একাদশে ভর্তি কার্যক্রম শুরু ৯ অগাস্ট

আপডেট: জুলাই ২০, ২০২০, ১:০৭ অপরাহ্ণ

সোনার দেশ ডেস্ক


করোনাভাইরাস মহামারীর কারণে বিলম্বিত একাদশ শ্রেণির ভর্তি কার্যক্রম শুরু হচ্ছে আগামী ৯ অগাস্ট থেকে।
রোববার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ৯ অগাস্ট থেকে ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অনলাইনে ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তির এই কার্যক্রম চলবে।
ভর্তি সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য ঢাকা শিক্ষা বোর্ডর ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
দেশে করোনাভাইরাসের প্রকোপ বাড়তে থাকায় গত ১৭ মার্চ থেকে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। দুই মাস লকডাউনের পর অফিস-কারখানা-যানবাহন চালু করে কিছু বিধিনিষেধ তুলে দেওয়া হলেও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছুটি বাড়ানো হয়েছে ৬ অগাস্ট পর্যন্ত।
মে মাসে মাধ্যমিকের ফল ঘোষণা হলে ৬ জুন থেকে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি শুরুর পরিকল্পনার কথা জানিয়েছিলেন ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের কলেজ পরিদর্শক অধ্যাপক হারুন-আর-রশিদ।
এরপর ৩১ মে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল দেওয়া হলেও মহামারী পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়ায় একাদশে ভর্তি পিছিয়ে যায়।
এবার ২০ লাখ ৪০ হাজার ২৮ জন শিক্ষার্থী মাধ্যমিকের চূড়ান্ত পরীক্ষায় অংশ নেয়, তাদের মধ্যে ১৬ লাখ ৯০ হাজার ৫২৩ জন পাস করেছে। তারাই এবার একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন করবে।
গত বেশ কয়েক বছর ধরে ঢাকা বোর্ডের মাধ্যমে কেন্দ্রীয়ভাবে দেশের সব সরকারি-বেসরকারি কলেজের একাদশ শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হচ্ছে।
তথ্যসূত্র: বিডিনিউজ

রিজেন্টের পর করোনা পরীক্ষায় জালিয়াতি সাহাবউদ্দিন মেডিকেলে
সোনার দেশ ডেস্ক
স্বাস্থ্য অধিদফতরের অনুমোদন ছাড়াই র‌্যাপিড কিট দিয়ে কোভিড-১৯ আক্রান্ত রোগীদের অ্যান্টিবডি পরীক্ষা করে আসছিল রাজধানীর গুলশান-২ এ অবস্থিত সাহাবউদ্দিন মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। এছাড়া তারা অ্যান্টিবডি পরীক্ষার নামে রোগীদের কাছ থেকে তিন হাজার থেকে ১০ হাজার টাকা করেও নিত বলে অভিযোগ রয়েছে।
এসব অভিযোগে হাসপাতালটিতে অভিযান চালিয়েছে র‌্যাব। অভিযানে অসহযোগিতা করায় হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. মোহাম্মদ আবুল হাসনাতকে হাতকড়া পরিয়ে র‌্যাব হেফাজতে নেয়া হয়েছে।
অভিযানে নেতৃত্বদানকারী র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলম বলেন, হাসপাতালটিতে আমরা তিনটি অভিযোগ পেয়েছি। এর মধ্যে স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে কোভিড-১৯ পরীক্ষার অনুমোদন দিয়েছিল। কিন্তু তাদের কোভিড-১৯ পরীক্ষার স্বয়ংক্রিয় মেশিন না থাকায় অনুমোদন বাতিল করা হয়। এর পরও তারা কোভিড-১৯ পরীক্ষা চালিয়ে যাচ্ছিল। তারা বাইরের রোগীদেরও টেস্ট করেছে। এ টেস্টগুলো অননুমোদিত ডিভাইসের মাধ্যমে করেছে। যে রিপোর্ট দিয়েছে তা সবই ভুয়া।
সারোয়ার আলম আরও বলেন, দ্বিতীয় অভিযোগ হলো হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কিছু পরীক্ষা বাইরের হাসপাতাল থেকে করে তা নিজেদের হাসপাতালের প্যাডে লিখে রোগীদের দিয়েছে। তৃতীয়ত তারা কিছু পণ্য যেমন মাস্ক, গ্লাভস- এগুলো একাধিকবার ব্যবহার করছে। এগুলো মূলত একবারই ব্যবহারযোগ্য (ওয়ানটাইম ইউজেবল)। কিন্তু তারা এগুলো বারবার ব্যবহার করছে।
এর আগে গত ৬ জুলাই করোনা পরীক্ষা নিয়ে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে রাজধানীর মিরপুর ও উত্তরায় রিজেন্ট হাসপাতালে অভিযান চালায় র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত।
অভিযানে র‌্যাব দেখতে পায়, করোনা পরীক্ষা না করেই ভুয়া রিপোর্ট দিত রিজেন্টের উত্তরা শাখা। অভিযানে অসংখ্য ভুয়া করোনা রিপোর্টসহ নানা নথি জব্দ করা হয়। এছাড়া তাদের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত বিলসহ নানা অভিযোগেরও সত্যতা মেলে।
তথ্যসূত্র: জাগোনিউজ