উপকরণের অভাব অকার্যকর অনেক হাই ফ্লো ন্যাজাল ক্যানোলা

আপডেট: এপ্রিল ১৫, ২০২১, ৯:১৯ অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক :


করোনা রোগীদের চিকিৎসায় উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন অক্সিজেন সরবরাহের জন্য হাই-ফ্লো ন্যাজাল ক্যানোলা দরকার পড়ে। এই হাই-ফ্লোতে প্রচুর পরিমাণ অক্সিজেন সরবরাহ করে রোগীদের অক্সিজেন সরবরাহ বাড়ানো যায়। কিন্তু রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে উপকরণের অভাবে অনেক হাই-ফ্লো ন্যাজাল ক্যানোলা অকার্যকর হয়ে পড়ে আছে। উপকরণ গুলো না থাকায় সেসব ক্যানোলা ব্যবহার করা সম্ভব হচ্ছে না। রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক বিগ্রেডিয়ার জেনারেল ডা. শামীম ইয়াজদানী জানান, যেসব রোগীদের জন্য ১৫ থেকে ২০ লিটারের অধিক অক্সিজেনের প্রয়োজন হয় তাদের জন্য হাই-ফ্লো ন্যাজাল ক্যানোলার মাধ্যমে অক্সিজেন দেওয়ার প্রয়োজন পরে। তবে হাই-ফ্লো ন্যাজাল ক্যানোল ব্যবহারের জন্য অনেক উপকরণের প্রয়োজন হয়। সেসব আবার সবসময় পাওয়া যায় না। কারণ হাই-ফ্লো ন্যাজাল ক্যানোলায় যেসব উপকরণ ব্যবহৃত হয় একবার অক্সিজেন দেওয়ার পর সেসব নষ্ট হয়ে যায়। দ্বিতীয়বার ব্যবহার করা যায় না। আমাদের হাসপাতালে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন সংস্থার মাধ্যমে অনেক হাই-ফ্লো ন্যাজাল ক্যানোলা থাকলেও তা ব্যবহার করার উপকরণের অভাবে অনেক হাই- ফ্লো ন্যাজাল ক্যানোলা কার্যকর সম্ভব হচ্ছে না। এখন ২১টির মতো হাই-ফ্লো ন্যাজাল ক্যানোলা কার্যকর আছে। এসব হাই-ফ্লো ন্যাজাল ক্যানোলা করোনা ওয়ার্ড ও আইসিইউতে ব্যবহার করা হচ্ছে। শামীম ইয়াজদানী আরও জানান, হাসপাতালে করোনা রোগীদের চিকিৎসায় মোট বেড রয়েছে ১৬৩টি। আইসিইউ বেড রয়েছে মাত্র ১০টি। তবে প্রতিটি করোনা ওয়ার্ডে সেন্ট্রাল অক্সিজেনের ব্যবস্থা করা আছে। হাসপাতালে ভিভিআইপিদের জন্যে একটি কেবিন ও একটি আইসিইউ সুবিধা রাখা হয়েছে।
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. সাইফুল ফেরদৌস জানান, একটি হাই-ফ্লো ন্যাজাল ক্যানোলাতে সাত থেকে আটটি যন্ত্রপাতি নতুন করে সেট করতে হয়। সেগুলো পেতে মাঝে মাঝে একটু সমস্যা হয়। আমাদের হাসপাতালে ২১ টি এই হাই-ফ্লো ন্যাজাল রয়েছে। তবে ৫০ হলে অনেক ভালো হয়। সেন্ট্রাল অক্্িরজেন স্প্যালাই আছে তাই স¦াভাবিক সময়ে সমস্যা কম হয়। কিন্তু করোনার এই সময় অন্য রোগী ও করোনা রোগী বেশি হওয়ায় এই হাই-ফ্লো ন্যাজাল ক্যানোলা গুরুত্বপূর্ণ।