ঈশ্বরদীতে নিখোঁজের ১২ ঘণ্টা পর মিললো শিশুর বিবস্ত্র মরদেহ

আপডেট: জুলাই ৬, ২০২৪, ১:৩২ অপরাহ্ণ

ঈশ্বরদী (পাবনা) প্রতিনিধি :


পাবনার ঈশ্বরদীতে নিখোঁজের ১২ ঘণ্টা পর জিহাদ হোসেন (৯) নামে এক শিশু শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (৬ জুলাই) ভৌর ৫টায় উপজেলার দাশুড়িয়া ইউনিয়নের মনসিদপুর তেঁতুলতলায় পরিত্যাক্ত খাদ্য গুদামের ঝোপের মধ্যে বিবস্ত্র অবস্থায় তার মরদেহ পাওয়া যায়।

নিহত জিহাদ হোসেন মুনসিদপুর গ্রামের প্রবাসী হাসেম আলীর ছেলে ও দাশুড়িয়ার আব্দুস সাত্তার কিন্ডারগার্টেনের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্র।
জিহাদ হোসেনের বড় ভাই সুমন বলেন, শুক্রবার বিকেল ৫টার দিকে তেঁতুলতলা পরিত্যক্ত খাদ্য গুদামের নিকট সহপাঠীদের সঙ্গে বৃষ্টিতে ভিজে খেলাধুলা করছিল জিহাদ।

এর পর থেকে তাকে কোথাও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। অনেক খোঁজাখুঁজির পর রাতে এলাকায় মাইকিং করা হয়। রাত ১২টার দিকে তেঁতুলতলা গোডাউনের ভেতরে জিহাদের হাফপ্যান্ট ও স্যান্ডেল পাওয়া যায়। রাতভর খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে শনিবার ভৌর ৫টার দিকে গোডাউনের ঝোপের মধ্যে বিবস্ত্র অবস্থায় পাটিতে জড়ানো মরদেহ পাওয়া যায়।

দাশুড়িয়া আব্দুস সাত্তার কিন্ডারগার্টেনের প্রধান শিক্ষক আফজাল হোসেন খান বলেন, জিহাদ নিখোঁজের খবর শুনে আমি জিহাদের বাড়িতে এসেছি। জিহাদ আমাদের স্কুলের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্র।

ঈশ্বরদী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) এবিএম মনিরুল ইসলাম বলেন, জিহাদের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ইতোমধ্যে সন্দেভাজন হিসেবে আরিফ হোসেন (৩৮) ও আসিফ হোসেন (৩২) নামের ২জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

তিনি জানান, প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, ওই শিশুকে খেলার ছলে আসিফ হোসেন তাকে ডেকে নিয়ে যৌন নির্যাতন করার সময় জিহাদ চিৎকার দিলে তাকে গলা টিপে হত্যা করা হয়। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত আসিফ পলাতক ছিল। শনিবার তাকে বনপাড়া থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ বিষয়ে অধিকতর তদন্ত চলছে।

 

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ