ইদলিবে রাশিয়া, সিরিয়ার ‘বিমান হামলায় নিহত ১৫০’

আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৯, ২০১৭, ১২:০৫ পূর্বাহ্ণ

সোনার দেশ ডেস্ক


সিরিয়ার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে বিদ্রোহীদের নিয়ন্ত্রিত এলাকায় এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে রাশিয়া ও সিরিয়ার বোমারু বিমানগুলোর ব্যাপক বোমাবর্ষণে অন্তত ১৫০ জন বেসামরিক নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে সরকার বিরোধীরা।

দেশটির হামা প্রদেশের উত্তরাঞ্চলে সরকার-নিয়ন্ত্রিত এলাকায় কট্টরপন্থি বিদ্রোহীদের জোট বড় ধরনের হামলা শুরু করার পর নতুন করে এ বোমা হামলা শুরু করা হয় বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
ইদলিবের বিদ্রোহীদের পরিচালিত বেসামরিক প্রতিরক্ষা বাহিনীর জ্যেষ্ঠ কর্মী সালেম আবু আল আজেম বুধবার বলেন, “রাশিয়া ও সরকারি বাহিনী বোমা হামলা শুরু করার পর থেকে এ পর্যন্ত ১৫২টি মৃতদেহ ও ২৭৯ জন বেসামরিককে উদ্ধার করেছি আমরা।”
উদ্ধার করা মৃতদেহগুলো বিমান হামলায় ধ্বংস হয়ে যাওয়া ভবনগুলোর সামনে স্তূপ করে রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছিলেন তিনি।
রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তারা কট্টরপন্থি জঙ্গিদের ওপর হামলা চালাচ্ছে, চিকিৎসা কেন্দ্র ও অন্যান্য অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা চালাচ্ছে না।
অপরদিকে বিদ্রোহীদের দাবি, দেশের ওপর প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদের নিয়ন্ত্রণ পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য স্থানীয় পর্যায়ের যুদ্ধবিরতিতে রাজি হতে বিদ্রোহীদের ওপর চাপ সৃষ্টি করতেই এসব হামলা চালানো হচ্ছে।
হামলায় ধ্বংস হয়ে যাওয়া ছয়টি হাসপাতাল, পাঁচটি প্রতিরক্ষা কেন্দ্র ও কয়েকটি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ভিডিও ধারণ করেছেন বেসামরিক প্রতিরক্ষা কর্মকর্তারা ও অন্যান্য মানবিক সহায়তা কর্মীরা। এর পাশাপাশি উদ্ধাস্তুদের কয়েকটি আশ্রয় কেন্দ্রও আক্রান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন তারা। বোমা হামলা অভিযান শুরুর পর প্রথম কয়েকদিনেই এসব স্থাপনা ধ্বংস হয়।
রাশিয়ার বোমারুগুলো অনেক উঁচু থেকে বোমা ফেলে এবং সেগুলোর ফলাফল ব্যাপক ধ্বংসাত্মক হয় বলে অভিযোগ করেছেন বিদ্রোহী ও প্রত্যক্ষদর্শীরা। এসব দেখে সিরীয় ও রুশ বিমান সহজেই আলাদা করা যায় বলে জানিয়েছেন তারা।
দক্ষিণ ইদলিবে যেখানে কট্টরপন্থি বিদ্রোহীদের বড় ধরনের উপস্থিতি আছে, সেইসব এলাকার শহরগুলো লক্ষ্য করেই বোমা হামলাগুলো চালানো হচ্ছে।
তথ্যসূত্র: বিডিনিউজ