এক ঘণ্টায় শেষ হবে সংসদের আসন্ন অধিবেশন

আপডেট: এপ্রিল ১৩, ২০২০, ২:১৩ অপরাহ্ণ

সোনার দেশ ডেস্ক


করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতায় ডাকা সংসদের আসন্ন অধিবেশনটি শুরু হয়ে এক ঘণ্টার মধ্যেই শেষ হয়ে যাবে। সংসদের বৈঠক বসার পর শোক প্রস্তাব গ্রহণ করেই তার সমাপ্তি টানা হবে আপাতত এমনই রয়েছে পরিকল্পনা। অবশ্য সংসদ মুলতবি রেখে দীর্ঘ বিরতি দিয়ে বাজেট অধিবেশন ছুঁয়ে ফেলা যায় কিনা বিকল্প হিসেবে সে ভাবনাও আছে আলোচনায়। তবে তা ঠিক হবে সংসদের কার্য উপদেষ্টা কমিটির বৈঠকে। দেশের ইতিহাসে এটিই হতে যাচ্ছে প্রথম অধিবেশন যেখানে কিছু জ্যেষ্ঠ সংসদ সদস্যকে সংসদে আসতে নিরুৎসাহিতও করা হবে। ঢুকতে পারবে না গণমাধ্যমকর্মীরাও। সংসদ সচিবালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার কারণে ডাকা চলতি একাদশ সংসদের সপ্তম অধিবেশন আগামী ১৮ এপ্রিল বসতে যাচ্ছে। সংসদ সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সংসদের ইতিহাসে এটা হবে সবচেয়ে সংক্ষিপ্ততম অধিবেশন। আগামী শনিবার বিকাল ৫টায় শুরু হয়ে মাগরিবের নামাজের বিরতির আগেই এ অধিবেশন শেষ করার পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে।
সংবিধানের নির্দেশনা অনুযায়ী সংসদের এক অধিবেশনের শেষ ও পরের অধিবেশনের শুরুর মধ্যে একই সঙ্গে সর্বোচ্চ ৬০ দিনের বেশি বিরতি দেয়ার সুযোগ নেই। সংবিধানের এই বাধ্যবাধকতা মানতে প্রতিকূল পরিবেশের মধ্যেও অধিবেশন বসতে যাচ্ছে বলে আগেই জানিয়েছেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী।
সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তারা ও একাধিক হুইপের সঙ্গে আলোচনা করে জানা গেছে, বয়স্ক ও শারীরিকভাবে পুরোপুরি সুস্থ নন এমন এমপিদের এই অধিবেশনে যোগ দেওয়ার ক্ষেত্রে নিরুৎসাহিত করা হবে। এমপিদের কাছে এমন বার্তা পৌঁছাতে ইতোমধ্যেই হুইপদের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। ঢাকায় অবস্থানরত এবং ঢাকার আশপাশের সংসদীয় এলাকার সংসদ সদস্যদের উপস্থিতিকে উৎসাহিত করা হবে। সংবিধান অনুযায়ী সংসদের বৈঠকের কোরাম পূরণ করতে সর্বনি¤œ ৬০ জনের উপস্থিতি বাধ্যতামূলক। তাই ওই হিসেব মাথায় রেখে এমপিদের অধিবেশনে যোগ দিতে বলা হচ্ছে। এছাড়া সংসদ কক্ষে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করার বিষয়ে জোর দেয়া হবে।
তথ্যসূত্র: বাংলাট্রিবিউন