ইথিওপিয়ায় সীমান্তে সংঘর্ষে শতাধিক নিহত

আপডেট: এপ্রিল ৭, ২০২১, ৬:৫০ অপরাহ্ণ

সোনার দেশ ডেস্ক:


ইথিওপিয়ার সীমান্তবর্তী অঞ্চলে সংঘর্ষের ঘটনায় শতাধিক মানুষ নিহত হয়েছে। দেশটির আফার এবং সোমালি অঞ্চলে ওই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে বলে এক কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন। খবর রয়টার্সের।
দেশটিতে আগামী জুনে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তার আগেই সর্বশেষ এই সহিংসতার ঘটনা ঘটল। গত শুক্রবার সেখানে সংঘাতের সূত্রপাত হয় এবং মঙ্গলবার পর্যন্ত রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ চলেছে।
আফতার অঞ্চলের ডেপুটি পুলিশ কমিশনার আহমেদ হুমেদ জানিয়েছেন, গত শুক্রবারে শুরু হওয়া সংঘর্ষে এ পর্যন্ত ১০০ জনের বেশি বেসামরিক মানুষ নিহত হয়েছেন। এদের মধ্যে অধিকাংশই ওই অঞ্চলের পশুপালক।
তিনি সোমালির আঞ্চলিক বাহিনীগুলোকে এই সহিংসতার জন্য দায়ী করেছেন। এদিকে সোমালির মুখপাত্র আলি বেদেল জানিয়েছেন, শুক্রবার ২৫ জন নিহত হয়েছে এবং পরবর্তী সময়ে একই বাহিনীর আক্রমণে মঙ্গলবার অসংখ্য বেসামরিক মানুষ প্রাণ হারান।
দেশটির প্রধানমন্ত্রী আবী আহমেদের সরকার যখন টাইগ্রে অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করছেন তখনি সহিংসতা তীব্র আকার ধারণ করছে।
এদিকে আফার অঞ্চলের কর্মকর্তা আহমেদ কালোইতি বলেন, সোমালির বিশেষ পুলিশ বাহিনী এবং মিলিশিয়ারা হারুকা এলাকায় অভিযান চালিয়েছে। তারা নির্বিচারে স্থানীয় লোকজনের ওপর গুলি চালিয়েছে। এতে ৩০ জনের বেশি নিহত হয়েছে এবং কমপক্ষে আরও ৫০ জন আহত হয়েছে।
দু’পক্ষই ওই সহিংসতার জন্য একে অপরের ওপর দোষ চাপাচ্ছে। এর আগে গত বছরের অক্টোবরে সীমান্তে সংঘর্ষের ঘটনায় ২৭ জন নিহত হয়। সে সময়ও একে অন্যকে দোষারোপ করেছে।
তথ্যসূত্র: জাগোনিউজ
ইথিওপিয়ায় সীমান্তে সংঘর্ষে শতাধিক নিহত
সোনার দেশ ডেস্ক
ইথিওপিয়ার সীমান্তবর্তী অঞ্চলে সংঘর্ষের ঘটনায় শতাধিক মানুষ নিহত হয়েছে। দেশটির আফার এবং সোমালি অঞ্চলে ওই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে বলে এক কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন। খবর রয়টার্সের।
দেশটিতে আগামী জুনে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তার আগেই সর্বশেষ এই সহিংসতার ঘটনা ঘটল। গত শুক্রবার সেখানে সংঘাতের সূত্রপাত হয় এবং মঙ্গলবার পর্যন্ত রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ চলেছে।
আফতার অঞ্চলের ডেপুটি পুলিশ কমিশনার আহমেদ হুমেদ জানিয়েছেন, গত শুক্রবারে শুরু হওয়া সংঘর্ষে এ পর্যন্ত ১০০ জনের বেশি বেসামরিক মানুষ নিহত হয়েছেন। এদের মধ্যে অধিকাংশই ওই অঞ্চলের পশুপালক।
তিনি সোমালির আঞ্চলিক বাহিনীগুলোকে এই সহিংসতার জন্য দায়ী করেছেন। এদিকে সোমালির মুখপাত্র আলি বেদেল জানিয়েছেন, শুক্রবার ২৫ জন নিহত হয়েছে এবং পরবর্তী সময়ে একই বাহিনীর আক্রমণে মঙ্গলবার অসংখ্য বেসামরিক মানুষ প্রাণ হারান।
দেশটির প্রধানমন্ত্রী আবী আহমেদের সরকার যখন টাইগ্রে অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করছেন তখনি সহিংসতা তীব্র আকার ধারণ করছে।
এদিকে আফার অঞ্চলের কর্মকর্তা আহমেদ কালোইতি বলেন, সোমালির বিশেষ পুলিশ বাহিনী এবং মিলিশিয়ারা হারুকা এলাকায় অভিযান চালিয়েছে। তারা নির্বিচারে স্থানীয় লোকজনের ওপর গুলি চালিয়েছে। এতে ৩০ জনের বেশি নিহত হয়েছে এবং কমপক্ষে আরও ৫০ জন আহত হয়েছে।
দু’পক্ষই ওই সহিংসতার জন্য একে অপরের ওপর দোষ চাপাচ্ছে। এর আগে গত বছরের অক্টোবরে সীমান্তে সংঘর্ষের ঘটনায় ২৭ জন নিহত হয়। সে সময়ও একে অন্যকে দোষারোপ করেছে।
তথ্যসূত্র: জাগোনিউজ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ