আশ্রয়ণে ইদ: ঘরে ঘরে প্রধানমন্ত্রীর ইদ উপহার

আপডেট: মে ২, ২০২২, ১:৪৩ অপরাহ্ণ


নিজস্ব প্রতিবেদক:


পবিত্র ইদ-উল-ফিতর উপলক্ষে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর পাওয়া ৬০টি পরিবারের মাঝে প্রধানমন্ত্রী ইদ উপহার হিসেবে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেছে পুঠিয়া উপজেলা প্রশাসন। সোমবার (২ মে) বেলা ১২ টায় পুঠিয়া উপজেলার হযরত শাহ মাখদুম (রহ.) আশ্রয়ণ প্রকল্পে সুবিধাভোগীদের মাঝে ইদ উপহার সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।
জেলা প্রশাসক আব্দুল জলিল এঁর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এসব ইদ উপহার সামগ্রী সুবিধাভোগীদের হাতে তুলে দেন বিভাগীয় কমিশনার জিএসএম জাফরউল্লাহ্ এনডিসি।
প্রতি প্যাকেট ইদ উপহার সামগ্রীর মধ্যে ছিল- পোলাও চাল, মসুর ডাল, লাচ্ছা সেমাই, চিনি, পাউডার দুধ, লাক্স সাবান।
এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মুহাম্মদ শরিফুল হক, পুঠিয়া উপজেলা প্রশাসনের চেয়ারম্যান জিএম হিরা বাচ্চু। এছাড়াও অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, পুঠিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) নূরুল হাই নূরুল হাই মোহাম্মদ আনাছ, বিভাগীয় কমিশনারের একান্ত সচিব মো. আবুল হায়াত, পুঠিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি আরাফাত আমান আজিজ, বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার অভিজিত সরকার, জেলা প্রশাসন কার্যালয়ের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সুমন চৌধুরী, ১নং পুঠিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আসরাফ খান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে আশ্রয়ণ প্রকল্পের সুবিধাভোগীদের উদ্দেশ্যে বিভাগীয় কমিশনার জিএসএম জাফরউল্লাহ্ বলেন,
ধর্ম যার যার উৎসব সবার। মঙ্গলবার পবিত্র ইদ-উল-ফিতর অনুষ্ঠিত হবে। আপনারা হলেন আমাদের ভালো লাগার মানুষ। আপনাদের ইদের আনন্দকে বেগবান করার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রদত্ত ইদ উপহার সামগ্রী বিতরণ করা হলো। ভালো লাগার মানুষগুলো ইদে ভালো থাকুক এই কামনা করি।
ইদ সামগ্রী বিতরণের সময় জেলা প্রশাসক আব্দুল জলিল বলেন, মুজিববর্ষের সেরা উপহার হলো আশ্রয়ণ প্রকল্পের এই মানুষগুলো। তাই ইদের আগে ইদ উপহার হিসেবে ঘর দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি এই ঘর পাওয়া মানুষগুলো যেন ইদ ভালোভাবে করতে পারেন, সেই জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ইদ উপহার হিসেবে খাদ্য সামগ্রী দেয়া হলো। কারণ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনাদের কথা চিন্তা করেন এবং যথাযথভাবে মূল্যায়ন করেন।
সুবিধাভোগী ওমর আলী মন্ডল বলেন “প্রধানমন্ত্রী আমাগো ঘর দিয়ে মুখে হাসি ফুটায়ছেন। আবার ইদ উপহার দিয়েছেন, এই ইদ অনেক আনন্দে করবো। এর আগে কখনো এতো সুখের ইদ করতে পারিনি। এবার ইদে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মায়ের দেয়া খাবার খেয়ে ইদের নামাজ পড়তে যাবো।”
আশ্রয়ণ প্রকল্পে ঘর পাওয়া সাবেজান বলেন, “রোজা আছিলাম। কোরআন শরীফ পড়ছি। ঘর পাইয়া মন ভরছে; ইদে চিনি, চাউল, সেমাই পাইয়া খুশি। প্রধানমন্ত্রী ঘর দেসে, আবার উপহার দিব চিন্তা করিনাই। আমি রোজা থাইকা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মায়ের দীর্ঘায়ু কামনা করি”
একই আশ্রয়ণের বিপুল কুমার বলেন, “ঘর পেয়েছি বিনা ট্যাকায়; আবার ইদের আগে সেমাই, তেল উপহার দিল স্যার। খুব খুশি লাগছে। ইদের আগে ঘর পেলাম। ইদের চিনি, সেমাইসহ আরও কিছু পামু চিন্তাই করিনি। “প্রধানমন্ত্রী মা আমগোর ইদে খাওয়ান দিল। খোদা উনার ভালো করুক।”

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ