্ত মোট ১৫ টি অভিযোগের সম্পূর্ণই নিষ্পত্তি করেছে।
১৩৯ জন ভিকটিম উদ্ধারসহ আসামি শনাক্তকরণ ও গ্রেফতার, ২৬০৭ টি মোবাইল/ল্যাপটপ উদ্ধার, কিশোর অপরাধ দমনে ডিজিটাল ডাটাবেইজে সংরক্ষিত ৫১৫ কিশোরদের নিয়মিত মনিটরিং, হ্যালো আরএমপি অ্যাপসের মাধ্যমে প্রাপ্ত ২৯৫ টির মতো অভিযোগ নিষ্পত্তি, নগরীর ৫০০ টি জনগুরুত্বপূর্ণ জায়গায় সিসিটিভি ক্যামেরায় পর্যবেক্ষণ, ৪৭৫ টির অধিক চুরির ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন ও চোর শনাক্তকরণ, ৮২ টির অধিক ছিনতাই ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন ও অপরাধী শনাক্তকরণ, ৬৮ টির অধিক ইভটিজিং’র অপরাধী শনাক্তকরণ, ৯৩ টির অধিক হারানো ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন, ৩১ টির মতো অজ্ঞান পার্টি ঘটনার আসামি শনাক্তকরণ, ৫৩ টির অধিক মারামারি ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন, ৭৫ টি সড়ক দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ শনাক্তসহ দ্রুত সংবাদ প্রেরণ, ২৩ টির অধিক ক্লু-লেস মার্ডার মামলার রহস্য উদঘাটনসহ প্রায় ৪১৬৯ টি অভিযোগের নিষ্পত্তি এই ইউনিটের সফলতা। এটা অবশ্যই প্রশংসার দাবি রাখে।
পুলিশ বলছে, অভিযোগের প্রেক্ষিতে এই ইউনিটের মাধ্যমে তাদের সফলতার হার ৯৪ শতাংশ। তবে আরএমপি এলাকায় সার্বিক অপরাধের তুলনায় সফলতা হার কেমন এটিও বিবেচ্য বিষয়। আর সাইবার প্রযুক্তির মাধ্যমে অপরাধ সংঘটিত হওয়ার আগেই কিভাবে তা রুখে দেয়া যায় এ বিষয়েও গবেষণা ও করণীয় নির্ধারণে সংশ্লিষ্টদের মনোনিবেশ করতে হবে। সর্বোপরি শতভাগ জনআস্থা পূরণের প্রত্যয়ে কাজ করতে হবে।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ