ঈশ্বরদীতে তিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যাতায়াতের রাস্তায় জলাবদ্ধতা

আপডেট: সেপ্টেম্বর ২০, ২০১৭, ১২:৪৩ পূর্বাহ্ণ

ঈশ্বরদী প্রতিনিধি


ঈশ্বরদীতে তিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যাতায়াতের রাস্তাটিতে হালকা বৃষ্টিতেই এভাবে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়-সোনার দেশ

ঈশ্বরদীতে দুইটি স্কুলে যাতায়াতের একমাত্র রাস্তাটি এখন স্থায়ী জলমগ্ন অবস্থায় পরিণত হয়েছে। যৎসামান্য বৃষ্টিতেই এ রাস্তায় পানি জমে থাকে দিনের পর দিন। এ জলমগ্নতার জন্য দায়ী করা হয়েছে স্কুল সংলগ্ন এলাকায় স্থাপন করা প্রাণ বঙ্গ মিলার্সের অব্যবস্থাপনাকে।
স্কুলের শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও এলাকবাসী জানান, উপজেলার সলিমপুর ইউনিয়নের সাকড়েগাড়ি মোড় থেকে ভাষা শহিদ বিদ্যা নিকেতেন উচ্চবিদ্যালয়ে যাতায়াতের প্রধান এ রাস্তায় সবসময় বৃষ্টির পানি জমে থাকে। এতে ভাষা শহিদ বিদ্যা নিকেতন উচ্চবিদ্যালয়, চরমিরকামারি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থী এবং এলাকাবাসীর চলাচলে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। সরেজমিন দেখা গেছে, গতকাল মঙ্গলবারও সামান্য বৃষ্টি হওয়াতে পাকা রাস্তা বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে যায়।
এলাকাবাসি অভিযোগ করে বলেন, রাজনৈতিক প্রভাবশালী ব্যক্তিদের ম্যানেজ করে আবাসিক এলাকা, কৃষি জমি ও দুটি স্কুল সংলগ্ন স্থানে প্রাণ বঙ্গ মিলার্সের ফ্যাক্টরি গড়ে উঠেছে। প্রাণ বঙ্গ মিলার্সের অব্যবস্থাপনায় পানি নিস্কাশনের স্থান ও ড্রেনের সামনে মাটি ভরাট করে বন্ধ করায় সাকড়েগাড়ি মোড় থেকে ভাষা শহিদ বিদ্যা নিকেতেন উচ্চ বিদ্যালয়ে যাতায়াতের পাকা রাস্তায় সামান্য বৃষ্টি হলেই এক হাটু পানি জমে থাকে। এলাকাবাসী রাস্তার পানি অপসারনের জন্য ড্রেন বানিয়ে দিলেও প্রাণ বঙ্গ মিলার্স তা বন্ধ করে দেয়।
এ বিষয়ে প্রাণ বঙ্গ মিলার্স কর্তৃপক্ষের কেউ কথা বলতে রাজি হন নি। এ ব্যাপারে সলিমপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল মজিদ বাবলু মালিথা ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, এলাকাবাসীর অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে আমি নিজে উপস্থিত থেকে রাস্তার পানি নিষ্কাসনের জন্য ড্রেন করে দিয়েছিলাম কিন্তু প্রাণ বঙ্গ মিলার্স ফ্যাক্টরি কর্তৃপক্ষ রাস্তার ১২ ফিট জায়গা দখল করে রাখায় পানি বের হতে পারছে না। তিনি বলেন, মিল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলাপ করে ওই রাস্তার পার্শ্বে স্থায়ীভাবে পাকা ড্রেন নির্মাণ করার ব্যবস্থা গ্রহণ করা ছাড়া এ সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে না।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ