ইসরাইল ও হামাস যুদ্ধবিরতি II সম্ভাবনার সবটুকুই কাজে লাগাতে হবে

আপডেট: নভেম্বর ২২, ২০২৩, ১২:০৫ পূর্বাহ্ণ

ইসরাইল ও হামাসের মধ্যেকার যুদ্ধ থামবে কি? সেই সম্ভাবনার শুরু হয়েছে। যুদ্ধ থামাতে উদ্যোগ শুরু হয়েছে। আশা করা হচ্ছে, ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে যুদ্ধবিরতির চুক্তি শিগগিরই হতে যাচ্ছে। চুক্তি চূড়ান্ত করতে দোহা, তেল আবিব, কায়রো, রাফাহ এবং গাজার সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো কাজ করছে। ধারণা করা হচ্ছে, আজ-কালের মধ্যেই চুক্তির চূড়ান্ত ঘোষণা আসতে পারে। যুদ্ধে যেভাবে মানবাধিকার লঙ্ঘিত হচ্ছে তা বিশ্ব বিবেককে ভীষণভাবে নাড়া দিয়ে যাচ্ছে। বেশ কিছু দিন ধরেই যুদ্ধবিরতির বিষয়টি খুব জোরেসোরে সামনে এসেছে। তদুপরি যুদ্ধবিরতির ঘোষণা না আসা পর্যন্ত স্বস্তি নেই।

সংবাদ মাধ্যমের সূত্রমতে, হামাসের হাতে যেসব ইসরায়েলি জিম্মি হিসাবে রয়েছে তাদের মধ্যে প্রথমে কাদের মুক্তি দেয়া হবে সে বিষয়ে দর কষাকষি হচ্ছে। তবে বিস্তারিত বিবরণ কোনো পক্ষই এই মুহূর্তে প্রকাশ করছে না। তবে উভয় পক্ষ বিষয়টিকে সহজ করে না নিলে পরিস্থিতি অন্যভাবেও মোড় নিতে পারেÑ এ ব্যাপারে উভয়কেই সতর্ক থাকতে হবে।
হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে সংঘাত অবসানে একটি আন্তর্জাতিক শান্তি সম্মেলনের আহ্বান জানিয়েছেন চিনা প্রেসিডেন্টে শি জিনপিং। মঙ্গলবার (২১ নভেম্বর) উদীয়মান অর্থনৈতিক দেশগুলোর জোট ব্রিকস-এর এক ভার্চুয়াল সম্মেলনে তিনি এই আহ্বান জানান।

শি জিনপিং বলেছেন, ফিলিস্তিন প্রশ্নে ন্যায্য সমাধান ব্যতিত মধ্যপ্রাচ্যে কোনো শান্তি ও নিরাপত্তা দীর্ঘমেয়াদি হবে না। চিনা প্রেসিডেন্টের এই প্রস্তাবকেও অগ্রাহ্য করার সুযোগ নেই। একটি স্থায়ী সমাধানের জন্য আন্তরিকতার সাথেই নেতৃবৃন্দকে কাজ করতে হবে। ফিলিস্তিন ও ইসরাইলের মধ্যে বিভেদ এবং ঘৃণার সম্পর্কের অবসান হওয়াও বাঞ্ছনীয়। রাজনৈতিক টানাপোড়েন তৈরি করে যারা ফিলিস্তিন সমস্যা জিইয়ে রাখতে চাই, সমস্যার আড়ালে নিজ নিজ দেশের স্বার্থ হাসিল করতে চায়Ñ সেই প্রবণতারও অবসান হওয়া দরকার। স্বাধীন ফিলিস্তিনের সিদ্ধান্তের মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির সম্ভাবনা নিহিত আছে। সে দিকেই সবিশেষ গুরুত্বারোপ করার সময় এসেছে।