ইঞ্জিনিয়ার্স ডে: ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের অসাধারণ নিদর্শণ তাজমহল, ক্ষতি হয়নি ভূমিকম্পেও

আপডেট: September 15, 2020, 1:35 pm

সোনার দেশ ডেস্ক


অনেকেই হয়তো জানেন না ১৫ সেপ্টেম্বর অর্থাৎ আজ ইঞ্জিনিয়ার্স ডে। তাই আজকের দিনে আলোচনা করা হ”েছ ভারতে ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের এক অসাধারণ নিদর্শন নিয়ে। আজ থেকে ৩৭২ বছর আগে তৈরি হওয়া বিশ্বের সপ্তম আশ্চর্য তাজমহল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের এক অদ্ভূত নিদর্শন।
তাজমহলের স্থপতি এবং ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের তুলনা করা অর্থহীন। নির্মানের পর দেশজুড়ে কতই না ভূমিকম্প, বন্যা গিয়েছে, তবে তাতে তাজ-এর ওপর কোনও প্রভাব পড়েনি। দেশের বিখ্যাত ফাউন্ডেশন বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক এস সি হান্দার মতে তাজমহলের মতো বিশ্বে আর কোনও বিল্ডিং নেই। ইঞ্জিনিয়ারদের মতে, তাজমহল আরও কয়েকশো বছর এমনই থাকবে।
অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক এবং আইআইটি রুরকির ফাউন্ডেশন বিশেষজ্ঞ, ডঃ এসসি হান্দা জানিয়েছেন, তাজমহলের দেওয়াল তৈরি হয়েছে প্রাচীন দিনের ইট ও চুনাপাথরের সঙ্গে সংযুক্ত এক মিশ্রণ দিয়ে। এগুলি ধীরে ধীরে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আরও শক্তিশালী হয়ে উঠেছে। আগামী ৩০০ বছর অবধি তাজমহলকে নিয়ে আশঙ্কার কোনও কারণ নেই বলে জানা”েছ বিশেষজ্ঞরা। বলা হয়েছে, এর ভিত এতই শক্তিশালী, যে খুব বড় ধরনের ভূমিকম্পেও এর ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা কম।
আর্কিটেক্ট অ্যাসোসিয়েশনের সমীর গুপ্ত জানিয়েছেন, বিশ্বে তাজমহলের মতো কোনও বিল্ডিং নেই। তিনি বলছেন যদি পরিবেশ এবং ভূমিকম্প এর ওপর কোনও প্রভাব না ফেলে তবে আগামী ৫০০ বছর এটির জন্য কোনও চিন্তা নেই। এটি তৈরিতে এমন নির্মাণ কৌশল ব্যবহার করেছে যা ভূমিকম্প সহ্য করতে পারে।
উল্লেখ্য, ১৮০৩ সালে ভূমিকম্পের জেরে, তাজমহলের মিনারগুলি এবং সমাধিসৌধে প্রথম ফাটল দেখা যায়। সে সময় রূপো গলিয়ে দেই ফাটল ভরাট করে দেওয়া হয়। ১৯২৫-২৬-এর এএসআই রিপোর্ট অনুসারে, ১৯০৫ সালে ভূমিকম্পের কারণে তাজমহলের দক্ষিণ অংশের দেওয়ালের সামনের পাথরে ফাটল ধরা পড়ে। যদিও সেগুলিও ভরে দেওয়া হয়েছে।
তথ্যসূত্র: শড়ষশধঃধ২৪ী৭