ঈশ্বরদীতে সেভেনআপ ভেবে কীটনাশক পানে এক শিশুর মৃত্যু

আপডেট: জুন ৪, ২০২০, ১০:২৭ অপরাহ্ণ

ঈশ্বরদী প্রতিনিধি:


ঈশ্বরদীতে সেভেনআপ মনে করে খেতের আগাছা পুড়িয়ে মারার জন্য ঘরে রাখা কীটনাশক পান করে খাদিজা (৪) নামের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে এবং ওই শিশুর বড় বোন রাহিমা খাতুন (৮) গুরুতর অসুস্থ হয়ে মৃত্যুশয্যায়। তারা দুজন ঈশ্বরদী পৌর এলাকার অরণকোলা গ্রামের বাসিন্দা অটোরিক্সা চালক বাবু প্রামানিকের মেয়ে। বুধবার (৩ জুন) রাতে শিশু খাদিজা ঢাকার সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়। স্থানীয়রা জানান, মায়ের সাথে শিশু খাদিজা, রাহিমা ও ঋতু খাতুন দাশুড়িয়ার আথাইল শিমুল গ্রামে তাদের নানা বাড়িতে বেড়াতে যায়। ওই শিশুদের মামা রোকন উদ্দিন তার ঘরের টেবিলে একটি সেভেন আপের বোতলে কীটনাশক রেখে বাইরে যায়। সেভেন আপ ভেবে সেভেন আপের বোতল থেকে ওই কীটনাশক গ্লাসে ঢেলে পান করে তিন বোনসহ আরো কয়েকজন শিশু। বড়রা সামান্য পান করে উটকো গন্ধের কারণে বমি করে দেয়, কিন্তু ছোট খাদিজা ওই কীটনাশকের বিষক্রিয়ায় নিস্তেজ হয়ে পড়ে। দ্রুত তাকে প্রথমে স্থানীয় চিকিৎসক ও পরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে তাদের ঢাকার সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
মুলাডুলি ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রের পরিবার কল্যাণ সহকারী আজিজা খাতুন বর্ণা জানান, অসুস্থ রাহিমার শারিরিক অবস্থা এখনো আশঙ্কাজনক। ঈশ্বরদী পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আবুল হাসেম বলেন, শিশুটির বাবার পক্ষে চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে না পারায় স্থানীয়দের সহযোগিতায় হাসপাতালে নেওয়া হলেও ছোট মেয়েটিকে বাঁচানো যায়নি। ওই শিশুর চাচা আহাদ মন্ডল জানান, রাহিমা শ্বাস প্রশ্বাস ঠিকমত নিতে পারছেনা, তার অবস্থা এখন সংকটাপন্ন।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ