ইফতারে কিমা চপের চাহিদা বেড়েছে

আপডেট: জুন ১২, ২০১৭, ১:০৭ পূর্বাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক


নগরীর প্রানকেন্দ্র সাহেব বাজার এলাকা থেকে চপ কিনছেন রোজাদাররা-সোনার দেশ

রমজান মাসে ইফতারের বাহারি আইটেমের খাবারে পসরা সাজিয়ে রাখেন ব্যবসায়ীরা। বাঙালির ইফতারে অন্য যেকোনো খাবারের সাথে কোনো না কোনো পদের সাথে চপ থাকা চাই। চপ একটি মুখরোচক খাবার হিসেবেই বেশিই প্রচলিত সকলের কাছে। এই কারণেই রমজান উপলক্ষে নামিদামি রেস্টুরেন্ট বা অন্য যেকোনো দোকানে ইফতারের অন্য আইটেমের চাইতে বিক্রি বেশি বিভিন্ন চপের। সর্বনি¤্ন ৫ টাকা থেকে শুরু করে বিভিন্ন দামের চপ বিক্রি করছেন ব্যবসায়ীরা।
বিকেল গড়াতেই নগরীর ভাজাপোড়ার দোকনগুলোতে শোভা পায় নানা পদের চপের সমারোহ। এর মধ্যে রয়েছে বেগুনের চপ, সব ধরনের মাংসের চপ, কলিজার চপ, কলার চপ, কিমার চপ, মরিচের চপ, আলুর চপ ও রসুনের চপ। এছাড়া বিভিন্ন পদের সবজি দিয়েও দোকান ভেদে তৈরি করা হচ্ছে মুখরোচক সব চপ। এর মধ্যে সবচাইতে বেশি চাহিদা থাকে বেগুন ও কিমার চপের।
ইফতারিতে ছোলা ও মুড়ির সাথে চপ অন্যরকম স্বাদ মেটায়। আর তাতেই যেন পরিপূর্ণ ইফতার হয় রোজাদারদের। স্বাদের পাশাপাশি ইফতারির অন্য যে কোন খাবারের চাইতে চপের মূল্য তুলনামূলক সস্তা হওয়ায় এই খাবারটির দিকে সব শ্রেণির মানুষেরই রয়েছে আলাদা চাহিদা। দোকানে এমন কোন ইফতার বিক্রেতা পাওয়া যাবে না- যে দোকানে এই রমজানে চপ বিক্রয় করছে না।
নগরীর সাহেববাজরে ইফতার কিনতে আসা সুমাইয়া সানজিদা বলেন, চপ ইফতারিতে শুধু নয়, ভাত খাওয়ার সময় চট মুখরোচক খাবার হিসেবে থাকলে ভালো হয়। আর তাই সাধ্যের মধ্যে রমজান মাসে ইফতারে বিভিন্ন চপ কিনে নিয়েছি পরিবারের সবার জন্য।
নগরীর সাহেববাজার জিরোপয়েন্ট বড় মসজিদের সামনে ফুটপাতের ওপর মুখরোচক খাবার দোকানের কামাল হোসেন বলেন, ভাজা পোড়ার দোকানে বড় কড়াই ভরা ডুবো তেলে ভাজা হচ্ছে নানা পদের চপ। ইফতারে বাসায় সবার পছন্দে খাবার হল আলুর চপ, কিমা চপ ও বেগুনের চপসহ বিভিন্ন রকমের মুখরোচক খাবার। তাই অন্য সব ভাজা পোড়া কিছুর সাথে ইফতারে চপ বিক্রি ভালো হয়।
এদিকে ইফতার বিক্রেতারা বলছেন, রমজান মাসে যে কোনো খাবারের সাথে চপের চাহিদা থাকে বেশি। তাই ক্রেতাদের চাহিদা অনুসারে রমজানে তৈরি করা হচ্ছে হরেক পদের মুখরোচক চপ।