ঐতহিাসকি র্হাডঞ্জি ব্রজি ১০২ বছরে

আপডেট: মার্চ ৪, ২০১৭, ১২:১৩ পূর্বাহ্ণ

সলেমি সরদার, ঈশ্বরদী



আজ শনবিার ৪ র্মাচ মুক্তযিুদ্ধরে স্মৃতি বজিড়তি ঐতহিাসকি পাকশী র্হাডঞ্জি ব্রজিরে বয়স ১০২ বছর র্পূণ হলো। ১৯১৫ সালরে ৪ র্মাচ পাকশী র্হাডঞ্জি ব্রজি উদ্বোধনরে মধ্য দয়িইে মূলত গোড়াপত্তন হয় র্বতমানরে ঈশ্বরদী শহররে।
এরও অনকে বছর আগে থকেে তখনকার সাঁড়া নদী বন্দররে কারণে অল্প কছিু মানুষ এই অঞ্চলে বসবাসরে চষ্টো করনে। কউে কউে সাহস নয়িে ঈশ্বরদী রলেওয়ে জংশন স্টশেনরে আশপোশে বসবাসও শুরু করনে।
পাকশী বভিাগীয় রলেওয়ে ব্রজি ইঞ্জনিয়িার আরফিুল ইসলাম জানান, ১৯০৯ সালরে প্রথমভাগে প্রাথমকি জরপি, জমি অধগ্রিহণ ও প্রয়োজনীয় পাথরাদি সংগ্রহরে কাজ শুরুর মধ্য দয়িে পৃথবিীর বৃহত্তম রলে সতেুগুলোর অন্যতম র্হাডঞ্জি ব্রজিরে নর্মিাণ কাজ শুরু হয়। এ কাজ শষে হয়ছেলি ১৯১৪ সালরে ডসিম্বের।ে নর্মিাণ কাজ শষে হওয়ার পরপরই ১৯১৫ সালরে ১ জানুয়ারি ব্রজিরে ওপর দয়িে মালগাড়ি ও ২৫ ফব্রেুয়ারি আপ মালগাড়রি চলাচল শুরু হয়। এরপর ১৯১৫ সালরে ৪ র্মাচ ভারতরে তৎকালীন গর্ভনর জনোরলে র্লড র্হাডঞ্জি র্কতৃক আনুষ্ঠানকি উদ্বোধনরে মাধ্যমে ব্রজিরে ওপর দয়িে যাত্রবিাহী ট্রনে চলাচলরে জন্য উন্মুক্ত করা হয়। পরে তাঁর নামানুসারে এর নামকরণ করা হয় ‘র্হাডঞ্জি ব্রজি’।
র্হাডঞ্জি ব্রজি নর্মিাণরে আগে এখনকার ঈশ্বরদী শহরকন্দ্রেকি জনপদরে পত্তন, বকিাশ, বস্তিৃতি এবং উত্তরোত্তর উন্নয়ন ও সমৃদ্ধরি আগে পদ্মা তীরর্বতী সাঁড়াঘাট ছলি এই এলাকার ব্যবসা-বাণজ্যি, নদীপথে যাতায়াত, শক্ষিা-সংস্কৃত,ি র্আথসামাজকি উন্নয়ন এবং রলে যোগাযোগসহ নানা কারণে অত্যন্ত গুরুত্বর্পূণ। সকোলে সাঁড়ায় থানা স্থাপনরে মধ্য দয়িে এখনকার ঈশ্বরদী উপজলো সকোলে পরচিতিি পায় সাঁড়া থানা নাম।ে
এরপর ১৯৭১ সালরে স্বাধীনতা যুদ্ধরে সময় ক্ষতগ্রিস্ত হয় র্হাডঞ্জি ব্রজি। বাংলাদশে স্বাধীনতা র্অজনরে পর বাংলাদশে সরকাররে অনুরোধে ভারত সরকার ক্ষতগ্রিস্ত ইস্পাতরে ট্রাসলেটি কংক্রটি দয়িে ‘জ্যাকটেংি’ করার পর র্হাডঞ্জি সতেুর ওপর দয়িে একক ব্রডগজে লাইন বসয়িে সীমতি গততিে ট্রনে যোগাযোগ পুনঃস্থাপতি হয় ১৯৭২ সালরে ১২ অক্টোবর। তৎকালীন যোগাযোগমন্ত্রী ক্যাপ্টনে এম মনসুর আলী নজিে ট্রনেরে ইঞ্জনিরে সামনে দাঁড়য়িে র্হাডঞ্জি সতেু পার হয়ে রলেযোগাযোগ পুনঃস্থাপন র্কমসূচরি উদ্বোধন করনে। অন্যদকিে বাংলাদশে সরকাররে অনুরোধে স্বল্পতম সময়রে মধ্যে রলে যোগাযোগ পুনস্থাপন উপলক্ষে প্রদত্ত এক বাণীতে বঙ্গবন্ধু শখে মুজবিুর রহমান সে সময় বলছেলিনে, ‘এ সতেুর পুর্ননর্মিাণ জাতীয় পুর্নগঠন কাজে আত্মপ্রত্যয় ও নষ্ঠিার সাথে র্কতব্য পালনরে একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হসিাবে অপর সকলকে অনুপ্রাণতি করুক এবং বাংলাদশে ও ভারতরে মধ্যকার মত্রৈী বন্ধন ও যৌথ প্রচষ্টোর র্স্বাথক স্বাক্ষর হসিাবে স্মরণীয় হয়ে থাকুক।’

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ