উত্তরাখণ্ডে বৃষ্টি-বন্যায় ১৬ জনের মৃত্যু

আপডেট: অক্টোবর ১৯, ২০২১, ৬:৫২ অপরাহ্ণ


সোনার দেশ ডেস্ক:


ভারতের উত্তরাখণ্ডে ভারি বৃষ্টি এবং আকস্মিক বন্যায় ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। গত তিনদিন ধরে টানা বৃষ্টি হচ্ছে সেখানে। কর্তৃপক্ষ আশঙ্কা প্রকাশ করেছে যে, বন্যাকবলিত এলাকায় এবং ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়ে আরও বহু মানুষের মৃত্যু হতে পারে। খবর এনডিটিভির।

বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে কাজ করা হচ্ছে বলে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং উত্তরাখ-ের মুখ্যমন্ত্রী নিশ্চিত করেছেন। মুখ্যমন্ত্রী পুশকার সিং ধামির বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা এএনআইয়ের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারি বৃষ্টি, বন্যায় ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া বাড়ি-ঘর, রাস্তা-ঘাট এবং ব্রিজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

উদ্ধার ও তল্লাশি অভিযানে সেনাবাহিনীর তিনটি হেলিকপ্টার মোতায়েন করা হবে বলে জানানো হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী পুশকার সিং ধামি, শিক্ষামন্ত্রী দান সিং রাওয়াত এবং রাজ্যে শীর্ষ পুলিশ কর্মকর্তারা বন্যাকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছেন।

মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, কৃষিজমি এবং ফসলি জমির অনেক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
মঙ্গলবার ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে মুকতেশ্বর এবং খেইরনা এলাকায় ভবন ধসে পড়ার ঘটনায় সাতজনের মৃত্যু হয়েছে এবং উধাম সিং নগরে একজন বন্যার পানিতে ভেসে গেছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। এর আগে সোমবার পাঁচজনের পাঁচজনের মৃত্যু হয়। এদের মধ্যে তিনজন শ্রমিক। তারা নেপালের নাগরিক। সোমবার চাম্পাওয়াত জেলায় ভবন ধসে দুজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।

এর আগে কেরালা রাজ্যে বৃষ্টি-বন্যায় কমপক্ষে ২৬ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এদের মধ্যে অন্তত ছয় শিশু রয়েছে। এখনো অনেক মানুষ নিখোঁজ থাকায় হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

কেরালার কোট্টায়াম এবং ইডুক্কি জেলায় ভূমিধসের ঘটনা ঘটেছে। কোট্টায়ামে ১২ জন নিখোঁজ হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মোকাবিলা বাহিনীর পাশাপাশি, সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী এবং বিমানবাহিনীও উদ্ধার ও সহায়তা কার্যক্রমে এগিয়ে এসেছে।
তথ্যসূত্র: জাগোনিউজ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ