আর্টিফিশিয়াল ইনটেলিজেন্স দিয়ে এক বারে মিলল ৫০টি নতুন গ্রহের সন্ধান

আপডেট: August 31, 2020, 7:31 pm

সোনার দেশ ডেস্ক:


আশ্চর্য এই সৌরজগত! জানার কোনও শেষ নেই যেখানে। অসীম এই মহাকাশ নিয়ে গবেষণায় এবার বিজ্ঞানীরা আবিষ্কার করলেন ৫০টি নতুন গ্রহ। নাসার দেওয়া পুরোনো তথ্য ও বিজ্ঞানীরা নিজেদের বুদ্ধিমত্তার (এআই) সাহায্যে এই ৫০ টি সম্ভাব্য গ্রহ শনাক্ত করেছেন।
তাঁরা প্রথমবার এই কৌশলটি ব্যবহার করেছে এবং এই গ্রহগুলির বিশ্লেষন করে কোনটি আসল এবং কোনটি নকল তা নির্ধারণে সফল হয়েছেন। জানা গিয়েছে, নতুন এই গ্রহগুলি নেপচুনের মতো বৃহত্তর এবং পৃথিবীর চেয়ে ছোটো। আর এই সৌরজগতের কক্ষপথগুলি যা ২০০ দিন থেকে এক দিনের হিসাবে সামান্য পর্যন্ত বিস্তৃত হয়।
শুধু তাই নয়, এই বিষয়ে ওয়ারউইক বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা ওই ৫০ টি গ্রহের মধ্যে কোন কোন গ্রহগুলির বৈধ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে তা জানতে গণনাও করেছিলেন। এই বিষয়ে আরও জানতে একটি মেশিন লার্নিং-ভিত্তিক অ্যালগরিদমকের সাহায্যে নাসার কেপলার মিশন থেকে গ্রহের নমুনা এবং মিথ্যা ধনাত্মক ব্যবহার করে বৈধ গ্রহগুলি শনাক্ত করতে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।
এরপরে, গবেষকরা কেপলার থেকে প্রচলিত অবৈধ গ্রহদের একটি ডেটাসেট তৈরীতে অ্যালগরিদম ব্যবহার করেছিলেন। ওয়ারউইক বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞানের অধ্যাপক ডঃ ডেভিড আর্মস্ট্রং গ্রহের বৈধতার শর্ত নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে বলেছিলেন যে, “এর আগে কেউ মেশিন লার্নিং-এর কৌশল ব্যবহার করেনি।” তিনি আরও বলেন যে, মেশিন লার্নিং গ্রহ গুলির বৈধতার র‌্যাংকিংয নির্ণয়ের জন্য ব্যবহৃত হয়েছে। এছাড়াও আজ অবধি আমাদের জানা গ্রহগুলির প্রায় ৩০ শতাংশ কেবলমাত্র একটি পদ্ধতি ব্যবহার করে বৈধ হয়েছে। আর গ্রহদের বৈধতা এবং অবৈধতা নির্ণয়ের জন্য নতুন এই পদ্ধতিগুলি খুবই কার্যকর। তবে মেশিন লার্নিং এটি খুব সহজেই নির্ণয় করতে পারে এবং বৈধ গ্রহদের আরও দ্রুত অগ্রাধিকার দিতে সহায়তা করে।
তথ্যসূত্র: kolkata24x7

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ