ইইউ আইন বদলের পরিকল্পনা জানাল যুক্তরাজ্য

আপডেট: এপ্রিল ১, ২০১৭, ১২:০৪ পূর্বাহ্ণ

সোনার দেশ ডেস্ক


ব্রেক্সিট প্রক্রিয়া শুরুর পর এবার ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) আইন বদলে নিজস্ব আইন প্রণয়নের পরিকল্পনার রূপরেখা দিয়েছে ব্রিটিশ সরকার। ইইউভুক্ত দেশ হিসেবে এতদিন ইইউ  আইন মেনে চলছিল যুক্তরাজ্য। এখন ইইউ থেকে যুক্তরাজ্যের বেরিয়ে যাওয়ার কারণে আইনগুলোও বদলাতে হচ্ছে। ‘গ্রেট রিপিল বিল’ নামক একটি প্রস্তাবের মধ্য দিয়ে সব ইইউ আইনের অবসান ঘটিয়ে ব্রেক্সিট আইন বা ব্রিটিশ আইন চালুর পথে এগুবে সরকার। শ্রমিকদের অধিকার থেকে শুরু করে পরিবেশের অধিকার পর্যন্ত প্রতিটি ক্ষেত্রে হাজার হাজার ইইউ আইন আছে যেগুলো যুক্তরাজ্যের দেশীয় আইনে বদলে ফেলতে হবে।
ব্রেক্সিট মন্ত্রী ডাভিস ডাভিস বলেছেন, গ্রেট রিপিল বিলের আওতায় যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্ট, ওয়েলস, স্কটিশ এমনকি উত্তর আয়ারল্যান্ড প্রশাসনও ইইউ আইন বাতিল করা, সংশোধন করা কিংবা আইনের উন্নয়ন ঘটানোর সুযোগ পাবে।
তবে তিনি এও বলেন, ইইউ আইনগুলোর পরিবর্তন হয়ত রাতারাতি হবে না। ফলে ব্রেক্সিটের পরও যুক্তরাজ্যে ওই আইনগুলোর প্রভাব অনেকদিন ধরে থাকতে পারে। বিশেষ করে শ্রমিকদের অধিকার, পরিবেশ সুরক্ষা এবং ভোক্তাদের অধিকার বিষয়ক ইইউ আইনগুলো ব্রিটিশ আইন হিসাবে চালু থেকে যেতে পারে। যদিও পরে সেগুলো পরিবর্তন করার ক্ষমতা পার্লামেন্টের হাতে থাকবে। কোন ইইউ আইনটি রাখতে হবে আর কোনটি বাদ দিতে হবে সে সিদ্ধান্ত নেওয়ার কাজটিও করতে পারবে পার্লামেন্ট।
তবে পার্লামেন্টের যাচাই-বাছাই ছাড়া মন্ত্রীদের হাতে আইন বদলের ক্ষমতা দেয়া হলে বিতর্ক সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা আছে। লেবারের ছায়া ব্রেক্সিট সেক্রেটারি স্যার কিয়ের স্টারমার এরই মধ্যে সতর্ক করে বলেছেন, মন্ত্রীদের হাতে তড়িঘড়ি আইন প্রণয়নের সর্বময় ক্ষমতা দেওয়া হচ্ছে।
ব্রেক্সিটমন্ত্রী ডাভিসও পার্লামেন্টে কোনও বিতর্ক ছাড়াই ১ হাজার ইইউ আইন বদলের যুক্তরাজ্য সরকারের পরিকল্পনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।- বিডিনিউজ