আলু বীজের সংকট নিরসনে শুনানিতে বক্তারা শক্তিশালী সংগঠন ছাড়া কৃষকের সংকট নিরসন সম্ভব নয়

আপডেট: ডিসেম্বর ২০, ২০২০, ৯:৩৯ অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক:


এবার বন্যার কারণে আলুর চাহিদা বেড়ে যায়। যার কারণে অনেক বীজ আলুও বাজারে চলে আসে খাবার আলু হিসেবে। এ কারণে আবাদের সময় দেখা দেয় বীজের সংকট। এই সুযোগ নেয় বিভিন্ন বীজ সরবরাহকারি কোম্পানি। খুচরা বাজারে এক কেজি বীজ আলু বিক্রি হয়েছে ১১০ টাকা কেজি দরে। যার প্রকৃত দাম ৫০ থেকে ৬০ টাকা। খাবার আলুও বীজ আলু হিসেবে বাজারে আসে। যার কারণে অনেক চাষির খেতে চারা গজায়নি। এ বছর বিঘা প্রতি আবাদে খরচ হচ্ছে ৪৫ থেকে ৫০ হাজার টাকা। কৃষকের এই সংকটের কথা বলার মতো কোনো সংগঠন নেই। শক্তিশালী সংগঠন ছাড়া এধরনের সংকট নিরসন সম্ভব নয়। রোববার (২০ ডিসেম্বর) রাজশাহীর পবা বড়গাছী ইউনয়ন পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত আলু বীজের সংকট নিরসনে শুনানিতে আলুচাষীরা এসব কথা বলেন। ইউনিয়ন পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠানে সভাপতি ছিলেন ইউনিয়ন চেয়ারম্যান সোহেল রানা। বক্তব্য দেন জেলা পরিষদ সদস্য এমদাদ আলী, পবা প্রেসক্লাব সভাপতি কাজী নাজমুল হক, কৃষি কর্মকর্তা আজিম উদ্দিন, কোল্ড স্টোরেজ মালিক সমিতির প্রতিনিধি ইসমাঈল হোসেন, পরিবর্তন পরিচালক রাশেদ রিপন, আলু বীজ ব্যবসায়ী আমিনুল ইসলাম, নারী চাষী রহিমা খাতুন, কৃষক আব্দুল হক এবং আব্দুর রশিদ। বক্তারা আরো জানান, যদি কৃষক সময়মত বীজ, সার পায় তবে ক্ষেতে সোনা ফলাতে পারে। যে ফসলের দাম ভালো পাওয়া যায় সে বছর সে ফসলের আবাদ সব চেয়ে বেশি হয়। এবছর রাজশাহীতে আলু আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৩৫ হাজার হেক্টর জমিতে। রোববার পর্যন্ত আবাদ হয়েছে ৩৬ হাজার ৭৯ হেক্টর জমিতে। এ কারণে উন্নত বিশ্বের মতো দেশেও চাহিদা অনুযায়ি ক্রপজোনিং পদ্ধতিতে চাষাবাদ করা প্রয়োজন।