এসডিজি প্রোগ্রেস অ্যাওয়ার্ড পেলেন প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রগতির স্বীকৃতি

আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২১, ১২:৩১ পূর্বাহ্ণ

টেকসই উন্নয়নে বাংলাদেশের অর্জনের জন্য ‘এসডিজি প্রোগ্রেস অ্যাওয়ার্ড’ পেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ২০১৫ সাল থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত সময়ের জন্য এই স্বীকৃতি লাভ করলো বাংলাদেশ। এ সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন দৈনিক সোনার দেশ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে।
জাতিসংঘের সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট সলুশান নেটওয়ার্ক (এসডিএসএন), গ্লোবাল মাস্টার্স অব ডেভেলপমেন্ট প্র্যাকটিস এবং যুক্তরাষ্ট্রের কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্থ ইনস্টিটিউট ও সেন্টার ফর সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট যৌথভাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে এ পুরস্কার দেয়া হয়। সোমবার (২০ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে টেকসই উন্নয়ন বিষয়ে নবম বার্ষিক আন্তর্জাতিক কনফারেন্সে (ভার্চ্যুয়াল) এ পুরস্কার গ্রহণ করেন বাংলাদেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী।
আন্তর্জাতিক এই স্বীকৃতি বাংলাদেশ যে উন্নয়নের সঠিক পথেই আছে এ তারই সাক্ষ্য দেয়। বাংলাদেশের মানুষের এটি বড় অর্জন। এই অর্জন সন্দেহ নেই- দেশের মানুষকে অনুপ্রাণিত করবে, উৎসাহিত করবে। নিশ্চয় এই অর্জন সহজ কোনো ব্যাপার ছিল না বা আগামীতে যা কিছু অর্জন করতে হবে সেটাও কোনো সহজ পথে সম্ভব হবে না। এ ক্ষেত্রে দেশের মানুষ উন্নয়নের চলমান বৈতরণি কীভাবে বয়ে নেয়া সম্ভব হবে, পরিপূর্ণ সফলতা সেখানেই নিহিত আছে। বাংলাদেশকে ভাল যা কিছু অর্জন করতে হয় তা জটিল ও কঠিন পথ উত্তরণের মধ্য দিয়ে করতে হয়। উন্নয়নের প্রশ্নে যেমন বিশেষ মহলের পিছন থেকে টেনে ধরার প্রবণতা আছে, তেমনি দেশের স্থিতিশীলতা নষ্ট করার প্রয়াস আছে। বারবার বাংলাদেশকে হোঁচট খেতে হয়েছে। দেশ ও দেশের মানুষকে চক্রান্ত- ষড়যন্ত্রের মুখোমুখি হতে হয়েছে। বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার সাহস ও দক্ষতার সাথেই সেটা মোকাবিলা করেছে। বাংলাদেশের মানুষই সেই ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছে, প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে। সেই কৃতজ্ঞতায় প্রধানমন্ত্রী এই পুরস্কার বাংলাদেশের জনগণকে উৎসর্গ করেছেন। কেননা সরকার জনগণকে যথার্থভাবে নেতৃত্ব দিতে পেরেছে। দেশের মানুষ সেই নেতৃত্বের পথ ধরেই অসম্ভবকে সম্ভব করে তুলেছে। ফলে একের পর এক সাফল্য ধরা দিয়েছে। বাংলাদেশ মাথা উঁচু করে বিশ্বে নিজের অস্তিত্ব জানান দিতে পেরেছে। এটা দেশকে মহীয়ান করেছে এবং দেশের মানুষকে বিশ্বে মর্যাদাবান জাতি হিসেবে পরিচয় করে দিয়েছে। সেই মানুষই যে ওই পুরস্কারের প্রকৃতযোগ্য তা বলাই বাহুল্য।
তবে এখনো পথের অনেক বাকি। বাকি পথ পেরুবার জন্য শেখ হাসিনার মত ভবিষ্যতমুখিন, প্রাজ্ঞ ও গতিশীল নেতৃত্বের কোনো বিকল্প নেই। শুধু প্রয়োজন জনগণের ঐক্যবদ্ধতা ও সক্রিয় অংশগ্রহণ। তবেই কাক্সিক্ষত টেকসই উন্নয়ন লক্ষমাত্রা অর্জন সম্ভব হবে। উন্নয়নের জন্য দেশের স্থিতিশীলতা প্রয়োজন। দেশ ও দেশের মানুষের বিরুদ্ধে সব ষড়যন্ত্র রুখে দিতে হবে।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ