ইন্দো-বাংলাদেশ বন্ধুত্ব অটুট রাখতে নয়া উদ্যোগ, দু’দেশের মধ্যে হল ভলিবল টুর্নামেন্ট

আপডেট: জুন ২৮, ২০২২, ৯:৩২ অপরাহ্ণ

সোনার দেশ ডেস্ক:


ভারত এবং বাংলাদেশ। শুধু দু’টি পড়শি রাষ্ট্রই নয়, খুব ভাল বন্ধুও। আর সেই মৈত্রীর বন্ধনকে অটুট রাখতে এবার অভিনব উদ্যোগ নিল বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স এবং বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ। এবার থেকে দুই দেশের সাধারণ মানুষ, সেনা কর্তা ও আধিকারিকদের নিয়ে আয়োজিত হবে ভলিবল ও ফুটবল টুর্নামেন্ট। হবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও। যার পথচলা শুরু হল মঙ্গলবার। হাতে হাত মিলিয়ে সীমান্ত এলাকায় শান্তি বজায় রাখতেই এহেন উদ্যোগ বলে জানালেন সেনাকর্তারা।

দীর্ঘদিনের স্বপ্নপূরণ হয়েছে বাংলাদেশবাসীদের। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্যোগে ব্রহ্মপুত্রের বুকে তৈরি পদ্মা সেতু। যা আরও কাছাকাছি এনে দিয়েছে ভারত ও বাংলাদেশকে। বিশেষত কলকাতাকে। যেখানে কলকাতা-ঢাকা সড়কপথে যেতে কমপক্ষে ১৬ ঘণ্টা লাগত, পদ্মা সেতুর উপর দিয়ে গেলে সাড়ে ছ’ঘণ্টাতেই পৌঁছনো যাবে। এই ইতিহাসিক কীর্তির জন্য বাংলাদেশকে অভিনন্দন জানিয়েছে ভারত। শুধু তাই নয়, সম্প্রতি দুই দেশের মধ্যে নতুন করে চালু হয়েছে মৈত্রী এক্সপ্রেসও। এবার বন্ধুত্ব নিবিড় করতে ঘোজাডাঙা সীমান্তেও নেওয়া হল বিশেষ উদ্যোগ।

বিএসএফের তরফে দক্ষিণবঙ্গ ফ্রন্টিয়ারের আইপিএস ইন্সপেক্টর জেনারেল ডা. অতুল ফুলজেলে জানান, ঘোজাডাঙা সীমান্তে আজ দক্ষিণ-পশ্চিম যোশহর সীমান্তের বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ এবং দক্ষিণবঙ্গ ফ্রন্টিয়ার কলকাতার বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্সের মধ্যে মৈত্রী ভলিবল টুর্নামেন্টের আয়োজন করা হয়েছিল। এভাবেই আগামী দিনেও ভলিবল, ফুটবলের মতো টুর্নামেন্ট হবে। আয়োজিত হবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও। দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক অত্যন্ত বন্ধুত্বপূর্ণ। সেই সম্পর্ককে অটুট রাখতেই এই প্রয়াস।

বিজিবির ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (রিজিয়ন সদর দপ্তর) ওমর সাদী বলছিলেন, “আমরা এভাবে একে অপরের সঙ্গে মিশলে, কথাবার্তার সুযোগ আরও বাড়বে। তাতে আমাদের মধ্যে বোঝাপড়াটা আরও ভাল হবে। ফলে সামাজিক যে সমস্ত অপরাধ সীমান্তে ঘটে, তা যৌথভাবে রুখে দেওয়া সম্ভব হবে।” তাঁর আশা, যৌথ উদ্যোগে কাজ হলে মাদক পাচার, মহিলা পাচারের মতো অপরাধগুলি আরো কমানো সম্ভব হবে।

কোনও হতাহতের ঘটনাও ঘটবে না। দুই দেশের মধ্যে মৈত্রী ভলিবল আয়োজনে অন্যতম ভূমিকা গ্রহণ করতে পেরে উচ্ছ্বসিত ভারতের ঘোজাডাঙা ক্লিয়ারিং এন্ড ফরওয়ার্ডিং (সিএনএফ) সংস্থার সম্পাদক সঞ্জীব ম-লও। প্রত্যেকের আশা, এভাবেই অটুট থাকবে এপার ও ওপার বাংলার সম্পর্ক।
তথ্যসূত্র: সংবাদ প্রতিদিন

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ