ইরানে চিড়িয়াখানার রক্ষীকে মেরে সিংহকে সঙ্গে নিয়ে পালাল সিংহী! লাল সতর্কতা শহরে

আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১, ২০২২, ১:২১ অপরাহ্ণ


সোনার দেশ ডেস্ক :


জোর করে খাঁচায় বন্দি রাখা হয়েছিল তাকে আর তার সঙ্গীকে। মন থেকে মানতে পারেনি সে। খাঁচায় কত ক্ষণই বা মন টেকে! এ ভাবেই কেটেছে এক বছরেরও বেশি সময়।

শেষ পর্যন্ত দ্বাররক্ষীকে মেরে সঙ্গীকে নিয়ে চম্পট। না, কোনও মানব যুগলের কথা হচ্ছে না। হচ্ছে পশুরাজ ও তার সঙ্গিনীর কথা। ইরানের একটি চিড়িয়াখানায় ঘটেছে এমনই কাণ্ড।
বৈজ্ঞানিক পর্যালোচনা বলে, দৈনিক ১৬ থেকে ১৮ ঘণ্টা ঘুমোয় এক একটি পূর্ণবয়স্ক সিংহ। কিন্তু সিংহীরা কতক্ষণ ঘুমোয় জানা নেই।

ইরানের আরাক শহরের চিড়িয়াখানায় কয়েক বছর ধরে একটি খাঁচায় রাখা হয়েছিল একটি সিংহ ও একটি সিংহীকে। সারা দিন ঘুমোতে পেরে সিংহ বিশেষ উচ্চবাচ্য না করলেও সিংহী প্রথম থেকেই হুঙ্কারে গর্জনে পাড়া মাথায় করতে থাকে।

বনের রানিকে কি খাঁচায় আটকে রাখা চাট্টিখানি কথা! এ ভাবেই কাটে একটি বছর। কিন্তু হাল ছাড়েনি সিংহী। এক দিন সুযোগ পেয়ে দ্বাররক্ষীর ঘাড়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে সে। থাবার অভিঘাতের অনিবার্য পরিণতি অনায়াস মৃত্যু। অতঃপর, ভিতরে ঘুমে কাদা সঙ্গীকে তুলে মুহূর্তে উধাও যুগলে।

এ দিকে খাঁচা ভেঙে, রক্ষীকে মেরে সিংহ-সিংহী পালিয়েছে শুনেই আরাক শহরে লাল সতর্কতা জারি করা হয়। যুগলের খোঁজে বেরিয়ে পড়ে বন্যপ্রাণ বিভাগের দল। ছুট লাগায় পুলিশও।

অনেক খোঁজাখুঁজির পর অবশেষে আরাক শহরের একে বারে প্রান্তিক এলাকায় খোঁজ মেলে তাদের। আবার খাঁচাবন্দি হয় সিংহ যুগল।
তথ্যসূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ