ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন: দুর্গাপুরে দলীয় মনোনয়ন পেতে গ্রুপিং

আপডেট: অক্টোবর ২৭, ২০২১, ১০:০২ অপরাহ্ণ

এস এম শাহাজামাল, দুর্গাপুর:


রাজশাহী দুর্গাপুর উপজেলা আওয়ামী লীগ দুই ভাগে ও বিএনপি তিন ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়েছে। রাজনৈতিক এ দুই বড় দল গ্রুপিং নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন। আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে আওয়ামী লীগের নিজ দলে ও বিএনপির নিজ দলের দু’গ্রুপের মধ্যে বেশ শক্ত অবস্থান দেখা গেছে। ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন প্রার্থী দেয়াকে ঘিরে পুরো দুর্গাপুর উপজেলা জুড়ে চলছে চরম অস্থিরতা। তবে এই অস্থিরা মূলত আওয়ামী লীগের ভেতরে। এই উপজেলা ৭টি ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ হতে চেয়ারম্যান পদে দলীয় মনোনয়ন চান প্রায় ৭১ জন। ইতি মধ্যে কেন্দ্রে ৭১ জনের নাম পাঠিয়েছে আওয়ামী লীগ।

আওয়ামী লীগে দলীয় মনোনয়ন পাওয়াকে কেন্দ্র করে বর্তমান মাঠ পর্যায়ে উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়েছে। এরমধ্যে রয়েছে বর্তমান এমপি প্রফেসর ডা. মনসুর রহমান গ্রুপ ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম, তার সাথে রয়েছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও পৌরসভার মেয়র তোফাজ্জল হোসেন গ্রুপ। এসব গ্রুপিংয়ের কারণে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীদের মধ্যে চরম অস্থিরতা বিরাজ করছে। এমনকি সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীরা দ্বিধাদ্বন্দ্বের মধ্যে পড়েছেন।

এদিকে জেলা আওয়ামী লীগের নেতারা বলছেন, দলের মধ্যে কোনো গ্রুপিং নেই। যারা চেয়ারম্যান পদে ভোট করতে ইচ্ছুক তারা দলীয় মনোনয়নের জন্য আবেদন করেছে। সেগুলো প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী যাকে ইচ্ছে তাকে দলীয় মনোনয়ন দিবেন। কিন্তু মাঠের চিত্র একেবারে উল্টো। চেয়ারম্যান প্রার্থীরা দলীয় মনোনয়ন পেতে দৌঁড়ঝাপ করছেন এমপি, সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের কাছে। এদিকে বিএনপির তিন ভাগের বিভক্ত নেতারা তাকিয়ে আছেন কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের দিকে।

জানা গেছে, বর্তমান সরকার ক্ষমতায় থাকতে গত দুইবার ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন হয়েছে। এবার তৃতীয়তম ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন করতে যাচ্ছে ক্ষমতাশীন আওয়ামী লীগ। বিগত বছরগুলোর দিকে দেখলে দেখা যায়, দলীয় মনোনয়ন যাকেই দেয়া হয়েছে সেই চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। বিগত বছরগুলোর ধারাবাহিকতায় এবার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশি চেয়ারম্যান প্রার্থীর সংখ্যা চারগুন বেশি।