ইউটিউব দেখে মাল্টা চাষে সফল মহাদেপুরের মতিন

আপডেট: আগস্ট ৩১, ২০২১, ৯:৩০ অপরাহ্ণ

এম.সাখাওয়াত হোসেন, মহাদেবপুর:


নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলায় বাণিজ্যিকভাবে শুরু হয়েছে মাল্টা চাষ। মাল্টা পাহাড়ি ফল হিসেবে পরিচিতি হলেও সমতল ভূমিতেও রয়েছে এ ফলের ব্যাপক সম্ভাবনা। মাটির গুনাগুন ঠিক থাকলে এ এলাকাতেও মাল্টা চাষ করে লাভবান হতে পারেন কৃষকরা এমনটাই জানিয়েছেন নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলার মহিষবাথান গ্রামের সফল মাল্টা চাষি ও হাতুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন।
জানা গেছে, ইউটিউব দেখে উদ্বুদ্ধ হয়ে গত ৫বছর আগে ১বিঘা ৭কাঠা জমিতে বারি-১ ও বারি-৪ জাতের ১৩৬টি মাল্টার চারা রোপন করেন তিনি। গত বছর পাড়া-প্রতিবেশী, আত্মীয়-স্বজনদের খাওয়ানোর পরেও ৭০হাজার টাকার মাল্টা বিক্রয় করেন এ বাগানের মালিক আব্দুল মতিন। চলতি মৌসুমে তার বাগনের গাছে গাছে থোকা থোকা সুমিষ্ট মাল্টা ঝুলছে। এ বছর ২লক্ষাধিক টাকার মাল্টা বিক্রয় হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। জনপ্রিয় এই ফলটিতে রয়েছে ভিটামিন বি, ভিটামিন সি, ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম, ফসফরাস, এবং চর্বিমুক্ত ক্যালরিসহ আর অনেক পুষ্টিগুণ। ফলগুলো সুমিষ্ট ও বাজারে ভালো চাহিদা থাকায় বানিজ্যিক ভাবে সফল মাল্টা চাষী আব্দুল মতিনের সফলতা দেখে এলাকার অনেক কৃষক ও শিক্ষিত বেকার যুবকেরা মাল্টার চাষ শুরু করেছে। তার এ মাল্টা বাগানে মাল্টা ছাড়াও ৪টি কমলা গাছ ও ২টি লেবুর গাছ রয়েছে। মাল্টা বাগানের চারীপার্শ দিয়ে অহর (পাগার কালায়) কালায়ের গাছের বেষ্ঠনি রয়েছে। যা দিয়ে একদিকে বেড়ার কাজ হচ্ছে অপর দিকে ডালের চাহিদাও পূরণ হচ্ছে।
এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি অফিসার অরুন চন্দ্র রায় জানান, এ উপজেলায় ধান চাষের পাশাপাশি মালটা চাষের ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। আব্দুল মতিন বাণিজ্যিকভাবে একজন সফল মাল্টা চাষী। তার মাল্টা বাগান দেখে এলাকার অনেক কৃষক ও শিক্ষিত বেকার যুবকেরা মাল্টার চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছে। এ উপজেলার কৃষকদের ধান চাষের পাশাপাশি কম খরচে আর্থিক ভাবে অধিক লাভজনক মালটা, কমলা, কলা, বরইসহ বিভিন্ন জাতের ফলজ বাগান তৈরিতে উদ্বুদ্ধকরণে কাজ করছে উপজেলা কৃষি বিভাগ।