আহলে বাইয়াত ফাউন্ডেশনের আলোচনা

আপডেট: সেপ্টেম্বর ৯, ২০১৭, ১২:২৯ পূর্বাহ্ণ

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি


বিশ্বজনীন মহামানবিক শিক্ষা ও দীক্ষা প্রতিষ্ঠান আহলে বাইয়াত ফাউন্ডেশন ও বিশ্বমানবধর্ম চর্চা, গবেষণা ও প্রকাশনা বিষয়ক প্রতিষ্ঠান মানবধর্ম কেন্দ্র রাজশাহীর উদ্যোগে আলোচনা, সাধুসঙ্গ ও ভাবসঙ্গীতা অনুষ্ঠান হয়েছে। গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় নগরীর মিয়াপাড়া সাধারণ গ্রন্থাগারে ১৮ জিলহজ্ব মহান আল্লাহতায়ালার ঐশী নির্দেশে বিশ্বনবি মাওলানা মুহাম্মদ (স.)Ñএর পরবর্তীতে তার স্থলাভিষিক্ত যোগ্য প্রতিনিধি ও বিশ্বব্যাপী মুসলিম জাহানের মাওলা তথা মাওলাল মুমেনীনরূপে হযরত আলী (আ.) কে মনোনীত করা ও তার অভিষেক দিবসকে কেন্দ্র করে ঈদ-ই-রিসালাত উদযাপন উপলক্ষে এ অনুষ্ঠান হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতে ঈদ-ই-রিসালাতের উপর আলোকপাত করে সংক্ষিপ্ত প্রবন্ধ উপস্থাপনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা করেন, আহলে বাইত ফাউন্ডেশনের আহ্বায়ক ও গবেষক ড. হাসান রাজা। শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন শামীম চিশতী, মুজিব আল রাজি রুবেল ও খন্দকার আমিনুল ইসলাম।
এরপর আয়োজকদের পক্ষ থেকে বক্তব্য দেন, অনুষ্ঠানের সভাপতি বাংলাদেশ সুফি ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক কবি অধ্যাপক রুহুল আমিন প্রামাণিক, মানছুরিয়া খানকাহ শরীফের পীরে কামেল খাজা এটিএসএম খলিলুর রহমান চিশতী ও অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিকল্পনা ও উন্নয়ন দফততরের পরিচালক আফসার আলী, মানবধর্ম প্রচারক সেলিম চিশতী, হাসানিয়া দরবারের জাহান আরা চিশতী, গাংপাড়ার দরবারের মাওলাইয়াত-এর বুলবুল আলী, আহমদিয়া খানকাহ শরীফ টিকাপাড়ার হাসান উদ্দিন আহমদ, মালদহ কলোনীস্থ শাহ্ মখদুমিয়া খানকা শরীফের গদ্দিনশীন ইয়াসিন আলীসহ রাজশাহী অঞ্চলের বিভিন্ন আধ্যাত্মিক দরবারের প্রতিনিধিদেরকে পুষ্পমাল্য প্রদান করা হয়। পুষ্পমাল্য প্রদান শেষে মানবজীবনে ঈদ-ই-রিসালাত দিবসের সর্বকালীন আধ্যাত্মিক প্রভাব ও তার গুরুত্বকে সকলের মাঝে পৗঁছে দেবার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে গুরুগণ তাদের সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন।
বিশেষ অতিথিগণÑমানবধর্ম প্রেমময় মুহাম্মদী ইসলামের ইতিহাসে ১৮ জিলহজ্ব ‘ঈদ-ই-রিসালাত’ বা প্রিয় নবি হযরত মুহাম্মদ (স.)-এর স্থলাভিষিক্ত মুসলিম জাহানে আল্লাহর মনোনীত নবির যোগ্যতম উত্তরাধিকার হিসাবে মাওলা আলী (আ.)-এর মুমিনের মাওলা রূপে অভিষেক তথা দ্বায়িত্বলাভের ঘটনাটি মানবজীবনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। গুরুমুখী আত্মদর্শী জীবন সাধনায় এই ঘটনাটি মানবজাতির আধ্যাত্মিক মুক্তির পথ বিনির্মাণেরও পাথেয়।
আলোচনার পরে সংক্ষিপ্ত ধ্যান-সালাত ও মোনাজাতের পর ভাবসঙ্গীত পরিবেশন করেন শিল্পী সুফি সুলতান, যতন কুমার পাল, তপন কর্মকার, মাসুদ শাহ্ ও জীবন সাধু। তবারক বিতরণের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানটি শেষ হয়।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ