আল-জামিআহ আস-সালাফিয়্যাহ মাদরাসাহ সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার দাবি আব্দুর রাজ্জাকের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ

আপডেট: September 23, 2020, 9:52 pm

নিজস্ব প্রতিবেদক:


রাজশাহীর আল-জামিআহ আস-সালাফিয়্যাহ মাদরাসার অধ্যক্ষ, পিস টিভির আলোচক আব্দুর রাজ্জাক বিন ইউসুফের বিরুদ্ধে নানরকম অনিয়ম ও কারণে-অকারণে শিক্ষক-কর্মচারীদের বহিষ্কার করার অভিযোগ উঠেছে। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় রাজশাহী প্রেসক্লাবে এসব অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী শিক্ষক, কর্মচারী ও দাতা সদস্যরা।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মাদরাসার সদ্য বহিষ্কৃত মুহাদ্দিস মাওলানা ইবরাহীম। লিখিত বক্তব্যে অভিযোগ করা হয়, গত ২২ জুলাই জেলার পবা উপজেলাধীন জামিয়াহ মাদরাসায় কর্মরত অন্তত ১২ জন শিক্ষক-কর্মচারীকে স্বেচ্ছাচারিতা করে অবৈধভাবে মুঠোফোনে কল দিয়ে বহিষ্কার করেছেন অধ্যক্ষ আব্দুর রাজ্জাক বিন ইউসুফ। যা চরম মানবাধিকার লঙ্ঘন। তারা এর কারণ জানতে চাইলে অধ্যক্ষ তার ছেলে ও জামাইয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন। ভুক্তভোগীরা আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে ও জামাইয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তারা ভিন্ন ভিন্ন উত্তর দেন। তারা কমিটিকে জানালে কমিটির সদস্যরা অধ্যক্ষের সাথে কথা বলার জন্য মাদরাসায় গেলে তিনি কমিটির সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাত না করে উল্টো পুলিশ ডাকেন।
ভুক্তোভোগীরা জানান, তারা আইনের আশ্রয় নিয়ে উকিল নোটিশ পাঠালেও কোনো প্রতিকার পাননি। উল্টো আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে আব্দুল্লাহ বিন আব্দুর রাজ্জাক তাদেরকে বিভিন্ন ধরনের হুমকি ধামকি প্রদান করেন। চাকরি হারিয়ে বর্তমানে তারা মানবেতর জীবন যাপন করছেন। এবিষয়ে চাকরিতে পুনর্বহাল এবং অধ্যক্ষ্যের অনিয়মের প্রতিকার কামনা করেছেন তারা। এবিষয়ে মাদরাসার সেক্রেটারি জিয়াউর রহমান বলেন, আব্দুর রাজ্জাক বিন ইউসুফ কমিটির কথা না শুনেই নিজের ইচ্ছেমতো প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করেন। কোনোরকম নোটিশ ছাড়াই মাদরাসার শিক্ষক-কর্মচারীদের ছাটাই করেছেন। এনিয়ে কমিটির সদস্যরা তার সঙ্গে সাক্ষাত করতে গেলে তিনি সাক্ষাতও করেন নি। তবে মাদরাসার অধ্যক্ষ আব্দুর রাজ্জাক বিন ইউসুফ বলেন, আমার বিরুদ্ধে অভিযোগগুলো সঠিক নয়। বহিষ্কার নয় বরং তাদেরেকে আমার আরেকটি প্রতিষ্ঠানে স্থানান্তর করা হয়েছে।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ