ই-সিম এর সুবিধা-অসুবিধা

আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২২, ১২:২০ পূর্বাহ্ণ

এ.এস.এম. শাহরিয়ার জাহান, তথ্য-প্রযুক্তিবিদ:


প্রযুক্তি মানেই পরিবর্তন। প্রতিনিয়ত প্রযুক্তি পরিবর্তন হচ্ছে. হচ্ছে আরও উন্নত, সেই সাথে হারিয়ে যাচ্ছে পুরানো পদ্ধতিগুলো। সম্প্রতি আমরা ই-সিম শব্দটি শোনা যাচ্ছে। ই-সিমের অবাক করা বিষয়টি হচ্ছে অ্যান্ড্রয়েড ফোনে থাকবে না আর সিম স্লট। অনেকেই হয়তো ভাববেন এটা কিভাবে সম্ভব! তাহলে যোগযোগ হবে কীভাবে?

ই-সিম হচ্ছে ফোনে ইনস্টল করা ভার্চুয়াল সিম। ই-সিমের পুরো নাম এমবেডেড সাবস্ক্রাইবার আইডেন্টিটি মডিউল। এটি ফিজিক্যাল সিম কার্ডের মতো নয়। একটি eSIM হল প্রোগ্রামেবল সিম কার্ডের একটি ফর্ম যা সরাসরি একটি ডিভাইসে এম্বেড করা হয়। একটি eSIM একটি ডিভাইসের সাথে স্থায়ীভাবে সংযুক্ত একটি eUICC চিপে ইনস্টল করা সফ্টওয়্যার নিয়ে গঠিত।

একটি ই-সিম কলিং ও মেসেজিংসহ সব কাজই করবে তবে আপনাকে এটি ফোনে রাখতে হবে না। এটি টেলিকম কোম্পানির মাধ্যমে ওভার-দ্য-এয়ার সক্রিয় থাকে। একই সঙ্গে এক থেকে পাঁচটি পর্যন্ত সিম ব্যবহার করা যাবে ই-সিমে। এর জন্য যেমন অ্যান্ড্রয়েড ফোনে সিমের জায়গা বেঁচে যাচ্ছে, তেমনই একাধিক সিম কেনার খরচও বাঁচবে।

ই-সিমের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো, আপনি যদি সিম কোম্পানি পরিবর্তন করেন সেক্ষেত্রে আপনাকে সিম কার্ড পরিবর্তন করতে হবে না। এমনকি ফোন ভিজে গেলেও এ সিমের কোনো সমস্যা হবে না। বারবার খোলার ঝামেলাই যেহেতু নেই, তাই এ সিম নষ্ট হওয়ারও আশঙ্কা নেই।

তবে ই-সিম ব্যবহারের সুবিধার পাশাপাশি কিছু অসুবিধাও আছে। যেমন- একটি সিম-এ কল আসলে অন্যগুলো বন্ধ দেখাবে। এ ছাড়া চাইলেই এক ফোন থেকে অন্য ফোনে ই-সিম স্থানান্তর করা যাবে না।