ঈদের দিনে মৌসুমি মাংসের দোকান

আপডেট: সেপ্টেম্বর ৫, ২০১৭, ১১:৫৪ পূর্বাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক


নগরীর শিরোইল স্টেশন সংলগ্ন এলকায় বিক্রি হচ্ছে সংগৃহীত মাংস-সোনার দেশ

নগরী এবং এর পার্শ্ববর্তী এলাকার গরিব মানুষ ঈদের দিনে মাংস সংগ্রগের জন্য বের হন। তারা দিনভর বাড়ি বাড়ি ঘুরে মাংস সংগ্রহ করে। আর এ সংগৃহীত মাংস নিয়ে পরিবার-পরিজনদের সঙ্গে ঈদ আনন্দ ভাগাভাগির কথা। কিন্তু দেখা যাচ্ছে এর উল্টো চিত্র।
গরিব ও অসহায় মানুষ সংগৃহীত মাংস বিক্রি করেছেন নগরীর বিভিন্ন মোড়ে গড়ে ওঠা শতাধিক পয়েন্টে। কোরবানি ঈদের দিন নগরীর বিভিন্ন এলাকায় এসব সংগৃহীত মাংস কেনার জন্য মৌসুমি দোকান সাজিয়ে বসেন কিছু মানুষ। নগরীর বাস টার্মিনাল ও রেলস্টেশনকে কেন্দ্র করে দেখা গেছে এসব দোকানের আধিক্য।
নগরীর পার্শ্ববর্তী এলাকার পবার দারুশা এলাকা। এ অঞ্চল থেকে অন্যদের মধ্যে কোরবানির ঈদের নামাজ পড়ে বের হয়েছেন আবদুল আলিম (৫৫)। তিনি বেলা ১২টার পর থেকে সন্ধ্যা সাতটা পর্যন্ত নগরীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে সংগ্রহ করেছেন প্রায় পাঁচ কেজি মাংস। এসব মাংস তিনি বিক্রি করেছেন ৪২০ টাকা কেজি দরে।
তিনি বলেন, আমার মতো কয়েক হাজার মানুষ সংগৃহীত মাংস বিক্রি করেছেন। ৫ কেজি মাংস বিক্রি করে পেয়েছি এক হাজার সাতশ টাকা। এ টাকা দিয়ে আগামি এক মাস পরিবারের সদস্যদের ব্যয় নির্বাহ করা সম্ভব। এছাড়া আমি যে অঞ্চলে বাস করি, সেখান থেকে পরিবারের সদস্যরা বিত্তবান মানুষদের কাছ থেকে মাংস পেয়েছেন। সে মাংস দিয়েই পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ঈদ আনন্দ ভাগাভাগি করবো।
নগরীর রেলগেট সংলগ্ন পশ্চিমাঞ্চল রেলের প্রধান কার্যালয়ে ঈদের দিন অভাবি মানুষের মাংস কেনেন শফিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, ঈদের দিনে এসব মাংস কিছুটা কম দামে কিনে আমরা হোটেলগুলোতে সরবরাহ করি। এর ফলে আমাদের কিছু আয় হয়। রাজশাহী নগরীতে মাংস কেনার এসব মৌসুমি দোকান গত কয়েক বছর আগে থেকে গড়ে উঠেছে। গরিব মানুষরাও তাদের সংগৃহীত মাংস বিক্রি করে কিছু অর্থ পান।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ