এ প্রজন্মের পাঁচ নায়কের চোখে সালমান শাহ

আপডেট: সেপ্টেম্বর ২০, ২০১৭, ১২:১৩ পূর্বাহ্ণ

সোনার দেশ ডেস্ক


ঢাকাই ছবির সোনালি অতীতের নায়ক সালমান শাহ। নব্বই দশকের গোড়ার দিকে ধুমকেতুর মত তার আগমন ঢালিউডে। মাত্র ক’বছরের ক্যারিয়ারে তার ২৭টি ছবি মুক্তি পায়। বলা যায়, সালমান শাহের সব ছবিই ছিল সুপার ডুপার হিট!
তবে হঠাৎ কোনো এক কারণে সালমান শাহের অকাল মৃত্যু ঘটে। মৃত্যুর পর আজও সালমান বাংলা ছবির এক উজ্জ্বল নক্ষত্র হয়ে আছেন। আজ সালমান শাহের ৪৬তম জন্মবার্ষিকী। তার কর্মগুণে এ প্রজন্মের নায়কদের কাছে তিনি আজও আইডল। হালের পাঁচ চিত্রনায়ক বললেন তাদের ভালোলাগা ও অভিনয়ের অনুপ্রেরণায় রয়েছেন সালমান শাহ।
সাইমন
সালমান শাহ শুধু নায়ক হিসেবে নয়, আমি শুনেছি তিনি মানুষ হিসেবেও খুব ভালো ছিলেন। বেঁচে থাকলে চলচ্চিত্রের বাইরে হয়তো অনেক সামাজিক কাজেও তিনি অবদান রাখতেন। তার সময়ে বাংলা ছবির জৌলুস ছিল। তার মুক্তিপ্রাপ্ত সব ছবিই আমি দেখেছি। এছাড়া ৯০ দশকে তার স্মার্টনেস, স্টাইল আজও নতুন বলে মনে হয়! যদি সালমান শাহ আজ বেঁচে থাকতেন আমাদের বাংলা ছবি হয়তো আরো সমৃদ্ধ হতো। তিনি নেই তার স্মৃতিগুলো আছে। ৪৬ তম জন্মদিনে সালমান শাহকে জানাই বিনম্র শ্রদ্ধা।
বাপ্পী চৌধুরী
সালমান ছিলেন নব্বই দশকের রাজকুমার। উনি হচ্ছেন আমাদের ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির ইয়াংদের আইডল। তার স্টাইল, চলাফেরা, লুক সবকিছুই আমাকে উৎসাহিত করে। তার প্রথম ছবি দেখেছিলাম ছোটবেলায় নারায়ণগঞ্জের সিনেমাহলে। ছবির নাম ‘অন্তরে অন্তরে’। ওখান থেকেই আমার ছবি দেখা শুরু। এরপর ‘স্বপ্নের পৃথিবী’, ‘বিচার চাই’, ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ ছবিগুলো দেখে আমি তার ফ্যান হয়ে যাই। এরপর তিনি মারা যান। আজ বেঁচে থাকলে উনার হাত ধরে আমাদের ফিল্ম আরো সমৃদ্ধ হতো বলে বিশ্বাস করি। আমরা কাজের আরও ভালো পরিবেশ পেতাম। শুনেছি উনি খুব আন্তরিক ছিলেন। বড় হৃদয়ের মানুষ ছিলেন। আমার নয়ক সালমান শাহের জন্মদিনে তার বিদেহি আত্মার প্রতি শান্তি কামনা করি।
আরেফিন শুভ
সালমান শাহ আমার দুই প্রজন্ম আগের নায়ক ছিলেন। তিনি যে সময়কার হার্টথ্রুব নায়ক তখন আমি খুব ছোট। স্কুলে যেতাম। তার কাজগুলো তখন বুঝতাম না। সেসময় আমি কার্টুন খুব পছন্দ করতাম। তবে বুঝতে শেখার পর দেখেছি যে তার কাজে নিজস্ব স্বকীয়তা ছিল। তার প্রতিভা ছিল গড গিফটেড। তিনি আমার কাছে একটা অনুপ্রেরণা। আজ তার জন্মদিন। জন্মদিনে অন্তর থেকে জানাই শুভেচ্ছা ও শ্রদ্ধাঞ্জলি।
নিরব
মিডিয়াতে কাজ করার শুরুর দিকে ইচ্ছে ছিল ফিল্মে অভিনয় করবো এবং ফিল্মেই ক্যারিয়ার গড়বো। আর এই ইচ্ছেটার পেছনে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রেখেছেন অমর নায়ক সালমান শাহ। কারণ তার অভিনয়-স্টাইল আমাকে সবসময় মুগ্ধ করে। বারবার তার ছবি দেখে মনে হতো আমিও ফিল্মে অভিনয় করবো। সেই থেকে আমার নায়ক হবার স্বপ্নের বুনন। এখন তো বাস্তব। আমার রুপালি পর্দার যাবতীয় অনুপ্রেরণা হলেন সালমান শাহ। তিনি আমাদের মাঝে মরেও অমর হয়ে আছেন। প্রিয় নায়কের বিদেহি আত্মার শান্তি কামনা করি।
রোশান
সালমান শাহ যখন সুপার হিট নায়ক আমি তখন অনেক ছোট। বড় হয়ে তার ছবি দেখে, ছবির গানগুলো শুনে খুব ভালো লাগতো। কিন্তু তিনি নেই, এটা ভাবতেই কেন জানি ইমোশনাল হয়ে যাই! তার ফিগার, হেয়ার স্টাইল, চাহনি, কথা বলা, ডায়ালগ থ্রু করা, ফ্যাশন- সবকিছুই ছিল একেবারে ইউনিক। তার সবকিছুই আমার ভালো লাগে, আমাকে উৎসাহ দেয়। এককথায় ‘সালমান শাহ ইজ মাই আইকন’। শুভ জন্মদিন সালমান শাহ।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ