আরডিএর মহাপরিকল্পনা না মানলে জেল-জরিমানা

আপডেট: এপ্রিল ১৮, ২০১৭, ১২:৩৭ পূর্বাহ্ণ

সোনার দেশ ডেস্ক


রাজশাহী সিটি করপোরেশনের আওতাধীন এলাকায় উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের মহাপরিকল্পনা অনুযায়ী ভূমি ব্যবহারের বাধ্যবাধকতা রেখে নতুন আইন করতে যাচ্ছে সরকার।
সচিবালয়ে সোমবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভায় নিয়মিত বৈঠকে ‘রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন ২০১৭’ এর খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হয়েছে।
সভা শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম সাংবাদিকদের বলেন, রাজশাহী টাউন ডেভেলপমেন্ট অথরিটি অর্ডন্যান্স-১৯৭৬ অনুযায়ী আরডিএ চলছিল। সামরিক শাসনামলে জারিকৃত আইন-অধ্যাদেশকে সুপ্রিম কোর্ট অবৈধ ঘোষণা করায় নতুন করে এই আইন করা হচ্ছে।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, নতুন আইনে আরডিএ কর্তৃপক্ষকে ভূমির যৌক্তিক ব্যবহার নিশ্চিত করা এবং শহরের জন্য মহাপরিকল্পনা নিয়ে পরিকল্পিত নগরী গড়ে তোলার দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।
“কর্তৃপক্ষ আগের মতোই আছে। মহাপরিকল্পনা পরিপন্থী ভূমি ব্যবহার করলে তা অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। এজন্য এক বছরের কারাদণ্ড বা ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয় হবেন।”
মহাপরিকল্পনা কী হবে, কীভাবে প্রণয়ন করা হবে সে বিষয়ে আইনের খসড়ায় বিস্তারিত বলা হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, “শহরটা মাস্টার প্ল্যান অনুযায়ী চলবে। রাজশাহী সিটি করপোরেশন আওতাধীন এলাকা এই কর্তৃপক্ষের অধীন বলে গণ্য হবে।
“জলাধার আইনের বিষয়টি ওই সময়ে ছিল না, এটা প্রাসঙ্গিকতা বিবেচনায় এখানে (নতুন আইনে) আনা হয়েছে।
জলাধার অর্থ- নদী, খাল, বিল, দিঘি, ঝর্ণা বা জলাশয় হিসেবে মহাপরিকল্পনায় চিহ্নিত বা সরকার, সরকারি সংস্থা বা স্থানীয় কর্তৃপক্ষ কর্তৃক সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দিয়ে বন্যা প্রবাহ এলাকা হিসেবে ঘোষিত কোনো জায়গা।”
জলাধার খনন বা ভরাট করলে এবং পাহাড় বা টিলা কাটলে মালিককে (এই কর্তৃপক্ষ) বন্ধ করার জন্য নির্দেশ দিতে পারবে জানিয়ে শফিউল বলেন, আদেশ অমান্য করলে এক বছরের জেল, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা যাবে।
“নিচু জমি ভরাট করে পানি প্রবাহ বাধাগ্রস্ত করলেও একই সাজা হবে।”বিডিনিউজ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ