ঈশ্বরদীতে রূপপুর প্রকল্প, হার্ডিঞ্জ ব্রিজসহ পদ্মার তীর থেকে বালু উত্তোলনে হুমকির মুখে পদ্মা বালুভর্তি ৩ ড্রামট্রাকসহ ৪জন গ্রেফতার

আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২১, ৯:২৪ অপরাহ্ণ

ঈশ্বরদী প্রতিনিধি:


ঈশ্বরদীর পাকশী হার্ডিঞ্জ ব্রিজ, নির্মানাধীন রূপপুর প্রকল্প ও লালন শাহ সেতুর আশপাশ থেকে পদ্মা নদীর বালু উত্তোলন করে আসছিল অবৈধভাবে বালু উত্তোলনকারীরা। এমন অভিযোগের ভিত্তিতে এ বিষয়ে অভিযান চালিয়েছে পুলিশ। মঙ্গলবার দিবাগত রাতে উপজেলার লক্ষীকুন্ডা এলাকা থেকে বালু উত্তোলন করে ড্রামট্রাকে বহন করার সময় বালু বহনকারী ৩টি ড্রামট্রাকসহ ৪জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতারকৃতরা হলো উপজেলার সলিমপুর ইউনিয়নের আতিয়ার সরদারের ছেলে বাদশা সরদার (৫০), আটঘোরিয়া উপজেলার সেকান্দর গ্রামের মৃত লোকমান হোসেনের ছেলে শাহাদৎ হোসেন (৭৫), যশোরের অভয়নগর উপজেলার বাশুয়ারী গ্রামের মৃত মিজানুর রহমানের ছেলে এনামুল শেখ (২২) ও লালপুর উপজেলার মহেশ্বর টাঙ্গাইল পাড়ার আনোয়ার হোসেনের ছেলে সবুজ আলী (২১)। এসময় বালুসহ ৩টি ড্রামট্রাক আটক করা হয়। গতকাল বুধবার গ্রেফতারকৃতদের পাবনা জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় বালু ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন ২০১০ এর ১৫ (১) ধারায় ঈশ্বরদী থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ জানায়, লক্ষীকুন্ডা পদ্মার চর থেকে বালু উত্তোলন করে বালু ভর্তি ড্রামট্রাক রূপপুর মোড়ের দিকে আসার সময় রূপপুর ফাঁড়ির পুলিশ ড্রামট্রাকগুলো আটক করে। এসময় বালু উত্তোলন ও বহনের কোন বৈধ কাগজপত্র দেখাতে ব্যর্থ হলে ড্রামট্রাকগুলি আটক করে ঈশ্বরদী থানায় আনা হয়। ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদুজ্জামান জানান, অবৈধভাবে পদ্মা নদী থেকে বালু উত্তোলন করায় পাকশী পদ্মা নদীর হার্ডিঞ্জ ব্রিজ, নির্মানাধীন রূপপুর প্রকল্পও লালন শাহ সেতুর আশপাশ হুমকির মুখে পড়েছে। একটি সংঘবদ্ধ চক্র এ অপকর্ম করে আসছিল, খবর পেয়ে তাদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় এনে গতকাল বুধবার জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। এই চক্রের মূল হোতাদের মধ্যে লক্ষীকুন্ডা ইউনিয়নের আকরাম মেম্বরের ছেলে সুজাউল ইসলাম, দাদাপুর গ্রামের দবির উদ্দিনের ছেলে জুলমত হোসেনসহ বেশ কয়েকজন আসামি পালিয়ে গেছে, তবে তাদের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করে গ্রেফতার করার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে বলে জানান ওসি।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ