ইপফাৎ আরা কামাল পেলেন জাতীয় পুরস্কার ।। বাড়ির ছাদে টবে গাছ রোপণ

আপডেট: জুলাই ১৮, ২০১৭, ১২:২৭ পূর্বাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক


পফাৎ আরা কামাল-সোনার দেশ

নগরীতে বাড়ির ছাদে টবে গাছ লাগিয়ে ইপফাৎ আরা কামাল বৃক্ষরোপণে প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় পুরস্কার-২০১৬ প্রাপ্ত হয়েছেন। রোববার ঢাকার আগারগাঁও বন মন্ত্রণালয়ের বনভবনের অডিটোরিয়ামে তিনি এ পুরস্কার গ্রহণ করেন। তিনি ‘জ’ শ্রেণিতে দ্বিতীয় পুরস্কার লাভ করেন। বঙ্গবন্ধু অ্যাওয়ার্ড ফর ওয়াইল্ডলাইফ কনজারভেশন-২০১৭ ও বৃক্ষরোপণ প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় পুরস্কার প্রাপ্তদের এ পুরস্কার দেয়া হয়।
ইপফাৎ আরা কামাল নগরীর মুন্সিডাঙাস্থ তাঁর নিজ বাস ভবনের ছাদে ছোট-বড় মিলে ৮০০ টি টবে গাছ লাগিয়ে বাগান তৈরি করেন। বাগানে লাগানো টবের গাছের মধ্যে রয়েছে-ওষুধি, ফলদ, বিলুপ্ত প্রায় বনজ, গৃহসজ্জা ও শোভাবর্ধনকারী ফুল গাছ। শহরের বাড়িতে জায়গা না থাকায় তিনি ছাদেই বাগান করার নেশায় আগ্রহ দেখান। বিভিন্ন প্রজাতির বনসাই সংগ্রহ করে ছাদে সংরক্ষণ করেন তিনি। এছাড়া তিনি মহানগর মহিলা আ’লীগের সহসভাপতি ও সমাজসেবায় অবদান রাখছেন।
ফলদ ও সবজি গাছ পরিবারের পুষ্টি চাহিদা মেটায় এবং দুষণমুক্ত খাবার পাওয়া যায়। আম, পেয়ারা, আনারস, আমড়া মৌসুমী ফল হিসেবে পরিবারের চাহিদা মেটায়। ভেষজ গাছের মধ্যে সবচেয়ে প্রয়োজনীয় তুলসী গাছ। সবজির মধ্যে টমেটো, পুইশাক, ঢেঁড়শ, পালং শাক, কাঁচা মরিচ উল্লেখ্যযোগ্য। তিনি নগরবাসীর সবাইকে বাড়ির ছাদে বাগান করা ও সুন্দর থাকার জন্য আহ্বান জানান।
উল্লেখ্য, ১৯৭৪ সালে মরিচের খুব অভাব হয়েছিল দেশে। তৎকালীন সময়ে বঙ্গবন্ধু এক ভাষণে দেশের মানুষের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘তোমরা কি তোমাদের বাড়ির ছাদে টবে করে মরিচের গাছ লাগাতে পারো না। তাহলে মরিচের অভাব আর থাকবে না।’ এরপর থেকে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বাড়িতে বাড়িতে ছাদে টবে করে বিভিন্ন ধরনের গাছের বাগান করার প্রচলন শুরু হয়।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ