এনভায়রনমেন্ট ফ্রেন্ডলি পুরষ্কার পেলেন মেয়র লিটন ধন্যবাদ মেয়র ও রাসিক এর জন্য

আপডেট: জানুয়ারি ৬, ২০২০, ১২:৫৬ পূর্বাহ্ণ

রাজশাহীবাসীর জন্য বিষয়টি খুবই গর্বের আর বাংলাদেশের অন্যান্য নগর-শহরের জন্য অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত।
২০১৬ সালে বাতাসে ভাসমান মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর কণা দ্রুত কমিয়ে আনার ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখায় বিশ্বে সেরা শহর নির্বাচিত হয় রাজশাহীকে। জাতিসংঘের বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) উপাত্তের ভিত্তিতে যুক্তরাজ্যের দ্য গার্ডিয়ান পত্রিকার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়।
এরই সূত্র ধরে নতুন বছরে সবচাইতে পরিবেশবান্ধব শহর হিসেবে রাজশাহীর এই অর্জনকে সম্মানিত করলো বেসরকারি টিভি চ্যানেল আই। এনভায়রনমেন্ট ফ্রেন্ডলি সিটি অফ দ্য ইয়ার-২০২০ নামে এই পুরস্কারটি শনিবার ( ৪ জানুয়ারি) তুলে দেয়া হয়েছে রাজশাহী সিটি করপোরেশনের মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনের হাতে। তাঁর হাতে সম্মাননা স্মারকটি তুলে দেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মুকিত মজুমদার বাবু ও ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফরিদুর রেজা সাগর গণমাধ্যমটির আয়োজিত প্রকৃতি মেলা ১০ম বর্ষে পদার্পণ করায় প্রথমবারের মতো এ বিষয়ে পদক প্রবর্তন করা হয়। এ সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন দৈনিক সোনার দেশ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে।
প্রতিবেদনের তথ্যমতে, রাজশাহী সিটি করপোরেশনের মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনের উদ্যোগে জিরোসয়েল প্রকল্প বাস্তবায়ন, বিপুল পরিমাণ বৃক্ষরোপণ, রাস্তার পাশের ফুটপাত কংক্রিট দিয়ে ঘিরে দেয়া, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার বহুল ব্যবহার, ডিজেলচালিত যানবাহন চলাচলে কড়াকড়ি ইত্যাদি কারণে এই সাফল্য আসে। এছাড়া পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতায় রাজশাহীর সুনাম দেশজুড়ে।
রাজশাহী সিটি করপোরেশনের সাফল্যের সোপান ক্রমশ উঁচুতে উঠে যাচ্ছে ধারাবাহিকভাবে। এর আগে ২০১২ সালের ৫ জুন বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে প্রথমবারের মতো প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত থেকে পরিবেশ পদক গ্রহণ করেন ওই সময়ের মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন। একই বছর বৃক্ষরোপণে প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় পুরস্কার লাভ করে রাজশাহী সিটি করপোরেশন। ২০০৯ সালেও বৃক্ষরোপণে প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় পুরস্কার লাভ করে রাসিক।
একটি নেতৃত্ব, যার দৃষ্টি প্রসারিত ব্যাপকতায়Ñ যাঁর রুচিজ্ঞান অন্যের মনোজগতকে আকৃষ্ট করে, যাঁর নতুন নতুন উদ্ভাবনীতে রাজশাহী মহানগর পাল্টে যাচ্ছে। রাজশাহীবাসী যাঁকে স্বপ্নের ফেরিওয়ালা কিংবা আধুনিক নগরীর রূপকার হিসেবে চেনেন- তিনিই বর্তমান মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন। তাঁর ঘোর শত্রুরাও স্বীকার করবেন যে, তাঁর বদৌলতে শহরটা ইতিবাচকভাবে পাল্টে যাচ্ছে। এই পরিবর্তন শুধু রাজশাহী নয়Ñ দেশ ছাপিয়ে তা বিশ্ব মানুষেরও নজর কেড়েছে, স্বীকৃতি মিলেছে। এই অসাধারণ কৃতিত্ব বর্তমান মেয়রের নেতৃত্বে চালিত পরিষদের।
ভালোর কোনো শেষ নেই। এ এক অবিরাম যাত্রা। আজকের ভালটুকু মুহূর্তেই নতুন ভালোকিছুর বা চাহিদার তাগিদ তৈরি করছে। এই ধারাবাহিকতা রক্ষার জন্যই প্রয়োজন প্রজ্ঞা ও জ্ঞানের সমন্বয়ে এক বলিষ্ট নেতৃত্ব। যে নেতৃত্ব শুধু স্বপ্নই দেখায় না- স্বপ্ন বাস্তবায়নের পরিকল্পনা ও কৌশল নির্ধারণ করতে শেখায় এবং তা বাস্তবায়িত হয়। এটাই সব সম্ভাবনার স্পর্শিক ও দৃশ্যমান আবেদন তৈরি করে।
ধন্যবাদ মাননীয় মেয়র ও তাঁর পরিষদকে, ধন্যবাদ সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তাকর্মচারীদেরÑ যাঁদের নিরলস প্রচেষ্টায় রাজশাহী মহানগরীকে একটি বাসযোগ্য নগরে পরিণত হয়ে আছে।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ