উৎসবে জুয়েলারির দোকানগুলোতে বেচাবিক্রি বেড়েছে

আপডেট: সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২২, ১০:৫৯ অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক:


আজ শনিবার (১ অক্টোবর) শুরু হচ্ছে বাঙালি হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজা। দুর্গাৎসবকে সামনে রেখে নগরী সেজেছে ভিন্ন সাজে। আর উৎসবকে সামনে রেখে নগরীর জুয়েলারির দোকানগুলোতে বেচাবিক্রি বেড়েছে।

হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের অনেকেই দূর্গা পূজাতে স্বর্ণ কেনা শুভ মনে করেন। তবে করোনা পরবর্তী অর্থনেতিক সমস্যার কারণে ইমিটেশনের গয়নার দিকে বেশি ঝুঁকছেন ক্রেতারা। অনেকেই আবার হ্যান্ড পেইন্ট গয়নাগুলোকে প্রাধান্য দিচ্ছেন।

নগরীর নিউমার্কেট, সাহেববাজার, কোর্ট বাজারের ছোট বড় জুয়েলারি দোকানগুলো ঘুরে দেখা যায়, নারীরা পোশাকের সাথে মিলিয়ে কিনছেন চুড়ি, গলার হার, কানের দুল, আংটিসহ নানা রকম অলংকার।

সাহেববাজার এলাকার একটি জুয়েলারি দোকানের বিক্রেতা রফিকুল ইসলাম বলেন, বেচাকেনা আগের তুলনায় ভালো। গত দুই বছরের ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়া না গেলেও এবারের বেচাকেনা ভালো হওয়ায় খুশি তিনি।

তিনি আরও বলেন, ক্রেতারা মার্কেটে আসছে। দরদাম করছে। পছন্দ হলে কিনেও নিচ্ছে। এটাই স্বস্তির বিষয়। তবে দাম কিছুটা বেশি। সব জুয়েলারির দাম আগের থেকে ২০-১০০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে বলে জানান তিনি।

আরডিএ মার্কেটের আরেকটি জুয়েলারি দোকানের মালিক আবদুল মান্নান বলেন, পোশাকের সাথে মানানসই জুয়েলারি পড়তে সবাই কমবেশি পছন্দ করেন। তাই ক্রেতাদের চাহিদাকে গুরুত্ব দিয়ে বিভিন্ন রং ও ডিজাইনের গয়নার পসরা সাজিয়েছেন তারা। পছন্দের গয়না কিনতে রাত পর্যন্ত ক্রেতাদের ভিড় থাকছে।

পূজা উপলক্ষে অলংকার কিনতে বাজারে এসেছেন জয়া। তিনি বলেন, আগের বছরের তুলনায় দাম অনেক বেশি। যেখানে আগের বছর শাঁখা-বালার দাম ছিলো ২৫০-৩০০ টাকা। সেটা এখন ৪০০ থেকে সাড়ে ৪০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

নিউ মার্কেটের জুয়েলারি দোকানে কথা হয় প্রিয়া ও শ্যামা নামে দুই বান্ধবীর সাথে। কলেজ পড়ুয়া এই দুই তরুণী জানান, পূজার সময়টাতে তারা ছোটবেলা থেকেই একই রঙের পোশাক ও জুয়েলারি পরেন। গত দু’বছর করোনার কারণে তা পারেন নি। এবারে তারা আগের নিয়মে ফিরে পূজার আনন্দ উপভোগ করবেন। তাই দুই বান্ধবী মিলে একই ডিজাইনের গয়না কিনতে এসেছেন।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ