ওমিক্রনে বয়স্কদের মৃত্যুঝুঁকি ৯৫% কমাতে পারে বুস্টার ডোজ

আপডেট: জানুয়ারি ২৮, ২০২২, ৫:৫৬ অপরাহ্ণ

গত বছর ফেব্রুয়ারিতে ব্রিটেনের সাউথ ওয়ালেসের একটি কোভিড-১৯ টিকাদান কেন্দ্রে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা নিচ্ছেন এক নারী। ছবি: রয়টার্স

সোনার দেশ ডেস্ক:


কোভিড টিকার বুস্টার ডোজ করোনাভাইরাসের ওমিক্রন ধরনে আক্রান্ত পঞ্চাশোর্ধ্ব ব্যক্তিদের মৃত্যুঝুঁকি ৯৫ শতাংশ পর্যন্ত কমিয়ে আনতে পারে বলে জানিয়েছে যুক্তরাজ্যের একটি সংস্থা।

বৃহস্পতিবার ইউকে হেলথ সিকিউরিটি এজেন্সির (ইউকেএইচএসএ) বরাতে রয়টার্স জানায়, দুই ডোজের যে কোনো কোভিড টিকার দ্বিতীয় ডোজ নেওয়ার ছয় মাসের মাথায় ওমিক্রন ধরনে সংক্রমিত হলে ৫০ বছর বা তার বেশি বয়সের মানুষের মৃত্যু ঠেকাতে ৬০ শতাংশ সুরক্ষা মেলে। এই সুরক্ষাই ৯৫ শতাংশে পৌঁছায় টিকার বুস্টার ডোজ নেওয়ার দুই সপ্তাহের মধ্যে।
ইউকেএইচএসএ জানিয়েছে, তথ্য উপাত্ত থেকে দেখা যাচ্ছে, বুস্টার নেওয়ার পর হাসপাতালে ভর্তির মত গুরুতর অসুস্থতা এড়াতেও ভালো ফল পাওয়া যাচ্ছে।

ফাইজার-বায়োএনটেকের বুস্টার টিকা নিলে হাসপাতালে যাওয়া ৯০ শতাংশ কমানো যায়, যা বুস্টার নেওয়ার ১০ থেকে ১৪ সপ্তাহ পরে ৭৫ শতাংশে নেমে আসে।
মডার্নার বুস্টার টিকার ক্ষেত্রে হাসপাতালে যাওয়ার মত অসুস্থতা এড়ানো পাওয়া যায় ৯০ থেকে ৯৫ শতাংশ এবং তা ৯ সপ্তাহ পর্যন্ত কার্যকর থাকে।

ইউকেএইচএসএ-র টিকাদান বিভাগের প্রধান ড. মারি রামসে বলেন, “প্রমাণ স্পষ্ট, কোভিড-১৯ এর প্রভাব থেকে টিকা আমাদের সবাইকে সুরক্ষা দিচ্ছে এবং বুস্টার ডোজ আমাদের সমাজে সবচেয়ে ঝুঁকিতে থাকা মানুষদের হাসপাতালে ভর্তি ও মৃত্যু থেকে সুরক্ষার মাত্রা আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে।”

ওমিক্রনের আরেকটি ধারা, যা বিএ.২ হিসেবে পরিচিত, তার বিরুদ্ধেও টিকার কার্যকারিতা প্রাথমিক বিশ্লেষণে প্রমাণ হয়েছে বলে জানিয়েছে ইউকেএইচএসএ।
ওমিক্রনের এই উপধারাটি এখন ব্রিটেন ও ডেনমার্কে বেশি ছড়াচ্ছে, এবং টিকা এর বিরুদ্ধে সমান সুরক্ষা দিচ্ছে বলে জানিয়েছে তারা।
তথ্যসূত্র: বিডিনিউজ