‘এক তৃতীয়াংশ সরকারি প্রাথমিকে নেই প্রধান শিক্ষক’

আপডেট: জুন ৩০, ২০১৭, ১২:৩৫ পূর্বাহ্ণ

সোনার দেশ ডেস্ক


বাংলাদেশে ৬৩ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক তৃতীয়াংশেই প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে বলে জাতীয় সংসদে তথ্য দিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার।
বৃহস্পতিবার সংসদ অধিবেশনের প্রশ্নোত্তর পর্বে কুড়িগ্রাম-৩ আসনের সাংসদ এ কে এম মাঈদুল ইসলামের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী জানান, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে ২০ হাজার ৫১৬টি প্রধান শিক্ষকের পদ বর্তমানে শূন্য রয়েছে।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে মোট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা ৬৩ হাজার ৬০১টি।
মন্ত্রী বলেন, “প্রধান শিক্ষক পদটি দ্বিতীয় শ্রেণিতে উন্নীত হওয়ায় এই পদে নিয়োগ হবে সরকারি কর্মকমিশন থেকে। ইতোমধ্যে ৩৪তম বিসিএস থেকে প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করে ৮৯৮ জনের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। প্রার্থীদের নিয়োগের জন স্বাস্থ্য পরীক্ষার প্রতিবেদন ও পুলিশ প্রত্যয়নের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।”
চট্টগ্রাম-৩ আসনের সাংসদ মাহফুজুর রহমানের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ জানান, দেশে মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোতে বিষয়ভিত্তিক প্রায় দুই হাজার শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে।
বাংলাদেশে সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা প্রায় ৩৩৫টি।
নাহিদ বলেন, সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোতে বর্তমানে বাংলা, ইংরেজি, গণিত, সামাজিক বিজ্ঞান, ইসলাম ধর্ম, ভূগোল, ভৌতবিজ্ঞান, জীব বিজ্ঞান, ব্যবসায় শিক্ষা, শারীরিক শিক্ষা, চারু ও কারুকলা, কৃষি শিক্ষা বিষয়ে শূন্য পদের বিপরীতে শিক্ষক নিয়োগ কার্যক্রম চলছে।
ফেণী-২ আসনের সাংসদ নিজাম উদ্দিন হাজারীর প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী জানান, ২০১৬-১৭ অর্থ বছরে দুই লাখ ৭৫ হাজার ছাত্র-ছাত্রীর মধ্যে ১৬০ কোটি টাকা বৃত্তি বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে দুই লাখ ছাত্রীকে ১১০ কোটি টাকা দেয়া হবে।
তথ্যসূত্র: বিডিনিউজ