এলিয়েনের কবলে গোয়েন্দা দল

আপডেট: March 21, 2020, 12:57 am

সালাম হাসেমী


গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেল বেলা স্কুল ছুটির পর ‘রক্তিম’ একা একা বাড়ি ফিরছিল পথিমধ্য হতে সে নিখোঁজ হয়ে গিয়েছে। বাড়ি ফিরে আসে নাই। তার বাবা মা হাসপাতাল, থানা, আত্মীয়-স্বজনের বাড়ি, বন্ধু বান্ধবদের বাড়ি, তাদের এলাকার প্রতি বাড়ি বাড়ি এবং যেখানে যেখানে সন্দেহ হয় সেখানেই তার খোঁজ করা হয়েছে। কোথাও তাকে পাওয়া যায় নাই। কোন উপায়ই যখন রক্তিমের সন্ধান পেল না তখন রক্তিমের বাবা ইমদাদ খাঁন বিষয়টি তাদের মুকুটরাজ গ্রামের প্রাইভেট গোয়েন্দা বিভাগকে অবগত করানোর জন্য গোয়েন্দা ক্লাবের অভিমুখে রওনা হলেন । শহরের পশ্চিম দিকে সিটি করপারেশন যেখানে শেষ, সেখান থেকেই ‘ মুকুটরাজ’ গ্রামের শুরু। গ্রামটি শহরতলীতে অবস্থিত। শহর থেকে বেশি দূরে নয় বলে শহরের অধিবাসিদের মত সুযোগ সুবিধা ভোগ করে । গ্রামটি বেশ বড়। এই গ্রাম ঘেষে পূর্ব পার্শ্ব দিয়ে মহা সড়ক চলে গেছে। এই সড়কের পাশে মুকুটরাজ বাস স্টোপিজ আছে। শহরের সাথে যোগাযোগে এই গ্রামের অধিবাসিদের কোন প্রকার অসুবিধা নেই। এই গ্রামের পূর্ব পাশে মহা সড়কের পাশে ‘মুকুটরাজ গোয়েন্দা ক্লাব’ । এ ক্লাবের সদস্যরা ্ধসঢ়;এ গ্রামের ছাত্র ছাত্রী। সদস্যরা হলো যেমন , ফয়েজ,ফায়েক, ফারুক, ফরহাদ, ফটিক, ফারজানা , ফালগুনী। তাদের সাথে আরো আছে বানর তিতান। ফয়েজের ছোট মামা ফেরদৌস চৌধুরী পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের অফিসার । তিনি এই ক্লাবের সভাপতি। তিনি ক্লাবের সদস্যদের গোয়েন্দা বিষয়ের সকল কার্যক্রম শিখিয়ে দিয়েছেন। এ ক্লাবের বানর তিতানকে প্রয়োজনীয় সকল গোয়েন্দা কাজ কর্ম শিক্ষা দেয়া হয়েছে। শুক্রবার সকাল ৯ঘটিকার সময় ক্লাবের প্রায় সকল সদস্য ক্লাবে উপস্থিত। ফয়জের চার পাশ দিয়ে সকল সদস্যগণ বসে আছে। ফারজানা তিতানকে প্রশিক্ষণ দিচ্ছে। তিতানকে আগে যে সব বিষয় শিক্ষা দেয়া হয়েছিল সে সব তার মনে আছে কিনা তা পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে। ঠিক এমন মুহূর্তে রক্তিমের বাবা ইমদাদ খাঁন এসে ক্লাব ঘরের ভিতর প্রবেশ করে রক্তিমের নিখোঁজ হয়ে যাওয়ার বিষয় ক্লাবের সদস্যদের অবগত করিয়ে তাকে খুঁজে বের করতে বললেন। ফয়েজ দলের প্রধান । সে রক্তিমের বাবার নিকট হতে প্রয়োজনীয় কিছু তথ্য খাতায় নোট নিল এবং তাঁকে বললেন যে , যে কোন সময় আরো তথ্যের জন্য এই ক্লাব ঘরে তাঁকে ডাকা হবে। ফয়েজ গোয়েন্দা দল নিয়ে মিটিংয়ে বসল। কিভাবে কোন কোন পদ্ধিতিতে কে কি কাজ করবে তা ঠিক করে তাদের গোয়েন্দা কাজের সহায়ক যন্ত্রপাতি নিয়ে বেরুলে রক্তিমের সন্ধনে। প্রথমে তারা গেল রক্তিমের স্কুলে। সেকানে গিয়ে তারা স্কুলের দাড়োয়ান , দপ্তরি ও স্কুলের গেটে ফোঁসকা,চটপটি ও আচার বিক্রেতাদের নিকট জিঞ্জেসাবাদ করে ‘ক্লু’ বের করতে চেষ্টা করে কয়েকটি তথ্য তাদের নোট বইয়ে লিপিবদ্ধ করল। স্কুল হতে ওরা রক্তিমের বাড়িতে যাওয়ার রাস্তা ধরে কিছু দূরে এসে পথের মাঝে বাচ্চা ছেলের পায়ের একটি সাদা জুতা দেখে থমকে দাঁড়ালো। জুতা হাতে নিয়ে উলটিয়ে পালটিয়ে ভালো করে পর্যবেক্ষণ করে সে জুতাটি তাদের ব্যাগে রেখে ওই স্থানটির আশে পাশে ভালো করে দেখল। তারা দেখল রাতের বৃষ্টি ভেজা স্বল্প কর্দামাক্ত রাস্তায় ধস্তাধস্তির দাগ রয়েছে। পূর্ব দিকে মানুষের পায়ের চেয়ে অনেক বড় বড়[ পায়ে হেঁটে যাওয়ার পাযের দাগ রয়েছে। বড় বড় পায়ে হেঁটে লোকগুলো যে , পূর্ব দিকে চলে গেছে তা কাদার ভিতরে পায়ের দাগ দেখে বুঝা যায়। এই তথ্য নিয়ে তারা তাদের ক্লাবে ফিরে এলো। রক্তিমের বাবাকে ডেকে এনে জুতাটি দেখানো হলে তিনি উক্ত জুতা সনাক্ত করে বলল যে , এই জুতাটি রক্তিমের ।
রক্তিমের একটি জুতা রাস্তায় স্বল্প কর্দামাক্ত মাটিতে ধস্তা ধস্তির দাগ ও পায়ের হাঁটার দাগ দেখে ওরা রক্তিমকে খুঁজে বের করার কিছু ‘ক্লু’ পেল। ফয়েজের গোয়েন্দা দলের একটি জীপ গাড়ি আছে। গাড়িতে করে ওরা চলে গেল সেখানে যেখানে একটি জুতা পাওয়া গিয়েছিল সেখানে । তিতান এ গাড়িতে
এসেছে। সে বসেছে ফারজানার পাশে। সেখান হতে ওরা পায়ের হাঁটার দাগকে অনুসরণ করে চলে গেল পাহাড়ের দিকে। পাহাড়ের নিকটবর্তী হলে ওরা গাড়ি থামিয়ে গাড়ি হতে নেমে চার দিকে ঘুরে ফিরে অনেকক্ষণ দেখল। এভাবে দেখতে দেখতে ওরা ওই খানে রাস্তার পাশে আরো একটি বা”চাদের পায়ের সাদা জুতা পেল। তখন গোয়েন্দা দল দুটি জুতাকে নেড়ে চেড়ে দেখল। তারা দেখল দুটি জুতাই একই বালকের পাযের । সুতরাং তারা ভাবল অপহরণকৃত ছেলেটিকে এই পাহড়ে অথবা এই পাহাড়ি এলাকার আশে পাশে নিয়ে আসা হয়েছে। তা হলে রক্তিম এখানে আছে। সবাই গাড়ি হতে নেমে চার দিকে ছড়িয়ে ছিটিয়ে খুঁজতে লাগল। কেউ চলে গেল পাহাড়ের ওপরে । আবার কেউ খুঁজতে লাগল পাহাড়ের পাদদেশে। এভাবে সবাই ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ল চার দিকেতে। তিতান লাফিয়ে পাহাড়ের গাছে উঠে নানা ধরনের পাহাড়ি ফল পেরে খেতে লাগল। কয়েকটি ফল গাছের ডাল হতে ছিঁড়ে গোয়েন্দা দলের অন্যান্য সদস্যদের দিকে নিক্ষেপ করতে শুরু করল। ফলগুলো সদস্যদের মাঝে কারো ঘাড়ে কারো মাথায় কারো পিঠে গিয়ে পড়ল। সবাই তো তিতানের দুষ্টামি দেখে হাসতে হাসতে তিতানকে উদ্দেশ্য করে বলল, ‘‘ তিতান তুমি দুষ্ট হয়ে গেছে। তোমাকে ক্লাবে নিয়ে কাঁধে লাঠি দিয়ে রোদে দাঁড়া করিয়ে রাখব।’’ একথা শুনে তিতান গাছ হতে লাফ দিয়ে গাছের একটি ডাল ধরে কতক্ষণ ছোট ছোট বাচ্চারা নাগর দোলায় যে ভাবে দোল খায়
সে ভাবে দোল খেয়ে মাটিতে পড়ে কিছুক্ষণ হাঁটল। সহসা তিতান পাহাড়ের ঢালে একটি স্কুল ব্যাগ পেয়ে কামড় দিয়ে ছেঁচড়াতে ছেঁচড়াতে ফারজানার দিকে নিয়ে আসছে। ফারজানা ব্যাগটি হাতে নিয়ে ব্যাগটির পকেট গুলোর ভিতরে কি আছে তা দেখল। তার ভিতরে কয়েকটি বই ও খাতা পাওয়া গেল। সে বই ও খাতার ভিতরে রক্তিমের নাম লিখা আছে। তখন সে তার দলের অন্যান্য গোয়েন্দাদের ডেকে ব্যাগের সব বৃতান্ত দেখাল। সবাই স্থির করল যে রক্তিম এই পাহাড়ি এলাকায় আছে। সবাই ভালো করে খুঁজে দেখলে এখানে রক্তিমকে পাওয়া যাবে। ফারজানা ও ফালগুনী তিতানকে নিয়ে এলো সেই স্থানে যেখানে তিতান রক্তিমের ব্যাগ পেয়েছিল। সেখানে এসে তারা দেখল ব্যাগের স্থান হতে পাহাড়ের দক্ষিণ দিকে পাহাড়ি গুল্ম জাতীয় গাছগুলো পায়ে দলিত হয়ে যে ভাবে ভেঙ্গে যায় সে ভাবে গাছ গুলো ভাঙ্গা। এই ভাঙ্গা চিহ্ন গুলো দক্ষিণ দিকে উঁচৃ পাহাড়ের দিকে গিয়েছে। ওরা হাঁটতে হাঁটতে চলে গেল দক্ষিনের পাহাড়ের ওপরে , যেখানে গিয়ে ওরা পাহাড়ের ওপর দেখল একটি বড় আকারের গুহা। পাহাড়ের গুহার মুখে নানা জাতীয় গুল্ম জাতীয় গাছ দ্বারা মুখটা আচ্ছাদিত। গুহার মুখের গুল্ম জাতীয় গাছগুলোর ডাল পালা ও পাতা ভাঙ্গা দেখে সহজে বুঝা যায় যে, এর ভিতরে কেউ প্রবেশ করেছে। এই লক্ষণ দেখে ফারজানা ও ফালগুনীর সন্দেহ হল। তখন ফারজানা তিতানের গলায় ক্ষুদ্র আকারের অটোমেটিক অত্যাধুনিক স্বয়ংক্রিয় ক্যামেরা বেঁধে উহাকে গুহার মধ্যে পাঠিয়ে দিল। কিছুক্ষণ পরে তিতান গুহার মধ্য হতে বেরিয়ে এলো। আনন্দে লাফিয়ে লাফিয়ে চিক চিক করতে লাগল। ফারজানা বানর তিতানকে হাত দিয়ে ধরে থামিয়ে দিয়ে তার গলার ক্যামেরা খুলে নিয়ে উক্ত ক্যামেরার ছবি গুলো ভালো করে দেখল। ক্যামেরার ছবি গুলোতে দেখা গেল গুহার ভিতরে অদ্ভুত ধরনের আালো আছে। যা এই পৃথিবীর আলোর মত বলে মনে হয় না। এই আলোকিত গুহার মধ্যে কয়েক জন যান্ত্রিক যান্ত্রিক ভাব মানুষ আকৃতি মানুষ দেখা যায়। এই মানুষগুলোকে এই পৃথিবীর মানুুষ বলে মনে হয় না। আর গুহার এক কোনায় রক্তিম বসে আছে। তাকে
চিন্তিত বা কান্না কান্না অবস্থায় বলে মনে হচ্ছে না। তার মুখে হাসি খুশি হিরার আলোর জ্বল জ্বলে চেহারা। মনে হয় তার মুখমন্ডল দিয়ে হিরার আলো বিছরিত হচ্ছে। ওই যান্ত্রিক যান্ত্রিক লোকগুলোর মুখ দিয়ে আলো হিরার মত বিচ্ছুরিত হচ্ছে। ফারজানা ও ফালগুনী এই ক্যামেরার ছবিগুলো তাদের দলের
সকল গোয়েন্দাদের দেখালো এবং সমস্ত ঘটনা খুলে বলল। সকলে প্রত্যেকের হাতে একটি করে হকি স্টিক এবং কোমরে খাপের ভিতরে একটি করে ধারালো ছোড়া নিয়ে গর্ত ঘিরে দাঁড়িয়ে গুহার মুখে বিকট শব্দ করে কয়েকটি ডাক দিলে কয়েক জন যান্ত্রিক যান্ত্রিক লোক বেরিয়ে এলো। ফয়েজ তাদের উদ্দেশ্য করে
বলল,‘‘ রক্তিম কোথায় ? তাকে আমাদের কাছে ফিরিয়ে দাও। আর তোমরা এ্যারেস্ট। কোন প্রকার নাড়া চাড়া করবে না।’’ লোকগুলো তাদের হাতের দুই আঙুলের মধ্যে রাখা যন্ত্রিটি টিপে ধরলে এক প্রকার সুন্দর আলো বের হয়ে এলো। যা গোয়েন্দা দলের সদস্যদের দিকে ওরা নিক্ষেপ করল। সবাই আলো দেখে কৌশলে সরে দাঁড়ায়। তাদের গায়ে লাগল না। আবার ওই আলো নিক্ষেপ করলে উহা ফটিকের লাগলে সে পাথড়ের মত স্থির হয়ে ওইখানে দাঁড়িয়ে রইল। এবং সারা শরীর দিয়ে হিরার আলো বিছরিত হতে লাগল। এই কান্ড দেখে ফয়েজ হঠাৎ করে এই যান্ত্রিক লোকগুলোর পিছনের দিকে গিয়ে এক জনের হাতের তালুতে হকি স্টিক দিয়ে আঘাত করলে দুই আঙুলের মাঝে রাখা যন্ত্রটি মাটিতে পড়ে গেলে ফয়েজ ওহা নিয়ে যন্ত্রটি দুই আঙ্গুল দিয়ে টিপে আলো বিছরিত করে ওই যান্ত্রিত যান্ত্রিক লোকগুলোর গায়ে মারলে তারা সিংহের মত গর্জন করতে করতে পিছনের দিকে দৌড়িয়ে যেতে লাগল। আরো ঘন ঘন কয়েক বার আঙুল দিয়ে ওদের লক্ষ্য করে যন্ত্রটি টিপে দিলে ওরা জোড় হাত করে ক্ষমা চেয়ে বলল, ‘ আমরা তোমাদের সাথে পারব না। আমরা তোমাদের রক্তিমকে এখনি দিয়ে দিব। কিন্তু দেয়ার আগে তোমাদের সাথে কিছু কথা আছে। সে কথা আমাদের বলতে দাও।’ ফয়েজ বলল, ‘ তাড়াতাড়ি বল।’ তখন ওরা গোয়েন্দা দলের সকলকে গুহার ভিতরে যেতে বললে ওরা সবাই গুহার ভিতরে চলে গেল। যান্ত্রিক যান্ত্রিক মানুষগুলো গোয়েন্দাদের উদ্দেশ্য করে বলল, ‘ আমরা এই পৃথিবীর মানুষ নই। আমরা এলিয়েন । আমরা মঙ্গল গ্রহের ‘ডিমোস’ নামক উপগ্রহ হতে এই পৃথিবীতে এসেছি অক্সিজেন নিতে। আমাদের ‘ডিমোস’ উপগ্রহে অক্সিজেনের অভাব বলে পৃথিবী থেকে অক্সিজেন লই। ‘ডিমোস’ উপগ্রহ সৃষ্টির সময় হতে এই পৃথিবীতে এসে অক্সিজেন নিয়ে আসছি। কিন্তু আমরা ভাালো করে লক্ষ্য করে দেখলাম যে আগের তুলনায় পৃথিবীতে তাপমাত্রা বেড়ে গেছে। এখন তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেয়ে এমন অব¯’ায় এসেছে যে ,এ তাপ আর সহ্য করা যায় না। অদূর ভবিষ্যতে এভাবে তাপমাত্রা বাড়লে এ পৃথিবীতে মানুষের বসবাস করা কঠিন হয়ে দাঁড়াবে। কালক্রমে অক্সিজেন কমে গিয়ে কার্বন- ডাই অক্সাইড বেড়ে যাবে তাতে পৃথিবী আরো গরম হবে। এই তাপমাত্রা কমাতে হলে তোমাদের এই পৃথিবীতে বেশী বেশী করে গাছ লাগিয়ে বনায়ন করতে হবে। পলিথিন ও প্লাষ্টিক জাতীয় জিনিসের ব্যবহার বর্জন করতে হবে। গ্রীন হাউজে চাষ করা বাদ দিতে হবে। পৃথিবীর পরমানু গবেষণা কেন্দ্রগুলো উঠিয়ে দিতে হবে। তাপবৃদ্ধি পায় এমন জাতীয় আরো যে সব ব্যবস্থা রয়েছে তাও বর্জন করতে হবে। তবেই পৃথিবীর তাপমাত্রা সহনীয় এর মধ্যে থাকবে। এতো গেল তাপবৃদ্ধির কথা। এখন বলছি রক্তিমকে কেন আমরা অপহরণ করলাম সে কথা।
এই তাপমাত্রা বৃদ্ধিকে কিভাবে কমাবে তা পৃথিবীর মানুষকে শিক্ষা দেয়ার জন্য রক্তিমকে আমরা অপহরণ করেছি। আগে রক্তিমকে শিখিয়েছি। এখন এই ক্ষুদ্র গোয়েন্দা দলকে শিখালাম । তোমরা সকলে একত্রে এই স্থানে দাঁড়াও , তোমাদের ভিতরে দ্রুত বনায়ন করার মত ও তাপমাত্রা কমানোর অন্যান্য জাতীয়
কাজ করার ক্ষমতা দিয়ে যাচ্ছি, তোমরা পৃর্থিবীকে ঘন সবুজ অরণ্যে পরিণত করবে। রক্তিম ও গোয়েন্দা দলের সকলে একত্রে দাঁড়ালে এলিয়েন গন তাদের দু’হাতের আঙুল টিপে দিয়ে হীরার মত আলোবিছরিত করে মনুষ্য বালকদের ব্রেনে ডুকিয়ে দিল। ওরা এখন লক্ষ গুন কাজ অল্প সময়ের মধ্যে করতে পারবে।
আলোক রশ্মি রক্তিম ও গোযেন্দা দলের ব্রেনে প্রবেশ করিয়ে তারা তাদের পকেট হতে বেলুনের মত নীল এক প্রকার জিনিস বের করে উহাতে তারা তাদের হাতের আঙুল টিপে এক প্রকার হীরার আলো বিছরিত করল সংগে সংগে উহা ফুলে একটা আকাশ যানের রূপ নিলো উহাতে তারা উঠে বসল। তারা তাদের দুই
হাতের আঙ্গুর টিপে উহাতে হীরার মত আলো বিছরিত করলে উহা মহা আকাশের দিকে উড়তে শুরু করল। পলকের মধ্যে উহা দৃষ্টি সীমার বাহিরে অদৃষ্টি হয়ে গেল। গোয়েন্দা দল রক্তিমকে সঙ্গে করে তাদের মুকুটরাজ গ্রামে ফিরে এলো। পরের দিন হতে তারা বনায়নের কাজে মনোযোগ দিল।