ইলিশের দাম কম হওয়ায় বেড়েছে চাহিদা

আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৩, ২০১৭, ১২:০৯ পূর্বাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক


বাজারে সবজির দাম গত সপ্তাহের মতো বিক্রি হয়েছে। তবে ইলিশ মাছের সরবরাহ বেড়েছে চোখে পড়ার মতো। দামও ক্রেতার নাগালের মধ্যে থাকায় বিক্রি বেড়েছে। বাজারে মাছের মধ্যে ইলিশের চাহিদাই বেশি। তবে গত কয়েকদিনে কেজিপ্রতি ছোট-বড় ইলিশের দাম ৪শ থেকে ৯০০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। এদিকে গরুর ও খাসির গোশতের দামের কোন পরিবর্তন হয় নি। সবজি ব্যবসায়ীদের মতে, সবজির দাম স্বাভাবিক রয়েছে।
গতকাল শুক্রবার সাহেববাজার মাস্টার পাড়া এলাকার ব্যবসায়ী মো. বিপ্লব জানান, বাজারে প্রতিকেজি আলু ১৫ থেকে ২০ টাকা, পেঁপে ১০ থেকে ১৫ টাকা, পটল ও ঝিঙ্গা ২০ থেকে ২৫ টাকা, ঠেঁরস ৩০ টাকা, বেগুন ৪০, বরবটি ৫০ টাকা, করল্লা ৪০ টাকা, প্রতি হালি লেবু ৮ থেকে ১০ টাকা, প্রতিকেজি মিষ্টি কুমড়া ও শসা ৩০ টাকা, প্রতি পিস লাউ ২০ থেকে ২৫ টাকা, কচু ১০ থেকে ১৫ টাকা, কাঁকরোল ২০ টাকা ও চিচিঙ্গা ৩০ টাকায় বিক্রি হয়।
এছাড়া বাজারে প্রতিকেজি কাঁচা মরিচ ৮০ থেকে ১০০ টাকা, পেঁয়াজ ৪৫ টাকা, আঁদা ও রসুন ৮০ টাকায় বিক্রি হয়।
নগরীর সাহেববাজার মাছ আড়তের মাছ ব্যবসায়ী মমিন জানান, বাজারে ইলিশের আমদানি বেড়েছে। ফলে প্রায় ৫০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ ২০০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে। ফলে অন্যান্য মাছের চাহিদা কমেছে। প্রতিকেজি রুই মাছ ২৬০ থেকে ২৮০ টাকা, কাতল মাছ ২৪০ থেকে ৩০০ টাকা, গ্লাসকাপ ১৬০ থেকে ২০০ টাকা, তেলাপিয়া মাছ ১২০ থেকে ১৬০ টাকা, কই মাছ ১৬০ টাকা, মিরকা মাছ ১৫০ থেকে ১৮০ টাকা, জাপানি ১১০ থেকে ১৪০ টাকায় বিক্রি হয়।
এদিকে নদীর প্রতিকেজি কাটা পাতাসি ৪০০ টাকা, জিওল, বোয়াল ও বাইম ৪০০ থেকে ৬০০ টাকা, টেংরা ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা, বাঁশপাতা ও পবা ৬০০ টাকা, চিংড়ি ৮০০ থেকে ৬০০ টাকা, আঁইড় মাছ ৫০০ থেকে ৮০০ টাকা, দেশি মাগুর ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা, ইলিশ মাছ ৪শ থেকে ৯০০ টাকা ও ময়া মাছ ৩০০ থেকে ৪০০ টাকায় বিক্রি হয়।
এদিকে গরুর গোশত বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, প্রতিকেজি গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৪৮০ থেকে ৫০০ টাকা এবং খাশির গোশত ৭০০ টাকায় বিক্রি হয়। এদিকে সাহেববাজার এলাকার মুরগি ব্যবসায় মুরাদ ও মাসুদ বলেন, প্রতিকেজি সোনালি মুরগি ১৭০ থেকে ১৮০ টাকা, ব্রয়লার মুরগি ১১৫ থেকে ১২০ টাকা, দেশি মুরগি ৩০০ টাকা ও কর্ক ১৭০ টাকায় বিক্রি হয়। এছাড়া প্রতিহালি মুরগির ডিম ২৬ থেকে ২৮ টাকায় বিক্রি হয়।