ঈশ্বরদীতে রাইস মিলে অভিযান কুষ্টিয়া ও দিনাজপুরের চালের নামে ঈশ্বরদীর চাল বাজারজাত-প্যাকেজিং

আপডেট: মে ৩১, ২০২২, ৯:৩২ অপরাহ্ণ

ঈশ্বরদী (পাবনা) প্রতিনিধি:


পাবনার ঈশ্বরদী মোকামের বিভিন্ন চাল কলে উৎপাদিত চালকে কুষ্টিয়া ও দিনাজপুরের উৎকৃষ্ট চাল হিসেবে প্যাকেটজাত ও বাজারজাত করে আসছিলো লতিফ এন্ড সন্স নামে একটি অটো রাইচ মিল কর্তৃপক্ষ।

গোপন সংবাদে এ তথ্য পেয়ে ওই রাইস মিলে অভিযান চালিয়েছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। সোমবার বিকেলে উপজেলার সলিমপুর ইউনিয়নের বড়ইচারা গ্রামে এ অভিযান চালানো হয়।

এসময় ঈশ্বরদীতে উৎপাদিত চালের বস্তায় কুষ্টিয়া ও দিনাজপুরের ‘ঐতিহ্যবাহী’ চালের লেবেল ও মুদ্রিত বস্তা উদ্ধার করা হয়। চাল বাজারজাতকরনে প্রতারনার প্রমান পায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণের ভ্রাম্যমান দল। প্রতারণার অভিযোগে ওই রাইস মিলকে তাৎক্ষনিকভাবে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করে তারা।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এ মিলে উৎপাদিত চাল নিজ প্রতিষ্ঠানের নামে বাজারজাত না করে কুষ্টিয়া ও দিনাজপুরের বিভিন্ন চাল বিপনণকারী প্রতিষ্ঠানের নামে প্যাকেজিং ও বাজারজাতকরণে প্রতারণার অভিযোগে এ জরিমানা করা হয়।

অভিযান পরিচালনা করেন পাবনা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারি পরিচালক জহুরুল ইসলাম। এসময় তিনি লতিফ এন্ড সন্সের স্বত্বাধিকারী সবুজ হোসেনের নিকট থেকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেন। একই সঙ্গে অন্য প্রতিষ্ঠানের নামে বাজারজাতকরণের জন্য প্রস্তুতকৃত চালের বস্তাগুলো থেকে চাল ঢেলে নিজ প্রতিষ্ঠানের নামে সরবরাহের জন্য নির্দেশ দেন। অভিযানে প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ঈশ্বরদীর নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক সানোয়ার হোসেন ।

এ বিষয়ে পাবনা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারি পরিচালক জহুরুল ইসলাম বলেন, লতিফ এন্ড সন্স তাদের উৎপাদিত চাল নিজ প্রতিষ্ঠানের নামে প্যাকেটজাত না করে প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে ‘কুষ্টিয়ার ঐতিহ্যবাহী চাল’, ‘দিনাজপুরের চাল’ ও ‘নুরজাহান চাল’ নামে প্যাকেটজাত করে বিক্রি করে আসছিলো। অভিযানে ২০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করে তাদের সতর্ক করা হয়েছে।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ